| ㅤ | A. Nayan10 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘A. B, C…’ দিনাজপুর সরকারি কলেজ ২০২৫ – মৌলের পর্যাবৃত্তিক ধর্ম ও রাসায়নিক বন্ধন, রসায়ন, রসায়ন ১ম পত্র (এইচএসসি)

A. B, C ও D মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা যথাক্রমে 1.7,9ও 17। এখানেA, B, C ও D মৌলের প্রচলিত প্রতীক নয়।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ৩
নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো অল্প দ্রবণীয় লবণের সম্পৃক্ত দ্রবণে তার উপাদান আয়নের মোলার ঘনমাত্রার গুণফলকে দ্রাব্যতা গুণফল বলে।
যেসব ধাতব মৌল বা d-ব্লক মৌলের যে কোনো সুস্থিত আয়নের d-অরবিটাল আংশিকভাবে (যেমন, ) ইলেকট্রন দ্বারা পূর্ণ থাকে, তাদেরকে অবস্থান্তর মৌল বলা হয়।
Cd এর সুস্থিত আয়নের ইলেকট্রন বিন্যাস
ইলেকট্রন বিন্যাস থেকে দেখা যাচ্ছে, সুস্থিত অবস্থায় আয়নের 3d অরবিটাল ইলেকট্রন দ্বারা পূর্ণ থাকে। কিন্তু অবস্থান্তর ধাতুর সংজ্ঞানুসারে d অরবিটাল আংশিকভাবে ( ) পূর্ণ থাকবে। এজন্য Cd কে অবস্থান্তর ধাতু বলা হয় না।
উদ্দীপকের B, C ও D মৌল তিনটি হলো যথাক্রমে নাইট্রোজেন (N), ফ্লোরিন (F) ও ক্লোরিন (CI)। কেননা N, F ও Cl এর পারমাণবিক সংখ্যা 7, 9 ও 17। অর্থাৎ ও যৌগ দুটি হলো ও । ও এর মধ্যে আর্দ্র-বিক্লেষিত হয় না কিন্তু আর্দ্র-বিশ্লেষিত হয়। নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-
ও Cl এর ইলেকট্রন বিন্যাস নিম্নরূপ-
দেখা যাচ্ছে যে, N, F ও CI এর মধ্যে CI এর সর্বশেষ শক্তিস্তরে ফাঁকা d অরবিটাল আছে। যার কারণে আর্দ্রবিশ্লেষিত হয়। কেননা এর CI পানির পরমাণুর মুক্তজোড় ইলেকট্রন গ্রহণ করে এবং আর্দ্রবিশ্লেষিত হয়। অপরদিকে, যৌগে N বা F কোনো পরমাণুতে ফাঁকা d-অরবিটাল না থাকায় পানির ০ পরমাণুর মুক্তজোড় ইলেকট্রন গ্রহণ করতে পারে না অর্থাৎ সন্নিবেশ বন্ধন তৈরি হয় না। ফলে পানিতে আর্দ্রবিশ্লেষিত হয় না।
উদ্দীপকের A, B ও C মৌল তিনটি হলো যথাক্রমে হাইড্রোজেন (H). নাইট্রোজেন (N) ও ফ্লোরিন (F)। কেননা H, N ও F এর পারমাণবিক সংখ্যা যথাক্রমে হবে না 1, 7ও 9। অর্থাৎ ও যৌগ দুটি হলো ও । ও এর বন্ধন কোণের মান একই হবে না। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- ও উভয় যৌগে সংকরণ বিদ্যমান। কিন্তু এর বন্ধন কোণ হলেও এর বন্ধন কোণ হয়। অর্থাৎ এর বন্ধন কোণ অপেক্ষা অণুর বন্ধন কোণ আরও কম হয়। কারণ :
ও উভয় অণুতেই একটি 'নিঃসঙ্গ ইলেকট্রন জোড় উপস্থিত। গঠন ত্রিকোণী পিরামিডিয়। কিন্তু অণু দুটির মধ্যে বন্ধন কোণের ভিন্নতা হয়। এক্ষেত্রে অণুর H ও অণুর F পরমাণুর তড়িৎ ঋণাত্মকতার ভিন্নতার উপর দুটি বন্ধন ইলেকট্রন জোড় (bp – bp) এর মধ্যকার বিকর্ষণ বলের মাত্রা ভিন্ন হয়। অণুর F পরমাণু অধিক তড়িৎ ঋণাত্মক হওয়ায় বন্ধন ইলেকট্রন জোড়কে নিজের দিকে বেশি করে আকর্ষণ করে। অণুর ক্ষেত্রে N - H বন্ধন ইলেকট্রন জোড়কে N F এর তুলনায় 'কম মাত্রায় আকর্ষণ করে। এ কারণে bp - bp বিকর্ষণ বলের মাত্রা অণুর চেয়ে অণুতে বেশি কার্যকর হয়। নিঃসঙ্গ ইলেকট্রন জোড় অণুর চেয়ে অণুর উপর বেশি মাত্রায় বিকর্ষণ বলের প্রভাব বিস্তার করে। অর্থাৎ অণুতে (lp - bp) বিকর্মণ: বলের প্রভাব অণুর তুলনায় অধিক মাত্রায় কার্যকর হয়। এর বন্ধন কোণের মান অপেক্ষা আরও কমে গিয়ে হয়।