| ㅤ | A. Nayan12 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘…’ ২০২৬ – জীবপ্রযুক্তি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ১১
একটি DNA সূত্রকে চারটি নাইট্রোজেন বেস অ্যাডেনিন, গুয়ানিন, সাইটোসিন এবং থায়ামিন যে নিয়মে সজ্জিত থাকে, তা নির্ণয়ের প্রক্রিয়াই হলো জিনোম সিকোয়েন্সিং।
টিস্যু কালচার প্রক্রিয়ার দুটি অসুবিধা নিম্নরূপ-
i. মূল্যবান যন্ত্রপাতি এবং মূল্যবান রাসায়নিক পদার্থের অপ্রতুলতা।
ii. মাল্টিপ্লিকেশনের সময় আবাদকৃত টিস্যু জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হলে বহুসংখ্যক সম্ভাবনাময় চারা নষ্ট হয়ে যায়।
উদ্দীপকের অণুজীবটি হলো ব্যাকটেরিয়া। ব্যাকটেরিয়া সাধারণত দ্বি-বিভাজন প্রক্রিয়ায় তাদের সংখ্যা বৃদ্ধি করে। নিচে চিত্রের মাধ্যমে তা দেখানো হলো-
উদ্দীপকের A হলো DNA এবং B হলো প্লাজমিড। রিকম্বিনেট DNA প্রযুক্তির মাধ্যমে A তথা DNA তে নতুন বৈশিষ্ট্য সংযোজন করা সম্ভব, যেখানে B তথা প্লাসমিড বিশেষ ভূমিকা রাখে। রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তিতে একটি জীবের কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্যের জন্য দায়ী জিন অন্য একটি জীবের DNA তে সংযোজন করা যায়। এক্ষেত্রে প্লাসমিড ভেক্টর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সংক্ষেপে ধাপগুলো-
● রেস্ট্রিকশন এনজাইমের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত জিন কেটে নেওয়া হয়।
● একই এনজাইম দিয়ে প্লাসমিডও কাটা হয়।
● লাইগেজ এনজাইম দ্বারা কাঙ্ক্ষিত জিন প্লাসমিডের সঙ্গে যুক্ত করা হয় এবং তৈরি করা হয় রিকম্বিনেন্ট প্লাসমিড DNA।
● এই রিকম্বিনেন্ট প্লাসমিডকে পোষক কোষে প্রবেশ করানো হয় এবং সেখান থেকে তৈরি হয় নতুন বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন জীব।
সুতরাং, সংক্ষিপ্ত আলোচনা থেকে দেখা যায় যে, প্লাসমিড ছাড়া রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তিতে কোনো জীবের নতুন বৈশিষ্ট্যের জন্য দায়ী জিনের সংযোজন ঘটানো সম্ভব নয়। অর্থাৎ, এ ক্ষেত্রে প্লাসমিডের ভূমিকা অপরিসীম।