A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ ২০২৬ – সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৮ম অধ্যায় — সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ🔢 সৃজনশীল নং ২৭📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৮

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ইনসটিংক্টস বা সহজাত আচরণ হলো প্রাণীর এক ধরণের জন্মগত ও বংশগতিসূত্রে প্রাপ্ত জটিল আচরণ, যা কোনো প্রকার পূর্ব অভিজ্ঞতা বা শিখন ছাড়াই নির্দিষ্ট উদ্দীপকের উপস্থিতিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রদর্শিত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

যে প্রক্রিয়ায় কোনো প্রাণী নিজেদেরকে বিপন্ন করে হলেও তার দলের অন্য সদস্যদেরকে সহায়তা করে তাই অ্যালটুইজম। মৌমাছি সদস্যদের মাঝে অ্যালটুইজম লক্ষ করা যায়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে C অর্থাৎ তৃতীয় প্রতিরক্ষা স্তরের প্রধান অস্ত্র হলো অ্যান্টিবডি। নিচে অ্যান্টিবডির গঠন বর্ণনা করা হলো-
সকল ধরনের অ্যান্টিবডির একটি সাধারণ গঠন থাকে। এটি চারটি পলিপেপটাইড শিকল নিয়ে গঠিত। এদের দুটি শিকল দৈর্ঘ্যে ছোট এবং দুটি বড়। ছোট ও বড় আকৃতির শিকলদের যথাক্রমে হালকা ও ভারী শিকল বলা হয়। প্রতিটি শিকলের দুটি নির্দিষ্ট অংশ আছে। একটি অংশ স্থায়ী ও অপরিবর্তনশীল, এদের CL ও CH হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। অপর অংশটি অস্থায়ী ও পরিবর্তনশীল, এদের VL ও VH হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ছোট ও হালকা পলিপেপটাইড প্রায় 220টি অ্যামিনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত। অন্যদিকে বড় ও ভারীগুলোতে থাকে 440টি। চারটি পলিপেপটাইড শিকল পরস্পর ডাইসালফাইড বন্ধনী দ্বারা পাশাপাশি যুক্ত হয়ে Y আকৃতির অ্যান্টিবডি বা ইমিউনোগ্লোবিন সৃষ্টি করে। Y আকৃতির অ্যান্টিবডি অণুর দীর্ঘ দণ্ডাকৃতির অংশটি কেবল ভারী পলিপেপটাইড শিকলের স্থায়ী অংশ দ্বারা গঠিত, যাকে FC অঞ্চল বলে। অপরদিকে Y এর প্রসারিত দুই বাহু উভয় ধরনের পলিপেপটাইড শিকল দ্বারা গঠিত হয় যাকে Fab অঞ্চল বলে। অ্যান্টিবডির Y যে অংশ দ্বারা অ্যান্টিজেনের সাথে যুক্ত হয় তাকে প্যারাটোপ বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের প্রবাহচিত্রে 'A' হলো মানবদেহের প্রথম প্রতিরক্ষা স্তর বা বাহ্যিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যাকে 'সব ধরনের প্রতিরক্ষা' পদ্ধতির ভিত্তি' বলা হয়। কারণ এটি কোনো নির্দিষ্ট জীবাণুর জন্য নয়, বরং সকল প্রকার বহিরাগত বস্তুর প্রবেশ রোধে অনির্দিষ্ট বা সার্বজনীন প্রতিরক্ষা হিসেবে কাজ করে।

প্রথম প্রতিরক্ষা স্তরটি মূলত দুটি প্রধান উপাদান নিয়ে গঠিত- যান্ত্রিক বাধা এবং রাসায়নিক বাধা। যান্ত্রিক বাধার মধ্যে রয়েছে ত্বক যা কেরাটিনযুক্ত স্তরবিশিষ্ট একটি অভেদ্য আবরণ হিসেবে সরাসরি জীবাণু, ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও ধূলিকণার প্রবেশে বাধা সৃষ্টি করে এবং শ্বাসনালি ও খাদ্যনালির মিউকাস ঝিল্লি যা আঠালো শ্লেষ্মা নিঃসরণ করে জীবাণু আটকে রাখে। এছাড়া নাকের লোম ও সিলিয়া বায়ুবাহিত কণা ছেঁকে ফেলে এবং কাশি ও হাঁচির মাধ্যমে জীবাণু বহিষ্কৃত হয়। রাসায়নিক বাধার মধ্যে রয়েছে অশ্রু, লালা ও দুগ্ধে উপস্থিত লাইসোজোম এনজাইম যা ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীর ধ্বংস করে, পাকস্থলির হাইড্রোক্লোরিক এসিড (pH ১.৫-৩.৫) যা খাদ্যের সাথে আসা অধিকাংশ জীবাণুকে নিষ্ক্রিয় করে, ত্বকের সিবেসিয়াস গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত সিবাম যা ত্বকের pH কম রাখে এবং জীবাণুর বৃদ্ধি প্রতিরোধ করে, এবং যোনিপথের অম্লীয় পরিবেশ যা ক্ষতিকর অণুজীবের বংশবৃদ্ধি রোধ করে।
এই প্রথম প্রতিরক্ষা স্তরটি দেহের প্রাথমিক সীমান্ত বা সীমান্ত রক্ষীর মতো কাজ করে এবং কোনো প্রকার বাছবিচার ছাড়াই যেকোনো ধরনের ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, পরজীবী বা ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থকে দেহে প্রবেশে বাধা প্রদান করে। এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এটি সর্বদা সক্রিয় থাকে এবং জীবাণু চিনতে বা মনে রাখতে হয় না, অর্থাৎ এটি অর্জিত নয় বরং সহজাত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশ। যদি প্রথম স্তর বা 'A' সফলভাবে কাজ করে তাহলে জীবাণু দেহের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারে না এবং দ্বিতীয় বা তৃতীয় স্তরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করার প্রয়োজন হয় না, ফলে দেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গসমূহ সংক্রমণমুক্ত থাকে। কিন্তু যদি এই স্তর ভেদ করে জীবাণু প্রবেশ করে, কেবল তখনই দ্বিতীয় প্রতিরক্ষান্তরে ফ্যাগোসাইটোসিস ও প্রদাহ প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় স্তরে লিম্ফোসাইট দ্বারা সুনির্দিষ্ট অ্যান্টিবডি উৎপাদন ব্যবস্থা সক্রিয় হয়।
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, প্রথম প্রতিরক্ষা স্তরটি দেহের একটি সার্বজনীন ও অবিচ্ছেদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা প্রতিদিন হাজারো জীবাণু ও ক্ষতিকর বস্তুর আক্রমণ থেকে দেহকে রক্ষা করে এবং সামগ্রিক রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক স্তম্ভ হিসেবে কাজ করে, তাই একে সব ধরনের প্রতিরক্ষা পদ্ধতির ভিত্তি বলা সম্পূর্ণ যুক্তিসংগত।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ ২০২৬ – সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”