A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২৫ – সিরাজউদ্দৌলা, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ নাটক ও উপন্যাস🧩 অধ্যায় ১ম অধ্যায় — সিরাজউদ্দৌলা🔢 সৃজনশীল নং ১১১🏫 বোর্ড রাজশাহী বোর্ড📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের একজন বীর শহিদ তার মা-বাবাকে চিঠি লিখে ‘মা, আমি মিছিলে যাচ্ছি। আমি নিজেকে আর আটকিয়ে রাখতে পারলাম না। স্যরি আব্বুজান! তোমার কথা অমান্য করে বের হলাম। স্বার্থপরের মতো ঘরে বসে থাকতে পারলাম। না। আমাদের ভাইয়েরা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কাফনের কাপড় মাথায় বেঁধে রাজপথে নেমে সংগ্রাম করে যাচ্ছে। অকাতরে নিজেদের জীবন বিসর্জন দিচ্ছে। একটি প্রতিবন্ধী কিশোর, ৭ বছরের। বাচ্চা, ল্যাংড়া মানুষ যদি সংগ্রামে নামতে পারে, তাহলে আমি কেন। বসে থাকব? আমার মনে হয় স্বার্থপরের মতো ঘরে বসে না থেকে। সংগ্রামে নেমে গুলি খেয়ে বীরের মতো মৃত্যু অধিক শ্রেষ্ঠ…।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলার পতন হলে কোম্পানি এক কোটি টাকা পাবে বলে দলিলে উল্লেখ আছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

"সবাই মিলে সত্যিই আমরা বাংলাকে বিক্রি করে দিচ্ছি না তো?" একথাটি মিরজাফর বলেছে ইংরেজদের সঙ্গে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করা প্রসঙ্গে।
'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে সিরাজউদ্দৌলার পতনের পর কে কী পাবে সেটা সম্পর্কে মিরনের বাড়িতে বসে ক্লাইভের সঙ্গে মিরজাফর চক্রের গোপন বৈঠক হয়। চুক্তিপত্রে উল্লেখ করা হয়- সিরাজের পতনের পর কোম্পানি এক কোটি, ক্লাইভ দশ লাখ টাকা পাবে আর মসনদ পাবে বিশ্বাসঘাতক মিরজাফর। এমন চুক্তিতে সই করতে গিয়ে মিরজাফরের মন ক্ষণিকের জন্য দুর্বল হয়, বিবেকের তাড়নায় তার কাছে এক মুহূর্তের জন্য মনে হয়- তারা সবাই মিলে বাংলাকে বিক্রির চুক্তিপত্রে সই করতে যাচ্ছে কিনা।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

সাহসিকতা ও স্বাধীনতা রক্ষায় জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার মনোভাবের দিক থেকে উদ্দীপকে শহিদের সঙ্গে দেশপ্রেমিক মোহনলালের সাদৃশ্য রয়েছে।

'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে নবাবকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য মিরজাফর, রায়দুর্লভ, ক্লাইভ গোপন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। পলাশির যুদ্ধে কোরান স্পর্শ করে শপথ নিয়েও মিরজাফর নবাবের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে। 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে অপরাজেয় মানসিকতার অধিকারী দেশপ্রেমিক বীর মোহনলাল। পলাশির যুদ্ধে মিরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতায় নবাবের পরাজয় হয়েছে- এই খবর জেনেও দেশের জন্য মোহলাল আবার যুদ্ধে যান।

উদ্দীপকের জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে শহিদ ব্যক্তিটি বাবা-মায়ের নিষেধ অমান্য করে দেশের মানুষের পক্ষে আন্দোলনে যোগ দেয়। দেশের সংকটলগ্নে হাত গুটিয়ে স্বার্থপরের মতো বসে থাকতে পারেনি সে। সবার সঙ্গে ফ্যাসিবাদী শক্তির বিরুদ্ধে সংগ্রামে যুক্ত হয়ে সংগ্রাম করতে করতে সে শহিদ হয়েছে। 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের দেশপ্রেমকি বীর মোহনলালও পলাশির প্রান্তরে বিশ্বাসঘাতকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন এবং বন্দি হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। এদিক থেকে উদ্দীপকে শহিদের মানসিক দৃঢ়তার সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের দেশপ্রেমিক যোদ্ধা মোহনলালের মানসিক দৃঢ়তার তুলনামূলক সাদৃশ্য রয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

"উদ্দীপকের শহিদের মতো দেশপ্রেম নবাব পক্ষের সব সেনাপতির মনে থাকলে বাংলাকে দুইশ বছর ইংরেজদের গোলামি করতে হতো না।”- মন্তব্যটির সঙ্গে আমি একমত।
'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে দেশপ্রেমিক নবাব সিরাজউদ্দৌলা বিদেশি বণিক ইংরেজদের হাত থেকে বাংলাকে রক্ষা করতে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন। সেই যুদ্ধে নবাবের পক্ষে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কোরান স্পর্শ করে শপথ নিয়েও মিরজাফর যুদ্ধ করেনি। নিজে নবাব হওয়ার লোভে সে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে।
উদ্দীপকের জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে শহিদ ব্যক্তিটি দেশের সংকটকালে স্বার্থপরের মতো ঘরে বসে থাকতে পারেনি। ফ্যাসিবাদী শক্তির বিরুদ্ধে সামনে থেকে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে সে। বাবা-মায়ের নিষেধ উপেক্ষা করে দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করে। সে বাঙালির সংগ্রামী চেতনার পথ ধরে চেতনাদীপ্ত হয়েছে। অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে সাহস ও অনুপ্রেরণা পেয়েছে। এই শহিদের মতো নবাব সিরাজের পক্ষের সব সেনাপতির মনে দেশপ্রেম থাকলে বাংলা দুইশ বছরের জন্য পরাধীন হতো না।
'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে মিরমর্দান মোহনলাল প্রমুখ সেনাপতি নবাবের পক্ষে যুদ্ধ করে প্রাণ দেন। বাকিরা যুদ্ধক্ষেত্রে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে। নবাবের প্রধান সেনাপতি মিরজাফর ইংরেজদের সঙ্গে যুদ্ধক্ষেত্রে হাত মেলায় এবং তার অধীন সেনাপতিদের যুদ্ধ থেকে বিরত থাকতে বলে। ফলে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতন ঘটে। নবাবের সকল সেনাপতি উদ্দীপকের শহিদের মতো দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করলে নবাবের সুনিশ্চিত জয় হতো। তাহলে বাংলাকে দুইশ বছর ইংজেরদের গোলামি করতে হতো না।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২৫ – সিরাজউদ্দৌলা, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”