A. Nayanㅤ
A. Nayan
19 Oct 2026 (1 week ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘আব্দুল আলিম গ্রামে…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৩ – ইসলামি শিক্ষা ও সংস্কৃতি, ইসলাম শিক্ষা, ইসলাম শিক্ষা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই ইসলাম শিক্ষা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ ইসলাম শিক্ষা🧩 অধ্যায় ১ম অধ্যায় — ইসলামি শিক্ষা ও সংস্কৃতি🔢 সৃজনশীল নং ২৩🏫 বোর্ড ঢাকা বোর্ড📅 সাল ২০২৩⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

আব্দুল আলিম গ্রামে বাস করেন। তাঁর ছেলে প্রতিদিন সকালবেলা ছেলেমেয়েদের সাথে একটি প্রতিষ্ঠানে পড়তে যায়। সেখানে কুরআন তিলাওয়াত, বিভিন্ন দোয়া ও মাসয়ালা শিক্ষা দেওয়া হয়। অপরদিকে, হায়দার আলী শহরে বাস করেন। তাঁর ছেলে জিসান সকালবেলা গাড়িতে করে স্কুলে যায়। সেখানে গুড মর্নিং, গুড ইভিনিং, ড্যাড ইত্যাদি শেখানো হয়।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

'মক্তব বা মাকতাব' আরবি শব্দ। যার অর্থ লেখার স্থান, শিক্ষাকেন্দ্র, বিদ্যালয় ইত্যাদি।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

মিথ্যা মানুষের একটি মৌলিক অসৎ গুণ। কথিত আছে, মিথ্যা সকল পাপের জননী। যেকোনো অন্যায়, অপরাধ ও পাপ সংঘটিত হওয়ার পিছনে অবশ্যম্ভাবী শক্তি হিসেবে কাজ করে মিথ্যা। মিথ্যা মানুষকে অন্যায় ও গর্হিত কাজ করতে প্রবলভাবে উৎসাহিত করে। একটি মিথ্যা বললে সেই মিথ্যাকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য আরও মিথ্যা বলতে হয়। মিথ্যা বলার মানসিকতা ব্যক্তিকে নতুন নতুন পাপে নিমজ্জিত করে। তাই বলা হয়, "মিথ্যা সকল পাপের মূল।"

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

আব্দুল আলিমের ছেলে যে ধরনের প্রতিষ্ঠানে পড়তে যায় তাকে মক্তব বলা হয়।

মক্তব বা মাকতাব শব্দটি আরবি। এর অর্থ লেখার স্থান, শিক্ষাকেন্দ্র, বিদ্যালয় ইত্যাদি। সাধারণভাবে মুসলিম বালক-বালিকাদের প্রাথমিক শিক্ষায়তনকে বলা হয় মক্তব। তবে মক্তব বলতে আমরা কুরআন শিক্ষার স্থানকে বুঝে থাকি। যেখানে ইসলামের প্রাথমিক মৌলিক ও অতীব প্রয়োজনীয় শিক্ষা দেওয়া হয়। ইসলামের মূল গ্রন্থ কুরআন ও হাদিসের প্রাথমিক পাঠদান করা হয় এ মক্তবে। এ মক্তবে ইবাদত- বন্দেগি, ওযু, গোসল, সালাত, সাওম ইত্যাদি পালনের শিক্ষা দেওয়া হয়। এখানেই ব্যবহারিক জীবনের আদব-কায়দা, শিষ্টাচার, সভ্যতা, ভদ্রতা, নম্রতা নৈতিকতা, বড়দের শ্রদ্ধা, ছোটদের স্নেহ করার শিক্ষা দেওয়া হয়। মক্তবে হালাল, হারাম, পাক-পবিত্রতা ইত্যাদি প্রয়োজনীয় বিষয়াদি শিশুদের খুব সহজভাবে শিক্ষা দেওয়া হয়। শিশুরা শৈশবে বাবা-মায়ের কাছ থেকে কিছু শিক্ষালাভের পর মস্তবে যায়। সেখানে তারা আদর্শ শিক্ষকদের কাছে আদর্শিক ও দ্বীনভিত্তিক শিক্ষালাভ করে। উদ্দীপকে আব্দুল আলিমের ছেলে প্রতিদিন যে প্রতিষ্ঠানে পড়তে যায় সেখানে কুরআন তিলাওয়াত, বিভিন্ন দোয়া ও মাসয়ালা শিক্ষা দেওয়া হয়। উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি, এ ধরনের প্রতিষ্ঠানকে মক্তব বলা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

জিসানের শিক্ষাব্যবস্থা ইসলামি সংস্কৃতির পরিপন্থি।

ইসলাম অনুমোদিত ও শরিয়ত নির্দেশিত জীবনপদ্ধতিই হচ্ছে ইসলামি সংস্কৃতি। ইসলামি সংস্কৃতিতে ইসলামি মূল্যাবোধসমূহ সক্রিয় থাকবে।

ইসলামি সংস্কৃতির বৈশিষ্ট্য হলো এক মুসলিম অন্য মুসলিমের সাথে সাক্ষাৎ হলে সালাম আদান-প্রদান করবে। বিপরীতে কারও সাথে সাক্ষাতে গুড মর্নিং, গুড ইভিনিং, ড্যাড ইত্যাদি ইসলামি সংস্কৃতির পরিপন্থি। এ ধরনের আচার-আচরণ, কৃষ্টি-সংস্কৃতি কোনো মুসলিম সমাজে দেখা গেলে সাথে সাথে ইসলামি মনীষিগণ সেটিকে প্রত্যাখ্যান করতে বলেছেন। সেগুলোকে 'বিদআত', 'কুসংস্কার' বা বিজাতীয় সংস্কৃতি বলে আখ্যায়িত করেছেন। এ ব্যাপারে মহানবি (সা.) বিশেষভাবে সতর্ক করে বলেন, "কেউ অপর জাতির অনুকরণ করলে, সে উক্ত জাতির মধ্যে গণ্য হবে।" (মুসনাদে আহমাদ)

মুসলিমদের অস্তিত্ব ও স্বাতন্ত্র্য রক্ষার জন্য মহানবি (সা.) অন্যদের অনুসরণ করতে নিষেধ করেন। কেননা বিজাতীয় সংস্কৃতি অনুসরণের ফলে ইসলামি সংস্কৃতির অস্তিত্ব ও স্বাতন্ত্র্য বিলুপ্ত হতে পারে। তাছাড়া পরকালীন সাফল্য অর্জনে বাধা এই বিজাতীয় সংস্কৃতি।

পরিশেষে বলা যায়, জিসানের ইসলামি সংস্কৃতির পরিপন্থি বিজাতীয় সংস্কৃতি শিক্ষার ফলে ইসলামি সংস্কৃতির অস্তিত্ব ও স্বাতন্ত্র্য বিলুপ্ত হতে পারে। সমাজে বিজাতীয় সংস্কৃতির প্রসার ঘটতে পারে। যার ফলে সমাজে অরাজক অবস্থা তৈরি হবে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘আব্দুল আলিম গ্রামে…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৩ – ইসলামি শিক্ষা ও সংস্কৃতি, ইসলাম শিক্ষা, ইসলাম শিক্ষা ১ম পত্র (এইচএসসি)”