| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘আবিদ হৃদরোগে আক্রান্ত…’ যশোর বোর্ড ২০২৩ – রক্ত ও সংবহন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)

আবিদ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন। ডাক্তার পরীক্ষা করে তাকে বললেন, তার হৃৎপিন্ডের বিশেষ পেশিগুচ্ছের ছন্দহীনতার কারণে কার্ডিয়াক চক্রে সমস্যা হয়েছে। এ জন্য ডাক্তার তাকে বিশেষ যন্ত্র বসানোর পরামর্শ দিলেন।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ৪
যে প্রক্রিয়ায় রক্তের উপাদান হিসেবে ভাসমান রক্তকণিকা সৃষ্টি হয় সেই প্রক্রিয়াকে হিমাটোপোয়েসিস বলা হয়।
আনজাইনার লক্ষণ নিচে উল্লেখ করা হলো-
১. স্টার্নামের পিছনে বুকে ব্যথা হওয়া ।
২. ব্যায়াম বা অন্য শারীরিক কাজে, মানসিক চাপে, শৈত্য বা আতংকে বুকে ব্যথা হতে পারে। ব্যথা ৫-৩০ মিনিট স্থায়ী থাকে।
৩. আ্যানজাইনা গলা, কীধ, চোয়াল, বাহ, পিঠ ও দাতেও ব্যথা ছড়িয়ে পরে।
৪. বুকে জ্বালাপোড়া, নিষ্পেষণ বা আড়ষ্টভাব সৃষ্টি হয়।
আনজাইনার লক্ষণ নিচে উল্লেখ করা হলো-
১. স্টার্নামের পিছনে বুকে ব্যথা হওয়া ।
২. ব্যায়াম বা অন্য শারীরিক কাজে, মানসিক চাপে, শৈত্য বা আতংকে বুকে ব্যথা হতে পারে। ব্যথা ৫-৩০ মিনিট স্থায়ী থাকে।
৩. আ্যানজাইনা গলা, কীধ, চোয়াল, বাহ, পিঠ ও দাতেও ব্যথা ছড়িয়ে পরে।
৪. বুকে জ্বালাপোড়া, নিষ্পেষণ বা আড়ষ্টভাব সৃষ্টি হয়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত বিশেষ যন্ত্রটি হলো কৃত্রিম পেসমেকার । ডাক্তার আবিদকে কৃত্রিম পেসমেকার বসানোর পরামর্শ দিলেন। নিচে ডাক্তারের পরামর্শের যৌক্তিকতা সম্পর্কে মতামত প্রদান করা হলো- হৃৎপিণ্ডের ডান অলিন্দে বিদ্যমান Sino Atrial Node বা SAN নামক বিশেষ ধরনের কলা থেকে বৈদ্যুতিক সংকেত বা ইলেকট্রিক্যাল সিগন্যাল সৃষ্টি হয়ে সমগ্র হৃৎপিণ্ডে ছড়িয়ে পড়ে । এতে হৃৎচক্র সম্পন্ন হয়। Sino Atrial Node বা SAN কে পেসমেকার নামে আখ্যায়িত করা হয়। হৃৎপিণ্ডের অলিন্দে বিদ্যমান এ পেসমেকার বিরামহীনভাবে বৈদ্যুতিক সংকেত সৃষ্টি করে হৃৎপিন্ডকে সচল রাখে। কোনো কারণে এ পেসমেকার কাজ না করলে ত্রুটিমুক্ত বৈদ্যুতিক সংকেত সৃষ্টি হয় এবং হার্টবিটের ছন্দোপতন ঘটে ৷ একে আ্যারিদমিয়াস বলে ৷ এসময় হার্ট বিট খুব দ্রুত গতিতে বা খুব মন্থর গতিতে সংঘটিত হয়৷ ফলে হৃৎপিণ্ড পর্যাপ্ত রক্ত দেহে সরবরাহ করতে পারে না। এরকম ঘটনায় আমরা ক্লান্তি ও শ্বাসকষ্ট অনুভব করি। তীব্র আ্যারিদমিয়াস দেহের অত্যাবশ্যক অঙ্গের কলা ধ্বংস করে এবং অনেক সময় মানুষ অজ্ঞান হয়ে যায়। এমনকি মৃত্যুবরণ করে। অকার্যকর বা দুর্বল হৃৎপিন্ডে বিদ্যুৎ তরঙ্গ সৃষ্টি করে স্বাভাবিক স্পন্দন হার ফিরিয়ে আনার ও নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে বুকে বা উদরে চামড়ার নিচে স্থাপিত ছোট এক বিশেষ যন্ত্র পেসমেকার ব্যবহার করা যায়। ৩ ধরনের যান্তিক পেসমেকার ব্যবহার করা যায়-
১. একপ্রকোষ্ঠ পেসমেকার: এ ধরনের পেসমেকারে একটি তার বা লিড থাকে যা জেনারেটার থেকে হৃৎপিণ্ডের শুধু ডান আট্রিয়াম (অলিন্দ) বা ডান ভেন্ট্রিকল (নিলয়)-এ বিদ্যুৎ তরঙ্গ বহন করে।
২. দ্বি-প্রকোষ্ঠ পেসমেকার : এ ধরনের পেসমেকারে দুইটি-তার (লিড) থাকে যা জেনারেটর থেকে হৃর্বপণ্ডের দুইটি প্রকোষ্ঠে অর্থাৎ ডান আট্রিয়াম ও ডান ভেন্ট্রিকলে বিদ্যুৎ তরঙ্গ বহন করে ।
৩. ত্রি-প্রকোষ্ঠ পেসমেকার: এ ধরনের পেসমেকারে তিনটি তার (লিড) থাকে যার একটি জেনারেটর থেকে ডান আট্রিয়ামে, আরেকটি ডান ভেন্ট্রিকলে এবং অন্যটি বাম ভেন্ট্রিকলে বিদ্যুৎ তরঙ্গ বহন করে। এটি অত্যন্ত দুর্বল হৃদপেশির হৃৎপিণ্ডে স্থাপন করা হয় না হলে হার্ট ফেইলিউরের আশঙ্কা থাকে। পেসমেকার এক্ষেত্রে ভেন্ট্রিকল দুইটিকে সংকোচন ক্ষমতার উন্নতি ঘটিয়ে রপ্রবাহে উন্নতি ঘটায়।