A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ ২০২৪ – শ্বসন ও শ্বাসক্রিয়া, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৫ম অধ্যায় — শ্বসন ও শ্বাসক্রিয়া🔢 সৃজনশীল নং ২২📅 সাল ২০২৪⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৫

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

মধ্যকর্ণের অভ্যন্তরে সংক্রমণজনিত প্রদাহই হলো ওটিটিস মিডিয়া। 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের A ও B হলো যথাক্রমে ফুসফুস ও মস্তিষ্ক। ফুসফুস থেকে অক্সিজেন (O2) মস্তিষ্কে এবং মস্তিষ্ক থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2) ফুসফুসে রক্তের মাধ্যমে পরিবাহিত হয়। নিচে মানবদেহে O2 ও CO2 গ্যাস-এর পরিবহন প্ৰক্ৰিয়া ব্যাখ্যা করা হলো- 
রক্তে দু'ভাবে পরিবাহিত হয়, যথা- ভৌত দ্রবণরূপে ও রাসায়নিক যৌগরূপে। 
i. ভৌত দ্রবণরূপে: প্রতি ১০০ মি.লি. রক্তে ০.৩ মি.লি. O2 ভৌত দ্রবণরূপে পরিবাহিত হয়। 
ii. রাসায়নিক যৌগরূপে: O2 রক্তে প্রবেশের পর লোহিত কণিকায় অবস্থিত হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সি-হিমোগ্লোবিন গঠন করে। অক্সি-হিমোগ্লোবিন যৌগ হিসেবে অক্সিজেন দেহকোষে পরিবাহিত হয়। 

দেহকোষে উৎপন্ন CO2 রক্তে তিনটি ভিন্ন পদ্ধতিতে পরিবাহিত হয়ে ফুসফুসে পৌছায়।

i. ভৌত দ্রবণরূপে: কিছু পরিমাণ (৫%) CO2-এর সাথে রক্তের প্লাজমার পানির বিক্রিয়ায় কার্বনিক এসিড উৎপন্ন হয়ে রক্তে পরিবাহিত হয় । 
H2O + CO2 → H2CO3

ii. কার্বামিনো যৌগরূপে: CO2 লোহিত কণিকার হিমোগ্লোবিনের গ্লোবিন অংশের অ্যামিনো গ্রুপের সাথে CO2 যুক্ত করে কার্বামিনো হিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে। CO2 এর একাংশ প্লাজমা প্রোটিনের সাথে সরাসরি যুক্ত হয়ে কার্বামিনো প্রোটিন গঠন করে। মোট CO2-এর শতকরা ২৭ ভাগ কার্বামিনো যৌগরূপে পরিবাহিত হয় ।

iii. বাইকার্বনেট যৌগরূপে: CO2-এর বেশির ভাগই (৬৫%) রক্তে বাইকার্বনেটরূপে পরিবাহিত হয়। এটি NaHCO3 রূপে প্লাজমার মাধ্যমে এবং KHCO3 রূপে লোহিত কণিকার মাধ্যমে পরিবাহিত হয়। 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের A হলো ফুসফুস এবং B মস্তিষ্ক। ফুসফুসের মধ্য দিয়ে O2 এবং CO2 চলাচল মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রণ করে। আমরা প্রশ্বাসের সময় O2 গ্রহণ করি এবং নিঃশ্বাসের সময় CO2 ত্যাগ করি। মানুষের প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস কার্যক্রম প্রক্রিয়াটি মস্তিষ্কের পশ্চাৎ অংশের মেডুলা অবলঙ্গাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। মস্তিষ্কের শ্বাসকেন্দ্র নামক একগুচ্ছ স্নায়ু শ্বাস- প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ করে। মস্তিষ্কের পসের পার্শ্বদেশে অবস্থিত দুজোড়া স্নায়ুকেন্দ্র এবং মেডুলার পার্শ্বদেশে অবস্থিত দুজোড়া স্নায়ুকেন্দ্র O2 গ্রহণ ও CO2 ত্যাগের প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। তাই এদেরকে শ্বাসকেন্দ্র বলে। পসের দুইজোড়া স্নায়ু যথাক্রমে নিউমোট্যাক্সিক ও অ্যাপনিউস্টিক স্নায়ুকেন্দ্র নামে পরিচিত। অন্যদিকে মেডুলায় দুইজোড়া স্নায়ুকেন্দ্র যথাক্রমে প্রশ্বাস কেন্দ্র ও নিঃশ্বাস কেন্দ্র নামে পরিচিত উপরিউক্ত স্নায়কেন্দ্রসমূহ শ্বসন সংশ্লিষ্ট অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সঙ্গে স্নায়ুজালক দ্বারা যুক্ত থাকে। 
প্রথমে নিউমোট্যাক্সিক কেন্দ্র থেকে উদ্দীপনা অ্যাপনিউস্টিক কেন্দ্রে যায় এবং সেখান থেকে নিঃশ্বাস কেন্দ্রে যায়। নিঃশ্বাস কেন্দ্র থেকে উদ্দীপনা প্রশ্বাস কেন্দ্রে গমন করে এবং সেখান থেকে ডায়াফ্রামে যায়। ফলে ডায়াফ্রাম কার্যক্রম শুরু করে। অপরদিকে প্রশ্বাসকেন্দ্র থেকে উদ্দীপনা ইন্টারকোস্টাল পেশিকে উদ্দীপ্ত করে। ফলে ইন্টারকোস্টাল পেশি কার্যক্রম শুরু করে। অন্যদিকে ফুসফুস থেকে উদ্দীপনা আাপনিউস্টিক কেন্দ্রে গমন করে। এভাবে মস্তিষ্কের মেডুলা অবলঙ্গাটায় অবস্থিত পনস ও মেডুলা O2 ও CO2 চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে। 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ ২০২৪ – শ্বসন ও শ্বাসক্রিয়া, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”