A. Nayanㅤ
A. Nayan
10 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ ২০২৬ – অর্থনৈতিক রসায়ন, রসায়ন, রসায়ন ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই রসায়ন📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ রসায়ন🧩 অধ্যায় ৫ম অধ্যায় — অর্থনৈতিক রসায়ন🔢 সৃজনশীল নং ২৩📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৫

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

অনার্দ্র AlCl3 এর উপস্থিতিতে বেনজিনের সাথে RX বা RCOX বিক্রিয়া করে অ্যালকাইল বেনজিন বা অ্যাসাইল বেনজিন তৈরি করে। এ বিক্রিয়াকে ফ্রিডেল ক্রাফট বিক্রিয়া বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উর্টজ বিক্রিয়ায় ব্যবহৃত ইথার আর্দ্র হলে এতে উপস্থিত পানি অত্যন্ত সক্রিয় Na ধাতুর সাথে তীব্রভাবে বিক্রিয়া করবে। এর ফলে কাঙ্ক্ষিত উচ্চতর অ্যালকেন উৎপন্ন না হয়ে অ্যালকোহল তৈরি করতে পারে এবং সোডিয়াম ধাতু ও পানির বিক্রিয়ায় আগুন লাগার ঝুঁকি থাকে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের তথ্যমতে, T হলো কাগজ। নিচে কাগজ এর উৎপাদন প্রক্রিয়া বর্ণনা করা হলো-

১. কাঠ/বাঁশ থেকে পাল্প বা মণ্ড উৎপাদন: বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্য যেমন Na2 S,Na2CO3,NaOH,Ca(OH)2,Ca(HSO3)2 ইত্যাদি দ্বারা তৈরি কুকিং লিকার ব্যবহার করে কাঠ বা বাঁশ থেকে লিগনিন এবং অন্যান্য অসেলুলোজীয় পদার্থ দ্রবীভূত করে পৃথক করা হয় এবং সেলুলোজ সংগ্রহ করা হয়। এভাবে উৎপন্ন সেলুলোজের কাই এর নামই মণ্ড (Pulp)।

২. কাগজ উৎপাদন: প্রাপ্ত মণ্ডকে বিভিন্ন ইউনিট প্রোসেস ও ইউনিট অপারেশন দ্বারা অস্বচ্ছ, ছিদ্রহীন, মসৃণ পৃষ্ঠতল বিশিষ্ট পাতলা শীট এ পরিণত করা হয়। এরই নাম কাগজ শীট। মণ্ডকে কাগজে পরিণত করার জন্য তিনটি ধাপ অনুসরণ করা হ্য়। যথা:

i. বিটিং: একটি যান্ত্রিক beater এ মণ্ডকে beating করে সুষম মণ্ডে পরিণত করা হয়।

ii. রিফাইনিং: এ মণ্ডের সঙ্গে ফিলার, সাইজিং দ্রব্য হিসাবে Na2CO3, Na2SO4 ও বিরঞ্জক হিসেবে Ca(OCl)Cl যোগ করলে সাদা, মসৃণ পাল্প পাওয়া যায়।

iii. পেপার শীট উৎপাদন: একে একটি ফোর ড্রিনিয়ার মেশিনে ড্রাইং ও বারবার চাপ প্রদানের সাহায্যে মসৃণ শীট এ পরিণত করা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের তথ্যমতে, T শিল্পটি কাগজ শিল্প। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কাগজ খবুই গুরুত্বপূর্ণ। সব বইপুস্তক, পত্রপত্রিকা, ম্যাগাজিন প্রভৃতি কাগজে ছাপা হয়। কাগজে লিখে ছাত্র-ছাত্রীরা লেখাপড়া করে; অন্যরা অফিসের কাজ করে অথবা হিসাব নিকাশ করে। এসব কাজে প্রতিদিন বিশাল পরিমাণ কাগজ ব্যবহৃত হয় এবং সময়মতো তা পুরানো কাগজরূপে পরিত্যক্ত হয়। শুধু সংবাদ-পত্রিকা শিল্পে নিউজপ্রিন্টের বার্ষিক চাহিদা হলো এক লক্ষ বিশ হাজার টন; এর মধ্যে আমদানি করতে হয় পঞ্চাশ হাজার টন। বই-পুস্তক, অফিস-আদালত ও অন্যান্য ক্ষেত্রে নিউজপ্রিন্টের তুলনায় কয়েক গুণ পরিমাণ উন্নতমানের সাদা কাগজ কর্ণফুলি পেপার মিল যোগান দেয়। দিন, মাস ও বছর শেষে এসব কাগজ পুরানো বই-পত্র, খাতা, পত্রিকারূপে ফেরিওয়ালারা সংগ্রহ করে। পুরাতন এসব কাগজ থেকে তৈরি হয় দোকানিদের জন্য ঠোঙা এবং অধিকাংশ পুরানো কাগজ রিসাইকেলের জন্য পেপার মিলে ফিরে যায়।

সুফল:
১. কাগজ রিসাইকেল পরিবেশ সংরক্ষণ ও গ্রিন হাউজ প্রভাব হ্রাসকরণে ভূমিকা রাখে।

২. কাগজের রিসাইকেলের ফলে দেশের চাহিদা মিটাতে উদ্ভিদ থেকে কাগজের মন্ড তৈরির প্রয়োজনীয় পরিমাণ কমে যায়। এক টন কাগজের প্রয়োজনীয় মন্ড তৈরি করতে প্রয়োজন হয় 17টি বড়ো গাছ, 7000 গ্যালন পানি, 380 গ্যালন জ্বালানি তেল এবং 4000 কিলোওয়াট শক্তি। অর্থাৎ এক টন পেপার রিসাইকেল প্রায় সমপরিমাণ উপাদান ও শক্তি সাশ্রয় করে।

৩. জ্বালানি থেকে সৃষ্ট CO2 দ্বারা গ্রিন হাউজ প্রভাব মুক্ত পরিবেশ থাকে। তাই উন্নত দেশসমূহে পেপার রিসাইকেল গুরুত্বসহকারে কার্যকর রাখে। যেমন 2010 সালে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে 63.5% কাগজ-সামগ্রীকে রিসাইকেল করা হয়। বাস্তবে সমগ্র পৃথিবীতে কাগজ রিসাইকেলের পরিমাণ কাচ, প্লাস্টিক ও অ্যালুমিনিয়ামের রিসাইকেলের পরিমাণসমূহের সমষ্টির চেয়েও বেশি হয়।

উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, কাগজের রিসাইক্লিং পরিবেশ বান্ধব ও অর্থ সাশ্রয়ী।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ ২০২৬ – অর্থনৈতিক রসায়ন, রসায়ন, রসায়ন ২য় পত্র (এইচএসসি)”