A. Nayanㅤ
A. Nayan
18 Oct 2026 (1 week ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ a – জীবমণ্ডল, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই ভূগোল📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ ভূগোল🧩 অধ্যায় ৯ম অধ্যায় — জীবমণ্ডল🔢 সৃজনশীল নং ৯🏢 প্রতিষ্ঠান a⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৯

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

একই পরিবেশে বহু ধরনের উদ্ভিদ ও প্রাণীর স্বাভাবিক অবস্থানকে জীববৈচিত্র্য বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উৎপাদক থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ খাদক পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে জীবের সংখ্যা, শক্তি ও ওজন পর্যায়ক্রমে কমতে থাকে বলে একটি পিরামিড আকৃতির ছক তৈরি হয়। বাস্তুতন্ত্রের বিভিন্ন ট্রফিক (trophic) স্তরে খাদ্যশৃঙ্খলের বিন্যাস সংবলিত এ ধরনের ছককে খাদ্য পিরামিড বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশে সমুদ্র উপকূলের লবণাক্ত ও জোয়ার ভাটাপূর্ণ, শারীরবৃত্তীয় শুষ্ক (Physiologically dry) নিবাসের উদ্ভিজ্জকে স্রোতজ বনভূমি বলে। এ বনভূমি সুন্দরবন নামেও পরিচিত। উদ্দীপকের 'গ' এ বনভূমিকেই নির্দেশ করে।

এ অঞ্চলে প্রতিবছর বর্ষাকালে নতুন পলি পড়ে। ফলে কিছু এলাকার লবণাক্ততা হ্রাস পায় এবং স্থান বিশেষে লবণাক্ততা কমবেশি হয়।' এ কারণে বিভিন্ন প্রকার গাছের বৈচিত্র্য লক্ষ করা যায়। জৈব সারের পরিমাণ বেশি হওয়ায় এখানে বিভিন্ন ধরনের বৃক্ষ (সুন্দরি গেওয়া, গড়ান) জন্মে থাকে। প্রতিকূল পরিবেশে বেঁচে থাকার জন্য এখানকার গাছগুলোর কিছু অভিযোজনিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। প্রয়োজনীয় বৃষ্টিপাত, পরিমিত তাপমাত্রা, সমুদ্রের জোয়ারভাটা ও লবণাক্ত পানির প্রভাব স্রোতজ বনভূমি গড়ে ওঠার প্রধান কারণ। এ বনে বানর, হরিণ, গণ্ডার, নদীতে কুমির প্রভৃতি প্রাণী বাস করে। রয়েল বেঙ্গল টাইগার এ বনের প্রধান প্রাণী।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে ইউনিট ২ এর চক্রটি কার্বন চক্র।
সবুজ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় বায়ুমণ্ডল হতে মুক্ত CO₂ গ্রহণ করে এবং জটিল শর্করা তৈরি করে।

এসব সবুজ উদ্ভিদ খেয়ে বেঁচে থাকে শাক্যশী প্রাণী এবং এসব প্রাণী খেয়ে বেঁচে থাকে মাংসাশী প্রাণী। এভাবে উদ্ভিদ হতে প্রাণিদেহে শর্করা স্থানান্তরিত হয়। এসব শর্করা (C6H12O6) উদ্ভিদ ও প্রাণিদেহে শ্বসন প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণরূপে জারিত হয়ে CO₂ গ্যাস উৎপন্ন করে। আবার কিছু সংখ্যক অণুজীব (ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া) উদ্ভিদ ও প্রাণীর মৃতদেহকে পচন ঘটিয়ে পচনশীল জৈব শ্বসন প্রক্রিয়ায় CO₂ গ্যাস তৈরি করে। এভাবে উৎপন্ন CO₂ পুনরায় বায়ুমণ্ডলে ফিরে যায়। জলজ প্রাণী যেমন- শামুক, ঝিনুক ইত্যাদির খোলক কার্বনেট দিয়ে গঠিত। উক্ত প্রাণীদের মৃত্যুর পর নানা প্রকার রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে CO₂ গ্যাস উৎপন্ন হয় এবং পানিতে মিশে যায়। ফলে CO₂ জ্বালানিরূপে দহন ক্রিয়ায় CO₂ গ্যাসরূপে পুনরায় বায়ুমণ্ডলে ফিরে যায়।

সুতরাং বায়ুমূণ্ডল থেকে জীবদেহে, এবং জীবদেহ থেকে বায়ুমণ্ডলে কার্বন CO₂ গ্যাসরূপে চক্রাকারে আবর্তন ঘটে। এ আবর্তনই কার্বন চক্র। কার্বন ছাড়া কোনো জৈব পদার্থ তৈরি হতে পারে না। সুতরাং কার্বন ছাড়া জীবন সম্ভব নয়। তাই দেখা যাচ্ছে, উদ্ভিদ ও প্রাণী বেঁচে থাকার জন্য কার্বন চক্রের ওপর নির্ভরশীল।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ a – জীবমণ্ডল, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)”