| ㅤ | A. Nayan12 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘A + B…’ সোনার বাংলা কলেজ ২০২৪ – অণুজীব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)

A + B à জাইগোট (2n) à উওসিস্ট (2n) à C (স্পোরোজয়েট)
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ৪
ভেক্টর হলো একটি প্রাণী যা অন্য প্রাণীর উপর কোন রোগ বা সংক্রমণ ছড়ায় যেমন: ম্যালেরিয়ার জন্য, মশা একটি প্রধান ভেক্টর।
লাইসোজেনিক চক্রকে টেমপারেট দশা বলা হয়।
যে প্রক্রিয়ায় ফায ভাইরাস ব্যাকটেরিয়ার কোষে প্রবেশের পর ভাইরাল DNA-টি ব্যাকটেরিয়াল DNA অণুর সঙ্গে সংযুক্ত হয় এবং ব্যাকটেরিয়াল DNA-র সঙ্গে একত্রিত হয়ে রেপ্লিকেট করে কিন্তু পূর্ণাঙ্গ ভাইরাসরূপে ব্যাকটেরিয়া কোষের বিদারণ বা লাইসিস ঘটিয়ে মুক্ত হয় না তাকে লাইসোজেনিক চক্র বলে।
ল্যামডা ফায (১-ফায়), P₁ ফায়, M13 ফাষ ইত্যাদি ভাইরাস - ফায় Escherichia coli (E. coli) ব্যাকটেরিয়া কোষে লাইসোজেনিক চক্র সম্পন্ন করে।
উদ্দীপকের A ও B হলো যথাক্রমে মাইক্রোগ্যামিট (শুক্রাণু) ও ম্যক্রোগ্যামিট (ডিম্বাণু)।
মশকীর ত্রুপের অভ্যন্তরে গ্যামিট সৃষ্টির মাধ্যমে ম্যালেরিয়ার জীবাণুর যৌন জননকে গ্যামিটোগনি বলে। গ্যামিটোগনি কয়েকটি নির্দিষ্ট ধাপে ঘটে। যথা:
১। জননকোষ সৃষ্টি বা গ্যামিটোজেনেসিস (Gametogenesis) যা দু'প্রকার। যথা-
(ক) স্পার্মাটোজেনেসিস:
মাইক্রোগ্যামিটোসাইট থেকে মাইক্রোগ্যামিট বা শুক্রাণু বা পুংজনন কোষ গঠন প্রক্রিয়াকে স্পার্মাটোজেনেসিস বলে।
● প্রথমে মাইক্রোগ্যামিটোসাইটের হ্যাপ্লয়েড (n) নিউক্লিয়াসটি মাইটোসিস পদ্ধতিতে বিভক্ত হয়ে ৪ - ৮টি ক্ষুদ্রাকার হ্যাপ্লয়েড (n) নিউক্লিয়াসে পরিণত হয়। এ সময় জীবাণু কয়েকটি কোণা (৪-৮টা) বিশিষ্ট হয়। প্রতিটি কোণার মধ্যে একটি করে ক্ষুদ্র নিউক্লিয়াস প্রবেশ করে এবং নিউক্লিয়াসের চারদিকে সাইটোপ্লাজম জমা হয়। এদেরকে সাইটোপ্লাজমীয় অভিক্ষেপ বলে।
এর পরপরই জীবাণুর দেহটি কতগুলো ফ্ল্যাজেলা আকৃতির সরু মাকুর মতো মাইক্রোগ্যামিট বা শুক্রাণুতে পরিণত হয়। ক্রপের গহ্বরে তাপের তারতম্যের দরুন এই প্রক্রিয়া ঘটে।। ক্রপের গহ্বরে ম্যালেরিয়া জীবাবুর স্পার্মাটোজেনেসিসের এ বিশেষ প্রক্রিয়াকে এক্সফ্ল্যাজেলেশন (Exflagellation) বলে।মাইক্রোগ্যামিটগুলো প্রথমে একসাথে থাকে, পরে এরা মাতৃকোষ থেকে এক্সফ্ল্যাজেলেশন প্রক্রিয়ায় পরস্পর থেকে পৃথক হয়ে যায় এবং ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করার জন্য সাঁতার কাটতে থাকে।
(খ) উওজেনেসিস:
ম্যাক্রোগ্যামিটোসাইট থেকে ম্যাক্রোগ্যামিট বা ডিম্বাণু বা স্ত্রীজননকোষ গঠন প্রক্রিয়াকে উওজেনেসিস বলে। এ প্রক্রিয়া কয়েকটি উপধাপে ঘটে। যথা-
প্রথমে প্রতিটি ম্যাক্রোগ্যামিটোসাইট-এর হ্যাপ্লয়েড (n) নিউক্লিয়াসটি বিভক্ত হয় ও একটি করে সক্রিয় গোলাকার ম্যাক্রোগ্যামিটে বা ডিম্বাণুতে পরিণত হয়। এ ছাড়া পোলার বডি নামক আর একটি কোষের আবির্ভাব ঘটলেও শীঘ্রই তা নই হয়ে যায়।এর পরপরই ম্যাক্রোগ্যামিটের একপ্রান্ত কিছুটা উঁচু হয়ে ওঠে। এ অঞ্চলকে নিষেক শঙ্কু/কোণ (Fertilization cone) বা অভ্যর্থনা শত্রু (Reception cone) বলে। ডিম্বাণুর নিউক্লিয়াস এ শঙ্কুর কাছে অবস্থান করে।
C হলো স্পোরোজয়েট।রক্তপিপাসু মশকী কোনো মানুষের রক্ত পান করলে এই স্পোরোজয়েট লালারসের সাথে মানবদেহে স্থানান্তরিত হয় এবং ম্যালেরিয়া রোগ সৃষ্টি করে।
মানুষের যকৃত ও লোহিত রক্তকণিকায় ম্যালেরিয়ার পরজীবীর অযৌন জনন পদ্ধতিতে জীবন চক্র সম্পন্ন করে যাতে সাইজন্ট নামক বহু নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট একটি বিশেষ দশা বিদ্যমান থাকে। মানবদেহে সংঘটিত সাইজোগনিকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। হেপাটিক সাইজোগনি বা যকৃত সাইজেগেনি
● প্রি এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি
● এক্সো এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি
২। এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি বা লোহিত রক্তকণিকা সাইজোগনি
মানবদেহের কোষে C বা স্পোরোজয়েট এর জীবনচক্র দেয়া হল: