| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘…’ আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ২০২৪ – রক্ত ও সংবহন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ৪
ক্ষুদ্রান্ত্রে প্রায় পাচিত অর্ধ তরল খাদ্যকে কাইল বলে।
দেহের কোথাও ক্ষত সৃষ্টির ফলে কোনো রক্তবাহিকার এন্ডোথেলিয়াম ক্ষতিগ্রস্থ হলে রক্তপাত আন্ধের উদ্দেশ্যে ও সংক্রমণ প্রতিরোধে যে জটিল জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় ফাইব্রিন জালক সৃষ্টির মাধ্যমে ক্ষতস্থানে রক্তকে থকথকে পিন্ডে পরিণত করে সে প্রক্রিয়াকে রক্ত তঞ্চন বলে।
দেহের কোথাও ক্ষত সৃষ্টির ফলে কোনো রক্তবাহিকার এন্ডোথেলিয়াম ক্ষতিগ্রস্থ হলে রক্তপাত আন্ধের উদ্দেশ্যে ও সংক্রমণ প্রতিরোধে যে জটিল জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় ফাইব্রিন জালক সৃষ্টির মাধ্যমে ক্ষতস্থানে রক্তকে থকথকে পিন্ডে পরিণত করে সে প্রক্রিয়াকে রক্ত তঞ্চন বলে।
উদ্দীপকে দ্বারা মানুষের দ্বিচক্রীয় সংবহনকে সুস্পষ্টভাবে নির্দেশ করা হয়েছে। যে রক্ত সংবহন প্রক্রিয়ায় রক্ত হৃৎপিণ্ডের ভেতর দিয়ে দুবার প্রবাহিত হয়ে একটি সম্পূর্ণ চক্র সম্পন্ন করে, তাকে দ্বিচক্রীয় বা বলে। মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্র প্রধানত দুটি পৃথক চক্রে সর্বদা বিভক্ত থাকে।
প্রথম চক্রটি হলো সিস্টেমিক বা দৈহিক সংবহন। এই বৃহৎ প্রক্রিয়ায় অক্সিজেনযুক্ত বিশুদ্ধ রক্ত বাম নিলয় থেকে মহাধমনীর মাধ্যমে সারা দেহে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর কোষীয় স্তরে গ্যাসীয় বিনিময়ের পর কার্বন ডাইঅক্সাইডযুক্ত দূষিত রক্ত মহাশিরার মাধ্যমে হৃৎপিণ্ডের ডান অলিন্দে দ্রুত ফিরে আসে।
দ্বিতীয় চক্রটি হলো পালমোনারি বা ফুসফুসীয় সংবহন। হৃৎপিণ্ডের ডান নিলয় থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইডযুক্ত রক্ত পালমোনারি ধমনীর মাধ্যমে ফুসফুসে প্রবেশ করে। সেখানে রক্ত অক্সিজেন সমৃদ্ধ হয় এবং পালমোনারি শিরার মাধ্যমে পুনরায় হৃৎপিণ্ডের বাম অলিন্দে ফিরে আসে। এটি অপেক্ষাকৃত ছোট একটি রক্ত সংবহন পথ হিসেবে পরিচিত থাকে।
দ্বিচক্রীয় সংবহনের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো অক্সিজেনযুক্ত ও কার্বন ডাইঅক্সাইডযুক্ত রক্ত কখনোই একত্রে মিশে যায় না। এর ফলে মানবদেহে অক্সিজেনের সরবরাহ সর্বোচ্চ মাত্রায় কার্যকর থাকে। মানুষের মতো উন্নত প্রাণীদের উচ্চ বিপাকীয় হার ঠিক রাখতে এই ব্যবস্থা অত্যন্ত অপরিহার্য একটি বিষয়।