| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘…’ ২০২৪ – পরিপাক ও শোষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ৩
একটি সরলরেখার ওপরে ও নিচে বিভিন্ন প্রকার দাঁতের ইংরেজি নামের প্রথম অক্ষর লিখে এ ধরনের দাঁত প্রতি চোয়ালের অর্ধাংশে কয়টি আছে তা লিখে যে সংকেত পাওয়া যায় তাই দন্ত সংকেত।
বড় ধরনের অস্ত্রোপচার না করে হৃৎপিণ্ডের সংকীর্ণ লুমেনযুক্ত বা রুদ্ধ হয়ে যাওয়া করোনারি ধমনি পুনরায় প্রশস্ত লুমেনযুক্ত বা উন্মুক্ত করার পদ্ধতিকে অ্যানজিওপ্লাস্টি বলে। অ্যানজিওপ্লাস্টির উদ্দেশ্য হচ্ছে সরু বা বন্ধ হয়ে যাওয়া লুমেনের ভেতর দিয়ে হৃৎপিণ্ডে পর্যাপ্ত O2 সরবরাহ নিশ্চিত করে হৃৎপিণ্ড ও দেহকে সচল রাখা। বুকে ব্যথা, হার্ট ফেইলিউর, হার্ট অ্যাটাক প্রভৃতি মারাত্মক রোগ থেকে মুক্তির সহজ উপায় হলো অ্যানজিওপ্লাস্টি।
জনের দুপুরের খাবারগুলো হলো গরুর মাংস এবং ভাত । ভাত শর্করা ও গরুর মাংস আমিষ জাতীয় খাদ্য। নিচে এ খাদ্যগুলোর পরিপাক প্রক্রিয়া বর্ণনা করা হলো-
খাদ্য গ্রহণের পর মুখগহ্বর থেকে যে লালা নিঃসৃত হয় সেখানে টায়ালিন থাকে। এই টায়ালিন শর্করাকে মলটোজে পরিণত করে। মুখগহ্বরে আমিষ ও স্নেহ জাতীয় খাদ্যের পরিপাক ঘটে না। খাদ্য পাকস্থলিতে পৌঁছালে, হাইড্রোক্লোরিক এসিড খাদ্যের জীবাণুকে মেরে ফেলে এবং নিষ্ক্রিয় পেপসিনোজেনকে সক্রিয় পেপসিনে পরিণত করে। এখানে পেপসিন আমিষকে ভেঙ্গে পেপটাইডে পরিণত করে। পাকস্থলিতে শর্করার পরিপাক ঘটে না। পাকস্থলিতে খাদ্যগুলো মিশে পাকমণ্ড তৈরি হয় । পাকমণ্ড পাকস্থলি থেকে ক্ষুদ্রান্ত্রে পৌঁছালে সেখানে অগ্ন্যাশয় থেকে পাচক রস নিঃসৃত হয়। পাচক রসের এনজাইমের ক্রিয়ার ফলে শর্করা ও আমিষের পরিপাক কাজ চলতে থাকে । অগ্ন্যাশয় নিঃসৃত অ্যামাইলেজ সামান্য ক্ষারধর্মী পরিবেশে স্টার্চ, গ্লাইকোজেন ও ডেক্সট্রিনকে আর্দ্রবিশ্লিষ্ট করে মল্টোজ, মল্টোট্রায়োজ ও লিমিট ডেক্সট্রিন নামক ক্ষুদ্র ডেক্সট্রিন অণু উৎপন্ন করে। মল্টেজ এনজাইম মল্টোজের উপর কাজ করে গ্লুকোজে পরিণত করে। আবার আন্ত্রিক রসের ট্রিপসিন আমিষের আংশিক পরিপাককৃত পেপটাইডে ভেঙ্গে অ্যামাইনো এসিডে পরিণত করে। এভাবে মুখগহ্বর থেকে ক্ষুদ্রান্ত পর্যন্ত খাদ্যগুলোর পরিপাক ঘটে ।
এভাবে জনের গ্রহণকৃত দুপুরের খাবারগুলো পরিপাক হয়ে থাকে।
পূর্ণবয়স্ক মানুষের দেহের মাত্রাতিরিক্ত ওজন নির্ধারণের জন্য উচ্চতা ও ওজনের 'আনুপাতিক হার হলো BMI । BMI এর মানদণ্ড অনুযায়ী সুস্বাস্থ্যের আদর্শ মান হলো ১৮.৫-২৪.৯। জনের BMI ৩০ হওয়ায় সে মোটা হওয়ার প্রথম স্তরে আছে। কারণ, মানদণ্ড অনুযায়ী মোটা হওয়ার প্রথম স্তর হলো ৩০-৩৪.৯। সুতরাং জনের BMI স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। তার বেছে খাদ্যগ্রহণ ও ব্যায়াম করা প্রয়োজন ।