| ㅤ | A. Nayan12 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘…’ আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ২০২৪ – কোষ ও এর গঠন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ১
যে প্রক্রিয়ায় introne তথা নন-কোডিং অঞ্চল অংশ কেটে বাদ দেওয়া হয় তাকে স্প্লাইসিং বলে।
সেন্ট্রোসোম ও সেন্ট্রোমিয়ারের পার্থক্য নিচে দেয়া হল :
|
সেন্ট্রোসোম |
সেন্ট্রোমিয়ার |
|
i.সেন্ট্রোজোমের বাইরে সমসত্ব সাইটোপ্লাজমীয় ধাত্র বা সেন্ট্রোস্ফিয়ার- সেন্ট্রিওলকে বেষ্টন করে একটি ঘন ও নিরেট আবরণ থাকে একেই সেন্ট্রোস্ফিয়ার বলে।
ii. কেবলমাত্র প্রাণী কোষেই সেন্ট্রোজোম থাকে।
iii.কোষ বিভাজনের সময় সেন্ট্রোস্ফিয়ার থেকে অ্যাস্ট্রার রে নির্গত করে। |
i.ক্রোমাজোমের মুখ্য খাঁজের যে-ঘন অরঞ্জিত অংশটি ক্রোমােজোমের ক্রোমাটিড দুটিকে বা তার বাহু দুটিকে যুক্ত রাখে, তাকে সেন্ট্রোমিয়ার বলে।
ii.উদ্ভিদ ও প্রাণী উভয় প্রকার কোষেই সেন্ট্রোমিয়ার থাকে।
iii.অ্যাস্টার রে নির্গত করে না। |
চিত্র - A এ প্রদর্শিত সুতার মতো প্যাঁচানো অংশটি হলো DNA বা ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড।এর ভৌত গঠন নিচে দেয়া হল:
(১) DNA অণু দ্বিসূত্রক বিন্যাস ডান থেকে বাম দিকে প্যাঁচানো সিঁড়ির মতো, যাকে বলা হয় double helix।
(২) সূত্র দুটি সমদূরত্বে পরস্পর বিপরীতমুখী (একটি 5- 3' কার্বনমুখী এবং অপরটি 3' 5' কার্বনমুখী) হয়ে অবস্থান করে।
(৩) সূত্র দুটি তৈরি হয় ডিঅক্সিরাইবোজ ব্যগার (S) ও ফসফেটের (P) পর্যায়ক্রমিক সংযুক্তির মাধ্যমে।
(৪) সূত্র দুটির মাঝখানের প্রতিটি ধাপ তৈরি হয় একজোড়া নাইট্রোজেন বেস (A-1 বা (GC) দিয়ে।
(৫) ফসফেট যুক্ত থাকে ডিঅক্সিরাইবোজ ত্যগারের ও ও5 কার্বনের (৩য় ও ৫ম কার্বনের) সাথে এবং ক্ষারকগুলো যুক্ত থাকে ডিঅক্সিরাইবোজ ত্যগারের। কার্বনের (১ম কার্বনের) সাথে। কাজেই সূত্রকের বাইরের দিকে ফসফেট এবং ভেতরের দিকে নাইট্রোজেন ক্ষারক থাকে।
(৬) DNA অণুতে চার ধরনের নাইট্রোজেন ক্ষারক (অ্যাভিনিন, গুয়ানিন, থাইমিন এবং সাইটোসিন) থাকে। অ্যাডিনিন (A) এর সম্পূরক ক্ষারক থাইমিন (1) এবং গুয়ানিন (G) এর সম্পূরক ক্ষারক সাইটোসিন (C)।
(৭) একটি সূত্রের অ্যাভিনিন অপর সূত্রের থাইমিনের সাথে দুটি হাইড্রোজেন বন্ধনী দিয়ে (A::T/T::A) এবং একটি সূত্রের গুয়ানিন অপর সূত্রের সাইটোসিনের সাথে তিনটি হাইড্রোজেন বন্ধনী (G:::C/C:::G) দিয়ে যুক্ত হয়। কাজেই সিঁড়ির ধাপ হবে A::T অথবা G:::C। বন্ড তৈরি হয় পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ক্ষারকের এর মধ্যে।
DNA অণুর সূত্র দুটির প্রতিটি প্যাচ বা ঘূর্ণনের দৈর্ঘ্য 34 A (34 nm)। প্রতিটি প্যাচে নাইট্রোজিনাস বেস জোড়ের ১০টি ধাপ সমদূরত্বে অবস্থান করে। ফলে সিড়ির এক ধাপ থেকে অপর ধাপের দূরত্ব হয় 3.4A (0.34
(৯) প্রতিটি প্যাচে হেলিক্স দুটির ব্যাস 20A (2 nm) তবে DNA অণুর দৈর্ঘ্য প্রজাতিভেদে বিভিন্ন।
(১০) হেলিক্সের প্রতিটি সম্পূর্ণ প্যাঁচ বা ঘূর্ণনে শৃঙ্খলের বাইরের দিকে একটি গভীর খাঁজ (major groove) ও একটি অগভীর খাঁজ (minor groove) সৃষ্টি হয়।
(১১ ) প্রতিটি ঘূর্ণনে মনোনিউক্লিওটাইডের সংখা
10 জোড়া বা ২০টি।
(১৫) প্রতিটি প্যাঁচে হাইড্রোজেন বন্ড সংখ্যা 25 টি।
(১৩) DNA-এর আণবিক ওজন 10°-10° এর মধ্যে।
উদ্দীপকের A থেকে B তৈরির প্রক্রিয়া হলো ট্রান্সক্রিপশন প্রক্রিয়া:
ট্রান্সক্রিপশন হলো DNA নির্দেশিত RNA সংশ্লেষণ। একটু বাড়িয়ে বলনে বলা যায়, "RNA পলিমারেজ এনজাইম এর DNA বেস সিকোয়েন্স কপি করে mRNA সংশ্লেষণ প্রক্রিয়া হলো ট্রান্সক্রিপশন।" সহজ কথায় DNA থেকে mRNA তেরি প্রক্রিয়া হলো ট্রান্সক্রিপশন। ট্রান্সক্রিপশনের মাধ্যমে DNA কোড, RNA কোড হিসেবে রাসায়নিকভাবে পুনঃলিখিত DNA হলো ডাবল স্ট্র্যান্ড কিন্তু RNA হলো একক স্ট্র্যান্ডবিশিষ্ট। তাই ট্রান্সক্রিপশন হবে ডাবল স্ট্যান্ডের পরিবর্তে একক স্ট্যান্ডে। যে স্ট্র্যান্ডকে ছাঁচ (template) হিসেবে ব্যবহার করে ট্রান্সক্রাইব করা হবে সেই স্ট্র্যান্ডকে বলা হয় template srand, entisense strand বা non-coding strand। অপর স্ট্র্যান্ডটিকে (যে স্ট্র্যান্ড থেকে ট্রান্সক্রাইব হবে না) বলা হয় হাশিমেন্টারি স্ট্যান্ড, sense strand বা coding strand, কারণ DNA অণুর এই স্ট্র্যান্ডের বেস সিকোয়েন্স আর নতুনভাবে সই RNA অণুর বেস সিকোয়েন্স হবে হুবহু একই রকম, কেবল এর স্থলে । হবে। ট্রান্সক্রিপশনের মাধ্যমে জিন-এর যে অংশটুকু mRNA অণুতে রূপান্তরিত হবে। ঐ অংশটুকুই হলো ট্রান্সক্রিপশন ইউনিট।
(i) DNA ছাঁচ (template)
(ii) RNA-পলিমারেজ এনজাইম যা তিন প্রকার হতে পারে।
(iii) যুক্ত রাইবোনিউক্লিয়োটাইড ট্রাইফসফেট (ATP, GTP, CTP এবং UTP).
(iv) রাসায়নিক শক্তি, ট্রাইফসফেট ভেঙ্গে নিউক্লিয়োটাইড এবং পাইরোফসফেট সৃষ্টিকালে মুক্ত হয়। পাইরোফসফেট
ভেঙ্গে দুই আয়ন ফসফেট তৈরি কালেও কিছু অতিরিক্ত শক্তি পাওয়া যায়।
(v) কিছু সহযোগী প্রোটিন।
ট্রান্সক্রিপশন প্রক্রিয়া :
● DNA অণুতে গ্রথিত রাসায়নিক তথ্যগুলোকে RNA (mRNA) অণুতে কপি করার প্রক্রিয়াকে বলা হয় ট্রান্সক্রিপশন।
● এক্ষেত্রে ATP, GTP, CTP ও UTP উপকরণগুলো ব্যবহৃত হয়।
● এ প্রক্রিয়াটি কোষের নিউক্লিয়াসের মধ্যে সংঘটিত হয়ে থাকে।
● ট্রান্সক্রিপশন প্রক্রিয়াটি রাইবোসোমের সাথে সম্পর্কিত নয়।
● এ প্রক্রিয়ায় RNA পলিমারেজ এনজাইম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
প্রোমোটারে সংযুক্ত হওয়ার পর RNA পলিমারেজ প্রথমে DNA এর পাক খুলে নেয়।