4 kW ক্ষমতার একটি ইঞ্জিন 1000 kg পানি 18 m উঁচুতে 1 মিনিটে উঠাতে পারে। অপর একটি ইঞ্জিন 15 m উচ্চতায় 1200 kg পানি উক্ত সময়ে তুলতে পারে এবং ইঞ্জিনটি প্রতি সেকেন্ডে 4500 J কাজ করতে পারে।
বস্তুর কাজ করার সামর্থ্যকে শক্তি বলে।
গরমের দিনে সূর্যের তাপে রাস্তার উপরিভাগ প্রচণ্ড উত্তপ্ত হয়, ফলে নিচের স্তরের বায়ু হালকা ও কম ঘনত্ববিশিষ্ট হয়ে ওঠে। উপরিভাগে অপেক্ষাকৃত ঘন এবং নিচে হালকা বায়ুর স্তর তৈরি হয়। ওপর থেকে আগত আলোকরশ্মি যখন এই কম ঘনত্বের স্তরে প্রবেশ করে, তখন সংকট কোণের চেয়ে বড় কোণে আপতিত হলে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটে। এই প্রতিফলিত রশ্মি পর্যবেক্ষকের চোখে পৌঁছায় ফলে উত্তপ্ত রাস্তা দূর থেকে কালচে ভেজা দেখায়।
প্রথম ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে :
পানির ভর, m = 1000 kg
উচ্চতা,
অভিকর্ষজ ত্বরণ,
ইঞ্জিনটির লভ্য কার্যকর শক্তি,
অতএব, প্রথম ইঞ্জিনের প্রকৃত শক্তি 176400 J.
প্রথম ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে :
ইঞ্জিনটির মোট ক্ষমতা, P=4 kW=4000 W
সময়,
ইঞ্জিনটির লভ্য কার্যকর শক্তি, [‘গ’ হতে]
ইঞ্জিনটির লভ্য কার্যকর ক্ষমতা,
ইঞ্জিনটির কর্মদক্ষতা,
দ্বিতীয় ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে :
ইঞ্জিনটি প্রতি সেকেন্ডে 4500 J কাজ করতে পারে
ইঞ্জিনের মোট ক্ষমতা,
পানির ভর,
উচ্চতা,
সময়,
ইঞ্জিনটির লভ্য কার্যকর ক্ষমতা,
ইঞ্জিনের কর্মদক্ষতা,
উপরের গাণিতিক বিশ্লেষণ হতে দেখা যায়, সুতরাং ব্যবহারের দিক থেকে প্রথম ইঞ্জিনটি বেশি সুবিধাজনক।
