| ㅤ | A. Nayan12 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘A ও B…’ যশোর বোর্ড ২০২৫ – কোষ বিভাজন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)

A ও B দুই ধরনের কোষ বিভাজন। এদের মধ্যে A জীবের দেহকোষে ঘটলেও B জননমাতৃকোষে ঘটে।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ২
কোনো টিস্যুর মোট কোষ সংখ্যা এবং মাইটোসিসরত কোষ সংখ্যার অনুপাত হলো মাইটোটিক ইনডেক্স (MI)।
মিয়োসিস কোষ বিভাজনকে হ্রাসমূলক বিভাজন বা বিয়োজন বিভাজন বলা হয়। কারণ এ বিভাজনের দ্বারা সৃষ্ট অপত্য কোষে ক্রোমোসোম সংখ্যা মাতৃকোষের ক্রোমোসোম সংখ্যার অর্ধেক হয়। আর এ অর্ধেক হওয়ার পেছনে কারণ হচ্ছে মাতৃকোষের নিউক্লিয়াসের বিভাজন ঘটে দুবার কিন্তু ক্রোমোসোমের বিভাজন ঘটে একবার।
উদ্দীপকের B বিভাজনটি হলো মিয়োসিস কোষ বিভাজন। মিয়োসিস কোষ বিভাজনের প্রোফেজ-১ পর্যায়ের প্যাকাইটিন নামক উপ-পর্যায়ে ক্রসিং ওভার বা জিন বিনিময় ঘটে এবং এর ফলে জীবে জেনেটিক বৈচিত্র্য সৃষ্টি হয়। নিচে এ উপ-পর্যায়ের সচিত্র বর্ণনা দেওয়া হলো-
১. প্যাকাইটিন অপেক্ষাকৃত দীর্ঘস্থায়ী উপপর্যায়। ক্রমাগত সংকোচনের ফলে এ উপ-পর্যায়ে ক্রোমোসোমগুলো আরও মোটা ও খাটো হয়।
২. এ উপ-পর্যায়ে সর্বপ্রথম বাইভেলেন্টের প্রতিটি ক্রোমোসোমকে সেন্ট্রোমিয়ার ব্যতীত লম্বালম্বিভাবে বিভক্ত হয়ে দুটি করে ক্রোমাটিডে বিভক্ত হতে দেখা যায়, অর্থাৎ প্রতিটি বাইভেলেন্টে দুটি সেন্ট্রোমিয়ার এবং চারটি ক্রোমাটিড দেখা যায়। এ অবস্থাকে টেট্রাড বলে।
৩. একই ক্রোমোসোমের দুটি ক্রোমাটিডকে সিস্টার ক্রোমাটিড বলে। একই জোড়ার দুটি ভিন্ন ক্রোমোসোমের ক্রোমাটিড দুটিকে নন-সিস্টার ক্রোমাটিড বলে।
৪. এ উপ-পর্যায়ের শেষের দিকে বাইভেলেন্টের যেকোনো দুটি নন-সিস্টার ক্রোমাটিড সম্ভবত একই স্থানে ভেঙ্গে গিয়ে পুনরায় একটির সাথে অন্যটির জোড়া লাগে। ফলে ঐ জোড়ার স্থানে একটি ইংরেজি “X” আকৃতির অবস্থা সৃষ্টি হয়।
৫. দুটি নন-সিস্টার ক্রোমাটিডের “X” আকৃতির সংযোগস্থলকে এক বচনে কায়াজমা এবং বহুবচনে কায়াজমাটা বলে।
৬. নন-সিস্টার ক্রোমাটিডের মধ্যে পরস্পর অংশের বিনিময়কে ক্রসিং ওভার বা ক্রস ওভার বলে।
৭. নিউক্লিও পর্দা ও নিউক্লিওলাস তখনও অবিকৃত অবস্থায় থাকে।
উদ্দীপকের A হলো মাইটোসিস এবং B হলো মিয়োসিস কোষ বিভাজন পদ্ধতি। মাইটোসিস ও মিয়োসিস কোষ বিভাজন পদ্ধতি দুটির মধ্যে যথেষ্ট পার্থক্য বিদ্যমান। নিচে তা উপস্থাপন করা হলো-