A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ ২০২৬ – শ্বসন ও শ্বাসক্রিয়া, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৫ম অধ্যায় — শ্বসন ও শ্বাসক্রিয়া🔢 সৃজনশীল নং ৫২📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৫

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

বৃক্কের গ্লোমেরুলাসে চাপ প্রয়োগের ফলে সম্পন্ন হওয়া পরিস্রাবণ প্রক্রিয়াটিই হলো আলট্রাফিলট্রেশন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

পাকস্থলি পরিপাকে অংশগ্রহণ করলেও নিজে হজম হয় না, কারণ পাকস্থলি নিঃসৃত প্রোটিয়েজগুলো নিষ্ক্রিয় অবস্থায় থাকে। এটি গ্যাস্ট্রিক রসের HCI-এর সাথে বিক্রিয়া করে সক্রিয় এনজাইম পেপসিন ও রেনিন এ পরিণত হয়। এছাড়াও পাকস্থলির তিন স্তর বিশিষ্ট প্রাচীর খাদ্য পরিপাকের সময় সঞ্চালন মাত্রা বৃদ্ধি করে। এ সংকোচন প্রসারণের জন্য এনজাইম খাদ্যের সাথে ভালভাবে মিশে যায় এবং পাকস্থলি প্রাচীরের কিছু কোষ ও লালা গ্রন্থি মিউকাস উৎপাদন করে। এসব কারণে পাকস্থলি নিজে পরিপাক হয় না।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের উল্লিখিত 'C' অংশটি হলো মানুষের মস্তিষ্ক উদ্দীপকে বর্ণিত গ্যাসীয় বিনিময় প্রক্রিয়াটি মস্তিষ্কের পশ্চাৎ অংশের পন্স ও মেডুলা আবলঙ্গাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। নিচে তা বর্ণনা করা হলো-

মস্তিষ্কের শ্বাসকেন্দ্র নামক এক গুচ্ছ স্নায়ু শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ করে। মস্তিষ্কের পন্সের পার্শ্বদেশে অবস্থিত দুজোড়া স্নায়ুকেন্দ্র এবং মেডুলার পার্শ্বদেশে অবস্থিত দুজোড়া স্নায়ুকেন্দ্র প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। তাই এদেরকে শ্বাসকেন্দ্র বলে। পন্সের দুইজোড়া স্নায়ু যথাক্রমে নিউমোট্যাক্সিক ও অ্যাপনিউস্টিক স্নায়ুকেন্দ্র নামে পরিচিত। অন্যদিকে মেডুলায় দুইজোড়া স্নায়কেন্দ্র যথাক্রমে প্রশ্বাস কেন্দ্র ও নিঃশ্বাস কেন্দ্র নামে পরিচিত। উপরিউক্ত স্নায়কেন্দ্রসমূহ শ্বসন সংশ্লিষ্ট অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সঙ্গে স্নায়ুজালক দ্বারা যুক্ত থাকে। প্রথমে নিউমোট্যাক্সিক কেন্দ্র থেকে উদ্দীপনা অ্যাপনিউস্টিক কেন্দ্রে যায় এবং সেখান থেকে নিঃশ্বাস কেন্দ্রে যায়। নিঃশ্বাস কেন্দ্র থেকে উদ্দীপনা প্রশ্বাস কেন্দ্রে গমন করে এবং সেখান থেকে ডায়াফ্রামে যায়। ফলে ডায়াফ্রাম কার্যক্রম শুরু করে। অপরদিকে প্রশ্বাসকেন্দ্র থেকে উদ্দীপনা ইন্টারকোস্টাল পেশিকে উদ্দীপ্ত করে। ফলে ইন্টারকোস্টাল পেশি কার্যক্রম শুরু করে। অন্যদিকে ফুসফুস থেকে উদ্দীপনা অ্যাপনিউস্টিক কেন্দ্রে গমন করে। এভাবে মস্তিষ্কের মেডুলা অবলঙ্গাটায় অবস্থিত পনস ও মেডুলা প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে 'B' এবং 'C' যথাক্রমে ফুসফুস ও মস্তিষ্ক। ফুসফুস ও মস্তিষ্কের মধ্যে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবহন বলতে মূলত ফুসফুস ও দেহকোষের মধ্যে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবহন বোঝানো হয়েছে। নিচে এর কৌশল ব্যাখ্যা করা হলো-

অক্সিজেন (O2) পরিবহন কৌশল: ফুসফুস থেকে অক্সিজেন রক্তরসে দ্রবীভূত হয়ে এবং লোহিত রক্তকণিকার হিমোগ্লোবিনের মাধ্যমে দেহকোষে পরিবাহিত হয়। এটি দুইভাবে ঘটে:
i. ভৌত দ্রবণ হিসেবে: খুব সামান্য পরিমাণ অক্সিজেন রক্তরসে দ্রবীভূত হয়ে পরিবাহিত হয়।
ii. অক্সিজেন-হিমোগ্লোবিন যৌগ হিসেবে: অক্সিজেনের অধিকাংশ লোহিত রক্তকণিকার হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে অস্থায়ী 'অক্সিহিমোগ্লোবিন' গঠন করে। রক্ত প্রবাহের মাধ্যমে এটি যখন মস্তিষ্কের মতো দেহকোষের কৈশিক জালিকায় পৌঁছায়, তখন অক্সিজেনের চাপ কম থাকায় অক্সিহিমোগ্লোবিন ভেঙে গিয়ে অক্সিজেন মুক্ত করে দেয় এবং কোষে প্রবেশ করে।

কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO₂) পরিবহন কৌশল: কোষীয় শ্বসনের ফলে মস্তিষ্কের কোষে যে কার্বন ডাই-অক্সাইড তৈরি হয়, তা তিনটি পদ্ধতিতে ফুসফুসে ফিরে আসে:
i. ভৌত দ্রবণ হিসেবে: প্রায় ৫% কার্বন ডাই-অক্সাইড রক্তরসের পানির সাথে বিক্রিয়া করে কার্বনিক অ্যাসিড তৈরি করে এবং রক্তরসের মাধ্যমে ফুসফুসে পৌঁছায়।
ii . কার্বামিনো যৌগ হিসেবে: প্রায় ২৭% কার্বন ডাই-অক্সাইড লোহিত রক্তকণিকার হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে কার্বামিনোহিমোগ্লোবিন এবং রক্তরসের প্রোটিনের সাথে যুক্ত হয়ে কার্বামিনোপ্রোটিন গঠন করে পরিবাহিত হয়।
iii. বাইকার্বোনেট হিসেবে: এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি (প্রায় ৬৫%)। কার্বন ডাই-অক্সাইড লোহিত রক্তকণিকার ভেতরে পানির সাথে বিক্রিয়া করে বাইকার্বোনেট আয়ন তৈরি করে। এই বাইকার্বোনেট আয়ন পটাশিয়াম বা সোডিয়ামের সাথে যুক্ত হয়ে যথাক্রমে পটাশিয়াম বাইকার্বোনেট (কোষের ভেতরে) এবং সোডিয়াম বাইকার্বোনেট (রক্তরসে) হিসেবে ফুসফুসের দিকে ধাবিত হয়। ফুসফুসে পৌঁছালে এই রাসায়নিক প্রক্রিয়াগুলো বিপরীতমুখী হয় এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস হিসেবে মুক্ত হয়ে নিঃশ্বাসের মাধ্যমে পরিবেশে বেরিয়ে যায়। এভাবেই ফুসফুস ও মস্তিষ্কের মধ্যে গ্যাসীয় আদান-প্রদান সম্পন্ন হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ ২০২৬ – শ্বসন ও শ্বাসক্রিয়া, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”