| ㅤ | A. Nayan12 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘A ব্যাঙাচি আকৃতির…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০১৯ – অণুজীব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)

A ব্যাঙাচি আকৃতির একটি অকোষীয় সত্তা। এর মস্তকের ভেতর প্যাচানো সূতার মত জৈব অণু বিদ্যমান। তবে আরেক ধরনের আদিকোষী অণুজীব B তে A সত্তাটির সংখ্যা বৃদ্ধি ঘটে।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ৪
নিউক্লিক এসিড ও একে ঘিরে অবস্থিত ক্যাপসিড সমন্বয়ে গঠিত এক একটি সংক্রমণ ক্ষমতাসম্পন্ন সম্পূর্ণ ভাইরাস কণাকে ভিরিয়ন বলে ।
ম্যালেরিয়া পরজীবী হেপাটিক সাইজোগোনি পর্যায়ে যকৃত কোষে প্রবেশের পর স্পোরোজয়েট খাদ্য গ্রহণ করে আকৃতিতে বড় হয় এবং গোলাকৃতি ধারণ করে। এই দশাকে ক্রিপ্টোজয়েট বলে। প্রতিটি ক্রিপ্টোজয়েটের নিউক্লিয়াস অতঃপর বারবার বিভাজিত হয়ে অসংখ্য নিউক্লিয়াসের সৃষ্টি করে। বহু নিউক্লিয়াস বিশিষ্ট এই দশাকে সাইজন্ট বলে।
উদ্দীপকের উল্লিখিত জৈব অণুটি হলো DNA।
ওয়াটসন ও ক্রিক DNA অনুর ভৌতগঠন সম্পর্কে যে মডেল প্রস্তাব করেন সেটিই বর্তমানে সর্বজনীন গ্রাহ্য।তারা এই মডেলের জন্য নোবেল পুরুস্কার লাভ করেন। নিম্নে এই মডেল অনুযায়ী DNA এর ভৈত গঠন আলোচনা করা হল-
১. DNA অনু দ্বিসূত্রক, বিন্যাস প্যাঁচানো সিঁড়ির মত যাকে ডাবল হেলিক্স বলা হয়।
২. সূত্র দুটি সমদূরত্বে পরস্পর বিপরীতমূখী অর্থৎ একটি সূত্র ৫’-৩’ এবং অপরটি ৩’-৫’ কার্বনমূখী।
৩. সূত্র দুটি তৈরি হয়েছে সুগার ও ফসফেটের পর্যায়ক্রমিক বিন্যাস দ্বারা।
৪. সূত্র দুটির মাঝখানের প্রতিটি ধাপ তৈরি হয়েছে একজোড়া নাইট্রোজেন বেস ক্ষারক দিয়ে।
৫. DNA অনুতে চার ধরনের নাইট্রোজেন ক্ষারক থাকে, যথা-অ্যাডিনিন (A), গুয়ানিন (G), থায়ামিন (T) ও সাইটোসিন (C)।
৬. একটি সূত্রের অ্যাডেনিন অপরসূত্রের থায়ামিনের সাথে হাইড্রোজেন বন্ধনী দ্বারা এবং এটি সূত্র গুয়ানিন অপর সূত্রের সাইটোসিনের সাথে তিনটি হাইড্রোজেন বন্ধনী দ্বারা যুক্ত থাকে।
৭. DNA অনুর প্রতিটি ঘূর্ননের দৈঘ্য 34 Åএবং হেলিক্স দুটির ব্যাস 20 Å।
৮. হেলিক্সের প্রতিটি ঘূর্ননে একটি গভীর খাঁজ ও একটি অগভীর খাঁজের সৃষ্টি হয়।
উদ্দীপকে বর্ণিত B অণুজীবটি হলো ব্যাকটেরিয়া।
ব্যাকটেরিয়া এক ধরনের ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক জীব।মানুষের দেহে যতগুলো কোষ আছে তার চেয়ে ১০ গুণ বেশি ব্যাকটেরিয়া আছে। ব্যাকটেরিয়া দ্বারা মানুষ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হলেও ব্যাকটেরিয়া কৃষিক্ষেত্রে,শিল্পক্ষেত্রে, চিকিৎসাক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে ব্যাকটেরিয়ার অবদান অনেক। মাটির জৈব পর্দাথ সঞ্চয়ে ব্যাকটেরিয়ার প্রত্যক্ষ ভূমিকা আছে। ব্যাকটেরিয়া মাটির উপাদান হিসেবেও কাজ করে। নানাবিধ আবর্জনা হতে পচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া জৈব সার ও জৈব গ্যাস প্রস্তুত করে। Azotobacter, Pseudomonas, Clostridium প্রভৃতি ব্যাকটেরিয়া সরাসরি বায়ু হতে নাইট্রোজেন গ্রহণ করে নাইট্রোজেন যৌগ পদার্থ হিসেবে মাটিতে স্থাপন করে, ফলে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি পায়। Rhizobium ব্যাকটেরিয়া সিম জাতীয় উদ্ভিদের মূলের নডিউলে নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে থাকে।
অন্যদিকে মাটির উর্বরতা হ্রাসেও ব্যাকটেরিয়া ভূমিকা রাখে। কিছু ব্যাকটেরিয়া যেমন— Bacillus denitrificans, Thiobacillus denitrificans ইত্যাদি ডি- নাইট্রিফিকেশন প্রক্রিয়ায় মাটিস্থ নাইট্রোজেনকে ভেঙে মুক্ত নাইট্রোজেনে পরিণত করে এবং মাটির উর্বরতা হ্রাস পায়। ফলে শস্যের উৎপাদন কমে যায়।
সুতরাং বলা যায়,মাটির উর্বরতা হ্রাস বৃদ্ধিতে ব্যাকটেরিয়ার গুরুত্ব অনেক।