| ㅤ | A. Nayan10 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘A ও B…’ ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ ২০২৬ – নিউটনীয় বলবিদ্যা, পদার্থবিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ৪
একক ভরের কোনো বস্তুকে অসীম দূরত্ব থেকে মহাকর্ষীয় ক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে আনতে যে পরিমাণ কাজ হয় তাই ঐ বিন্দুর মহাকর্ষীয় বিভব।
হ্যাঁ, কোনো স্থানের অভিকর্ষজ ত্বরণের () মান ঐ স্থানে খনিজ সম্পদ থাকার সম্ভাবনা নির্দেশ করে।
এর মূল কারণ হলো পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ ঘনত্বের তারতম্য:
- ভারী খনিজের উপস্থিতি: মাটির নিচে লোহা, তামা বা নিকেলের মতো ভারী খনিজ পদার্থের খনি থাকলে, সেখানকার স্থানীয় ঘনত্ব স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হয়। ফলে ঐ স্থানে পৃথিবীর আকর্ষণ বল বেড়ে যায় এবং -এর মান সামান্য বৃদ্ধি পায়।
- হালকা খনিজের উপস্থিতি: অন্যদিকে, মাটির নিচে খনিজ তেল, গ্যাস বা হালকা উপাদানের খনি থাকলে সেখানকার ঘনত্ব স্বাভাবিকের চেয়ে কম হয়। ফলে ঐ স্থানে -এর মান সামান্য কমে যায়।
তাই, সংবেদনশীল যন্ত্রের (যেমন: গ্রাভিমিটার) সাহায্যে -এর মানের এই সূক্ষ্ম পরিবর্তন বা তারতম্য পরিমাপ করে ভূ-তাত্ত্বিকরা মাটির নিচে থাকা খনিজ সম্পদের অবস্থান ও প্রকৃতি সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন।
উদ্দীপকের চিত্র অনুযায়ী, বিন্দুটি এবং গ্রহের সংযোজক সরলরেখার মধ্যবিন্দু। এখন এই বিন্দুতে উভয় গ্রহের জন্য সৃষ্ট লব্ধি মহাকর্ষীয় প্রাবল্য নির্ণয় করি।
দেওয়া আছে,
গ্রহের ভর,
গ্রহের ভর,
গ্রহ দুটির কেন্দ্রদ্বয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব,
মহাকর্ষীয় ধ্রুবক,
যেহেতু বিন্দুটি সংযোজক রেখার ঠিক মাঝখানে অবস্থিত, তাই উভয় গ্রহ হতে বিন্দুর দূরত্ব সমান হবে।
দূরত্ব,
আমরা জানি, মহাকর্ষীয় প্রাবল্য
- গ্রহের জন্য বিন্দুতে মহাকর্ষীয় প্রাবল্য () :
বা,
বা,
বা,
এই প্রাবল্যের দিক হবে গ্রহের কেন্দ্রের দিকে।
- গ্রহের জন্য বিন্দুতে মহাকর্ষীয় প্রাবল্য () :
বা ,
বা,
বা,
বা,
এই প্রাবল্যের দিক হবে গ্রহের কেন্দ্রের দিকে।
- লব্ধি প্রাবল্য () নির্ণয় :
যেহেতু এবং প্রাবল্যদ্বয় একই রেখা বরাবর কিন্তু পরস্পর বিপরীত দিকে ক্রিয়া করছে,
তাই বিন্দুতে লব্ধি প্রাবল্য হবে এদের বিয়োগফলের সমান।
এখানে, , তাই:
বা,
বা,
বিন্দুতে লব্ধি মহাকর্ষীয় প্রাবল্য এবং এর দিক হবে বৃহত্তর ভরের গ্রহ এর দিকে।
কোনো গ্রহপৃষ্ঠ থেকে একটি বস্তুকে মহাশূন্যে পাঠাতে হলে, বস্তুটিকে ওই গ্রহের মহাকর্ষীয় টান অতিক্রম করতে হবে। এর জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম গতিশক্তি হলো বস্তুটির মুক্তিবেগের সমান গতিশক্তি।
আমরা জানি, মুক্তিবেগ
অতএব, মহাশূন্যে পাঠাতে প্রয়োজনীয় গতিশক্তি,
উদ্দীপক হতে প্রাপ্ত তথ্য,
মহাকর্ষীয় ধ্রুবক,
নভোযানের ভর,
গ্রহের ভর,
গ্রহের ব্যাসার্ধ,
গ্রহের ভর,
গ্রহের ব্যাসার্ধ,
- গ্রহের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় গতিশক্তি () নির্ণয় :
বা, (মান বসিয়ে পাই)
বা,
বা,
- গ্রহের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় গতিশক্তি () নির্ণয় :
বা, (মান বসিয়ে পাই)
বা,
বা,
- প্রাপ্ত মানগুলো তুলনা করে পাই :
অর্থাৎ,
গাণিতিক বিশ্লেষণ থেকে স্পষ্টতই প্রতীয়মান হয় যে, গ্রহের মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র অত্যন্ত শক্তিশালী হওয়ায়, গ্রহপৃষ্ঠ হতে ভরের নভোযানকে মহাশূন্যে পাঠাতে গ্রহের তুলনায় বেশি গতিশক্তির প্রয়োজন হবে।