A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘আধুনিক বিজ্ঞানে রোগ…’ রংপুর ক্যাডেট কলেজ ২০২৬ – জীবপ্রযুক্তি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ১১তম অধ্যায় — জীবপ্রযুক্তি🔢 সৃজনশীল নং ৭২🏢 প্রতিষ্ঠান রংপুর ক্যাডেট কলেজ📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

আধুনিক বিজ্ঞানে রোগ প্রতিরোধী ফসলের জাত উদ্ভাবনের মাধ্যমে কৃষিতে এক বিপ্লব ঘটেছে। Bt-বেগুন, Bt-cotton, Bt-ভুট্টা এ প্রযুক্তির উদাহরণ। বর্তমানে এ প্রযুক্তি চিকিৎসা বিজ্ঞান ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনায়ও ব্যবহৃত হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১১

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

মাইটোসিস কোষ বিভাজনের মেটাফেজ পর্যায়ে স্পিন্ডল যন্ত্রের বিষুবীয় অঞ্চলে ক্রোমোজোমের বিন্যস্ত হওয়াকে মেটাকাইনেসিস বা Metakinesis বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

অ্যান্থার কালচার হলো এক ধরনের টিস্যু কালচার পদ্ধতি যেখানে উদ্ভিদের অপরিণত পরাগধানী বা অ্যান্থার (Anther) ব্যবহার করে কৃত্রিম পুষ্টি মাধ্যমে কালচার করে হ্যাপ্লয়েড (n) উদ্ভিদ সৃষ্টি করা হয়। কৃষিক্ষেত্রে এটির প্রয়োজনীয়তা নিম্নরূপ:
হ্যাপ্লয়েড (n) উদ্ভিদে কোলচিসিন (Colchicine) প্রয়োগ করে দ্রুত ডিপ্লয়েড (2n) বা হোমোজাইগাস বিশুদ্ধ সারি (Pure line) তৈরি করা যায়, যা উদ্ভিদ প্রজননের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
রোগমুক্ত চারা উৎপাদন করা যায়।
অল্পসময়ে দ্রুত চারা উৎপাদন করা যায়।
রোগপ্রতিরোধী ও উচ্চফলনশীল জাত তৈরিতে এটি ব্যবহৃত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত আধুনিক প্রযুক্তিটি হচ্ছে রিকম্বিন্যান্ট DNA প্রযুক্তি বা Recombinant DNA Technology। নিচে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে রোগ প্রতিরোধী জাতের উৎপাদন প্রক্রিয়া বর্ণনা করা হলো:

১. কাঙ্ক্ষিত DNA নির্বাচন ও পৃথকীকরণ: রিকম্বিন্যান্ট DNA তৈরির প্রথম পদক্ষেপ হলো কাঙ্ক্ষিত জিন বা DNA নির্বাচন। নির্বাচনের পর কাঙ্ক্ষিত কোষকে লাইটিক এনজাইম (Lytic enzyme)-এর সাহায্যে গলিয়ে সেন্ট্রিফিউজ করে কাঙ্ক্ষিত DNA অণুকে পৃথক করা হয়।

২. বাহক বা ভেক্টর (Vector) নির্বাচন: কাঙ্ক্ষিত DNA বহনের জন্য একটি বাহক নির্বাচন করতে হয়। সাধারণত Agrobacterium-এর প্লাজমিড (Plasmid) DNA-কে বাহক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

৩. DNA কর্তন: সুনির্দিষ্ট রেস্ট্রিকশন এনজাইম (Restriction enzyme) প্রয়োগ করে কাঙ্ক্ষিত DNA এবং বাহক DNA-এর নির্দিষ্ট অংশ কেটে নেওয়া হয়।

৪. কাঙ্ক্ষিত DNA খণ্ডকে বাহক DNA-তে স্থাপন: কর্তিত প্লাজমিড DNA-এর ফাঁকা স্থানে কাঙ্ক্ষিত DNA খণ্ড স্থাপন করা হয়। এরপর লাইগেজ (Ligase) এনজাইম ব্যবহার করে এদের সংযুক্ত করা হয়, যার ফলে রিকম্বিন্যান্ট DNA তৈরি হয়।

৫. পোষক কোষে রিকম্বিন্যান্ট DNA প্রবেশ: রিকম্বিন্যান্ট DNA অণুকে উপযুক্ত পোষক ব্যাকটেরিয়ায় প্রবেশ করানো হয় (যেমন: ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ পরিবেশে Heat shock বা Electroporation পদ্ধতির মাধ্যমে)। রিকম্বিন্যান্ট প্লাজমিড গ্রহণকারী ব্যাকটেরিয়াকে ট্রান্সফরম্যান্ট (Transformant) ব্যাকটেরিয়া বলে এবং এর সংখ্যাবৃদ্ধিকে ক্লোনিং (Cloning) বলা হয়।

৬. উদ্ভিদ কোষে স্থানান্তর ও চারা উৎপাদন: কাঙ্ক্ষিত জিন সমৃদ্ধ রিকম্বিন্যান্ট DNA-কে টিস্যু কালচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে Agrobacterium tumefaciens-এর সাহায্যে কাঙ্ক্ষিত উদ্ভিদ কোষে প্রবেশ করানো হয়। এর ফলে কাঙ্ক্ষিত জিনসহ নতুন বৈশিষ্ট্যের ট্রান্সজেনিক (Transgenic) উদ্ভিদ সৃষ্টি হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের শেষ বক্তব্যটিতে বলা হয়েছে, এই প্রযুক্তি (রিকম্বিন্যান্ট DNA প্রযুক্তি) চিকিৎসা বিজ্ঞান ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ যথার্থ। নিচে এর যথার্থতা বিশ্লেষণ করা হলো:

চিকিৎসা ক্ষেত্রে:

  • হরমোন উৎপাদন: জীবনরক্ষাকারী হরমোন যেমন- ইনসুলিন (Insulin) এবং ভাইরাস প্রতিরোধী ইন্টারফেরন (Interferon) উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে।

  • ভ্যাকসিন তৈরি: বিভিন্ন সংক্রামক রোগের প্রতিষেধক বা ভ্যাকসিন (Vaccine) উৎপাদনে এ প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে।

  • বংশগতীয় রোগ নিরাময়: জিন থেরাপির (Gene therapy) মাধ্যমে বংশগতীয় রোগ (যেমন: হিমোফিলিয়া, থ্যালাসেমিয়া ইত্যাদি) নিরাময়ের চেষ্টা চলছে।

  • রোগ শনাক্তকরণ: বিভিন্ন জটিল রোগ নিখুঁতভাবে শনাক্তকরণে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

পরিবেশ ব্যবস্থাপনায়:

  • বর্জ্য দূষণমুক্তকরণ: জিনগতভাবে পরিবর্তিত অণুজীব ব্যবহার করে কলকারখানা ও খনি থেকে নির্গত বর্জ্য দূষণমুক্ত করা হচ্ছে।

  • তেল অপসারণ: সমুদ্রে নিঃসৃত তেলকে ভেঙে সরল উপাদানে পরিণত করে পরিবেশ রক্ষায় এই প্রযুক্তির ব্যাকটেরিয়া (যেমন: Pseudomonas) ব্যবহার করা হচ্ছে।

  • বায়োফার্টিলাইজার: রাসায়নিক সারের বিকল্প হিসেবে বায়োফার্টিলাইজার (Biofertilizer) তৈরিতে এর ব্যাপক ব্যবহার হচ্ছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘আধুনিক বিজ্ঞানে রোগ…’ রংপুর ক্যাডেট কলেজ ২০২৬ – জীবপ্রযুক্তি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”