A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘A- শৈবাল →…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৪ – জীবের পরিবেশ, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: বিজ্ঞান📚 বই: জীববিজ্ঞান📖 ১২তম অধ্যায়🔢 সৃজনশীল নং:🏫 বোর্ড: চট্টগ্রাম বোর্ড📅 সাল: ২০২৪⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

A- শৈবাল → ছোট মাছ → বড় মাছ → মানুষ
B- পোকামাকড় → পাখি → শিয়াল → বাঘ

উত্তর:

পৃথিবীতে বিরাজমান জীবসমূহের প্রাচুর্য ও ভিন্নতাকে জীববৈচিত্র্য বলে।

উত্তর:

যেসব প্রাণী সরাসরি উদ্ভিদ থেকে খাদ্য গ্রহণ করে তাদেরকে বলা হয় তৃণভোজী প্রাণী বা হার্বিভোরাস। এদের অপর নাম প্রথম শ্রেণির খাদক। যেমন- হরিণ। অন্যদিকে, যেসব প্রাণী গৌণ খাদকদের খেয়ে বাঁচে তাদেরকে বলা হয় মাংসাশী প্রাণী বা কার্নিভোরাস। এদেরকে বলা যায় তৃতীয় শ্রেণির বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ খাদক। যেমন- বাঘ এই শ্রেণির খাদক। তাই হরিণকে তৃণভোজী প্রাণী বা হার্বিভোরাস বলা হলেও বাঘকে মাংসাশী প্রাণী বা কার্নিভোরাস বলা হয়।

উত্তর:

উদ্দীপকে উল্লেখিত A চিহ্নিত খাদ্যশৃঙ্খলের প্রথমে আছে শৈবাল ও শেষে আছে মানুষ এবং মাঝখানে আছে ছোট মাছ ও বড় মাছ। নিচে উক্ত খাদ্যশৃঙ্খলের পুষ্টিপ্রবাহ ব্যাখ্যা করা হলো-

যেকোনো বাস্তুতন্ত্রে শক্তির তথা পুষ্টির মূল উৎস সূর্য। পৃথিবীতে সূর্য থেকে যতটুকু আলোকশক্তি আসে তার শতকরা ১ থেকে ২ ভাগ কাজে লাগিয়ে সবুজ উদ্ভিদ শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে। A চিহ্নিত খাদ্যশৃঙ্খলে শৈবাল এ কাজ করে থাকে। অর্থাৎ সর্বপ্রথমে শৈবালে শক্তি স্থিতিশীল হয়। শৈবাল খেয়ে বেঁচে থাকে ছোট মাছ। এভাবে শৈবাল থেকে শক্তি ছোট মাছে পৌঁছায়। এরপর ছোট মাছকে খায় বড় মাছ, আবার বড় মাছ খায় মানুষ। অর্থাৎ শেষ পর্যায়ে বড় মাছকে খায় মানুষ। ফলে শক্তি মানুষে সঞ্চারিত হয়। এসব উদ্ভিদ এবং প্রাণীদের মৃত্যুর পর বিয়োজকগুলো এদের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করে অজৈব বস্তুতে রূপান্তরিত করে পরিবেশে ফিরিয়ে দেয়। সবুজ উদ্ভিদ এসব অজৈব বস্তু গ্রহণ করে এবং পুনরায় খাদ্য প্রস্তুতে ব্যবহার করে থাকে। এভাবেই খাদ্যশৃঙ্খলে পুষ্টিপ্রবাহ চলমান থাকে।

উত্তর:

উদ্দীপকের 'B' চিহ্নিত খাদ্য শৃঙ্খলটি হলো- পোকামাকড়→ পাখি→ শিয়াল→ বাঘ

উল্লিখিত খাদ্য শৃঙ্খলের জীবগুলোর মধ্যে পোকামাকড়ের অনুপস্থিতি বাস্তুতন্ত্রের ধারাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। কারণ পোকামাকড় হলো প্রথম শ্রেণির খাদক। এদেরকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে পাখি। তাই পোকামাকড়ের অনুপস্থিতি ঘটলে পাখি খাদ্য পাবে না। অর্থাৎ পাখি প্রজাতি বিলুপ্তির সম্মুখীন হবে। আবার পাখিকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে শিয়াল। তাই পাখির বিলুপ্তি ঘটলে শিয়াল খাদ্যের অভাবে মারা যাবে। আবার শিয়ালকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে বাঘ। শিয়াল মারা গেলে বাঘ প্রয়োজনীয় খাদ্য পাবে না। অর্থাৎ বাঘও খাদ্যের অভাবে মারা যাবে। এ কারণে বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য নষ্ট হবে। এভাবেই বাস্তুতন্ত্রের শক্তি প্রবাহ এবং পুষ্টি প্রবাহেও জটিলতা দেখা দিবে, যা বাস্তুতন্ত্রের জন্য হুমকিস্বরূপ।

10 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘A- শৈবাল →…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৪ – জীবের পরিবেশ, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”