| ㅤ | A. Nayan10 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘A=………(n−1)dxns1 যেখানে x≠0…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২৩ – মৌলের পর্যাবৃত্তিক ধর্ম ও রাসায়নিক বন্ধন, রসায়ন, রসায়ন ১ম পত্র (এইচএসসি)

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ৩
যে দ্রবণে সামান্য পরিমাণ এসিড বা ক্ষার যোগ করা হলে ও দ্রবণের pH এর কোনো তারতম্য হয় না তাকে বাফার দ্রবণ বলে।
ফাযানের নীতি অনুসারে আমরা জানি যেসব ক্যাটায়নের আকার ছোট এবং চার্জ সংখ্যা বেশি সেসব ক্যাটায়নের অধিক পোলারায়ন ঘটে। তখন আয়নিক যৌগসমূহে সমজোযী বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়। যেসব যৌগের সমজোযী বৈশিষ্ট্য যত বেশি সেসব যৌগের গলনাঙ্ক তত কম। এবং ক্যাটায়নসমূহের মধ্যে এর আকার ছোট এবং চার্জ বেশি। এজন্য এর সমযোজী বৈশিষ্ট্য বেশি হওয়ায় এর গলনাঙ্ক এর চেয়ে কম।
উদ্দীপকের A মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাসের ক্ষেত্রে d অরবিটালে ইলেকট্রন সংখ্যা 5 অথবা 10 হতে পারে তা ব্যাখ্যা করা হলোঃ
যেখানে
A এর ইলেকট্রন বিন্যাসে দেখা যায়, এর সর্বশেষ s এর অরবিটালে একটি মাত্র ইলেকট্রন আছে এবং এর আগের d অরবিটালে নির্দিষ্ট সংখ্যক ইলেকট্রন আছে যা x দ্বারা চিহ্নিত করা হয়েছে। আমরা জানি পূর্ণ এবং অর্ধপূর্ণ অরবিটালগুলো অধিক স্থিতিশীলতা অর্জন করে। তাই A মৌলটি অধিক স্থিতিশীলতা অর্জন করার জন্য d অরবিটালে পূর্ণ অবস্থায় 10 টি এবং অর্ধপূর্ণ অবস্থায় 5 টি ইলেকট্রন ধারন করবে। সুতরাং A মৌলের সম্ভাব্য ইলেকট্রন বিন্যাস
অথবা,
ডায়াচুম্বক মৌলসমূহের উপস্তরগুলো ইলেকট্রন দ্বারা পূর্ণ থাকায় এগুলো রঙিন যৌগ গঠন করে না। এক্ষেত্রে ACl এর রঙিন যৌগ হবে না তা নিচে ব্যাখ্যা করা হলঃ
যেসব মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাসে d অরবিটালে কোনো বিজোড় ইলেকট্রন থাকে না তাদেরকে ডায়াচৌম্বক পদার্থ বলে। A+আয়নটি ডায়াচৌম্বক হলে A+আয়নের সম্ভাব্য ইলেকট্রন বিন্যাস নিম্নরূপঃ
আয়নের d অরবিটালটি ইলেকট্রন দ্বারা পূর্ণ থাকায় যৌগ গঠনের সময় লিগ্যান্ডের ইলেকট্রনের সাথে d উপস্তরের ইলেকট্রনের কোনরূপ বিকর্ষণ হয় না ফলে শক্তির উর্ধ্বমুখী ও নিম্নমুখী পার্থক্য তৈরি হয় না। যার ফলে ACl যৌগটি রঙিন হয় না।।