A. Nayanㅤ
A. Nayan
18 Oct 2026 (1 week ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ ২০২৫ – জলবায়ুর উপাদান ও নিরামক, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই ভূগোল📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ ভূগোল🧩 অধ্যায় ৫ম অধ্যায় — জলবায়ুর উপাদান ও নিরামক🔢 সৃজনশীল নং ৪০📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৫

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোত সরাসরি উত্তর-দক্ষিণে প্রবাহিত না হয়ে উত্তর গোলার্ধে ডান এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

বায়ুর অণুগুলোর ওপর ক্রিয়াশীল বলের ভারসাম্যহীনতার কারণে ভূপৃষ্ঠে বায়ু গতিশীল হয়। পৃথিবীর আবর্তন এবং তাপশক্তির ভারসাম্যহীনতা বায়ুপ্রবাহ সৃষ্টির প্রধান কারণ। দুটি ভিন্ন স্থানের বায়ুচাপের পার্থক্যই হচ্ছে বায়ুচাপ অবক্রম। বায়ুচাপ অবক্রমই মূলত বায়ুপ্রবাহের সূত্রপাত করে। যখন বায়ুচাপ অবক্রমের সৃষ্টি হয় তখন উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে বায়ু নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের বৃষ্টিপাত 'ক' বলতে সংঘর্ষ বা বায়ু প্রাচীরজনিত বৃষ্টিপাতকে বোঝায়। নিম্নে উক্ত বৃষ্টিপাত সম্পর্কে বর্ণনা করা হলো-

শীতল বায়ু উষ্ণ বায়ু অপেক্ষা ভারী। যখন শীতল ও উষ্ণ বায়ুপুঞ্জ মুখোমুখি উপস্থিত হয়ে একে অপরের দিকে অগ্রসর হয়, তখন উষ্ণ জলীয়বাষ্পপূর্ণ হালকা বায়ুপুঞ্জ ভারী শীতল বায়ুপুঞ্জের গা বেয়ে উপরে উঠতে থাকে। উপরে উঠার ফলে জলীয়বাষ্পপূর্ণ উষ্ণ বায়ু প্রসারিত ও শীতল হয়ে বায়ুপুঞ্জের সীমান্ত বরাবর বৃষ্টিপাত ঘটায়। এ জাতীয় বৃষ্টিপাতকে সংঘর্ষ বা সীমান্ত বৃষ্টিপাত বলা হয়।

উত্তর গোলার্ধে বিশেষত শীতকালে ৩৫০ থেকে ৬৫০ অক্ষাংশের মধ্যে মেরুদেশীয় শীতল এবং ক্রান্তীয় উষ্ণ বায়ুর সংঘর্ষে এ জাতীয় বৃষ্টিপাত সবচেয়ে বেশি হয়ে থাকে। এ ধরনের বৃষ্টি মুষলধারে বর্ষিত হয় না। এছাড়া এধরনের বৃষ্টিপাত হাজার হাজার বর্গকিলোমিটারব্যাপী চলতে থাকে এবং এর ব্যাপকতাও বেশি।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে বৃষ্টিপাত 'খ' বলতে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাতকে বোঝানো হয়েছে। নিম্নে উক্ত বৃষ্টিপাতের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো-

জলীয়বাষ্পপূর্ণ উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু ভূপৃষ্ঠের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় উঁচু পর্বতে বাধা পেলে তা পর্বতের ঢাল বেয়ে উপরে উঠতে থাকে। উপরে উঠে এ 'জলীয়বাষ্পপূর্ণ' বায়ু শীতল ও ঘনীভূত হয়ে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়। পাহাড়-পর্বতের বাধাজনিত কারণে এরূপ বৃষ্টিপাত শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত নামে পরিচিত। এধরনের বৃষ্টিপাত সাধারণত পর্বতের প্রতিবাত ঢালে হয়ে থাকে। পর্বতের উচ্চতা বেশি হওয়ায় অনুবাত ঢালে এ বৃষ্টিপাত হয় না। এ ধরনের বৃষ্টিপাত অঞ্চল সাধারণত পাহাড় ও সমুদ্রের পাশাপাশি থাকে। এতে করে সহজেই জলীয়বাষ্প উৎপন্ন হয়ে পাহাড়ের প্রতিবাত পার্শ্বে যেতে পারে এবং তাপের আদান-প্রদানের মাধ্যমে বৃষ্টিপাত ঘটায়। সুতরাং, পাহাড়িয়া অঞ্চলের শীতল পরিবেশ এবং সমুদ্র হতে আগত উষ্ণ জলীয়বাষ্প তাপ বর্জন করে শীতল হয় এবং জলকণায় পরিণত হয়। পরবর্তীতে তা শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি আকারে পাহাড়ের প্রতিবাত পার্শ্বে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ ২০২৫ – জলবায়ুর উপাদান ও নিরামক, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)”