A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘A- পেট ফাঁপা,…’ সিলেট বোর্ড ২০২৩ – খাদ্য, পুষ্টি এবং পরিপাক, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
🏫 বোর্ড: সিলেট বোর্ড📅 সাল: ২০২৩⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

A- পেট ফাঁপা, পেটের উপরের দিকে ব্যথা, বুক জ্বালা, বমিবমি ভাব
B- পেটে অস্বস্তিকর অবস্থা, পেট ব্যথা ও নানা রকম আনুষঙ্গিক অসুবিধা।

উত্তর:

শস্যদানা, ফলমূল এবং সবজির অপাচ্য তনুযুক্ত অংশই হলো খাদ্য আঁশ।

উত্তর:

মাছ সংরক্ষণে অনেক সময় ফরমালিন অননুমোদিতভাবে ব্যবহার করা হয়। ফরমালিন ব্যবহারে মাছে পচন সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া জন্ম নিতে পারে না। ফলে মাছ টাটকা দেখা যায়। কিন্তু এই ফরমালিন মাছের কোষের সাথে যৌগ তৈরি করে। মাছ ধোয়া হলেও এ যৌগটি মাছের দেহে থেকে যায় এবং রান্নার পর মানবদেহে প্রবেশ করে। এ ফরমালিন দেওয়া মাছ খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করলে দেহে বিভিন্ন জটিল রোগের উপসর্গসহ ক্যান্সারজাতীয় রোগের সৃষ্টি হতে পারে। তাই ফরমালিন দেওয়া মাছ খাওয়া উচিত নয়।

উত্তর:

উদ্দীপকে A তে যে সমস্যাগুলো উল্লেখ করা হয়েছে তা হলো পেট ফাঁপা, পেটের উপরের দিকে ব্যথা, বুক জ্বালা, বমি বমি ভাব ইত্যাদি। এগুলো অজীর্ণতার লক্ষণ। অজীর্ণতাকে আমরা বদহজমও বলে থাকি। নানা কারণে বদহজম হয় বা হজমে ব্যাঘাত ঘটে। যেমন: পাকস্থলীতে সংক্রমণ, বিষণ্ণতা, অগ্ন্যাশয় রোগ, থাইরয়েডের সমস্যা ইত্যাদি। পাকস্থলী বা অন্ত্রের আলসারের কারণেও হজমে অসুবিধা দেখা দিতে পারে। একে সাধারণ মানুষ গ্যাস্ট্রিক বলে থাকে, যদিও সঠিক নামটি হলো পেপটিক আলসার। অজীর্ণতা প্রতিকার বা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য যা করতে হবে তা হলো-
- অতি ভোজন না করা,
- খাবার আস্তে আস্তে ভালোভাবে চিবিয়ে খাওয়া,
- ধূমপান পরিহার করা,
- নিয়মিত প্রচুর পরিমাণে (অন্তত ২ লিটার) পানি পান করা,
- খাবারে অতিরিক্ত তেল, মশলার ব্যবহার না করা,
- অতিরিক্ত মানসিক চাপ এড়িয়ে চলা,
- অতিরিক্ত রাত জেগে থাকার অভ্যাস পরিত্যাগ করা এবং যতটা সম্ভব সঠিক সময়ে খাবার খাওয়া,
- প্রয়োজনে অজীর্ণতার কারণ বের করে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ খাওয়া।

উত্তর:

উদ্দীপকে B-এর সমস্যাগুলো হচ্ছে কোষ্ঠকাঠিন্য রোগের উপসর্গ।
যখন কারো শক্ত পায়খানা হয় অথবা দুই বা তারও বেশিদিন পায়খানা হয় না। এ অবস্থাকে বলা হয় কোষ্ঠকাঠিন্য। পায়খানার বেগ চেপে রাখলে, বৃহদন্ত্রে অপাচ্য খাদ্যাংশ থেকে অতিমাত্রায় পানি শোষিত হলে, পোষ্টিক নালির মধ্য দিয়ে খাদ্যের অপাচ্য অংশ ধীরে ধীরে গমনে মল থেকে বেশি পানি শোষিত হলে, কোলনের মাংসপেশি স্বাভাবিকের তুলনায় ধীরে ধীরে সংকুচিত হলে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। কিছু কিছু কাজের ফলে আমাদের কোষ্ঠকাঠিন্য হওয়ার সম্ভাবনা বাড়তে পারে যেমন পরিশ্রম না করলে রাফেজ বা আঁশজাতীয় খাবার না খেলে ইত্যাদি। কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণে মল ত্যাগ কষ্টদায়ক হয়। এটি কোন বিশেষ ধরনের রোগ নয়। সাধারণত আঁশযুক্ত খাবার, শাকসবজি ও প্রচুর পরিমাণে পানি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব।
তাই উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, বিশেষজ্ঞদের মতে উদ্দীপকে B-এর সমস্যাগুলো কোনো বিশেষ রোগের কারণ নয়। এ বাক্যের যথার্থতা রয়েছে।

10 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘A- পেট ফাঁপা,…’ সিলেট বোর্ড ২০২৩ – খাদ্য, পুষ্টি এবং পরিপাক, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”