A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ২০২৫ – পরিপাক ও শোষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৩য় অধ্যায় — পরিপাক ও শোষণ🔢 সৃজনশীল নং ৭৩🏢 প্রতিষ্ঠান আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৩

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

লালাগ্রন্থির সেরাম কোষ নিঃসৃত স্যালিভারি অ্যামাইলেজই হলো টায়ালিন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

যে চক্রাকার প্রক্রিয়ায় যকৃতকোষে অবস্থিত অ্যামোনিয়াকে ইউরিয়াতে পরিণত করা হয় তাকে অরনিথিন চক্র বলে। পাঁচটি ধারাবাহিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে চক্রটি সম্পন্ন হয়। প্রথম দুটি বিক্রিয়া যকৃত কোষের মাইটোকন্ড্রিয়ার মাতৃকায় এবং অন্যগুলো যকৃত কোষের সাইটোপ্লাজমে সংঘটিত হয়। এ চক্রের প্রতি আবর্তে এক অণু ইউরিয়া সৃষ্টির পাশাপাশি এক অণু অরনিথিন উৎপন্ন হয় যা পুনরায় চক্রের সূচনা ঘটায়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের "X" অঙ্গটি হলো পাকস্থলি। নিম্নে পাকস্থলিতে যান্ত্রিক ও রাসায়নিক পরিপাক ব্যাখ্যা করা হলো-
যান্ত্রিক পরিপাক: মুখ থেকে চর্বিত খাদ্য অন্ননালি পথে পাকস্থলিতে এসে ২-৬ ঘণ্টা কাল অবস্থান করে। এ সময় HCI ক্ষরিত হয়ে খাদ্যবাহিত অধিকাংশ ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে দেয়। মসৃণ পেশির ৩টি স্তর নিয়ে পাকস্থলি গঠিত। পেশিস্তর বিভিন্ন দিকমুখি হওয়ায় পাকস্থলি প্রাচীর নানাদিকে সঞ্চালিত হয়ে মুখগহ্বর থেকে আসা অর্ধচূর্ণ খাদ্য পিষে পেস্ট এ পরিণত করে। এ সময় গ্যাস্ট্রিক জুস ক্ষরিত হয়ে পাকস্থলির যান্ত্রিক চাপে পিষ্ট খাদ্যের সঙ্গে মিশে ঘন স্যুপের মতো মিশ্রণে পরিণত হয়। খাদ্যের এ অবস্থা কাইম বা মন্ড নামে পরিচিত।
রাসায়নিক পরিপাক : পাকস্থলির প্রাচীর পেশিবহুল এবং গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি সমৃদ্ধ। গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি এক ধরনের নলাকার গ্রন্থি এবং চার ধরনের কোষে গঠিত। প্রত্যেক ধরনের কোষের ক্ষরণ আলাদা। সম্মিলিতভাবে গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থির ক্ষরণকে "গ্যাস্ট্রিক জুস” বলে। এর ৯৯.৪৫% ই পানি। গ্যাস্ট্রিন নামক হরমোন এ জুস ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে।
নিম্নলিখিত তিনটি উপায়ে পাকস্থলিতে রাসায়নিক পরিপাক সংঘটিত হয়-

শর্করা পরিপাক: পাকস্থলি থেকে শর্করাবিশ্লেষী কোনো এনজাইম নিঃসৃত হয় না। ফলে শর্করা জাতীয় খাদ্যের কোনো পরিবর্তন ঘটে না।

আমিষ পরিপাক: গ্যাস্ট্রিক জুসে পেপসিনোজেন নামক নিষ্ক্রিয় প্রোটিওলাইটিক (আমিষ বিশ্লেষী) এনজাইম থাকে। নিষ্ক্রিয় এনজাইমটি গ্যাস্ট্রিক জুসের HCI-এর সাথে বিক্রিয়া করে যথাক্রমে পেপসিন নামক সক্রিয় এনজাইমে পরিণত হয়। পেপসিন অম্লীয় মাধ্যমে জটিল আমিষের আর্দ্র বিশ্লেষণ ঘটিয়ে প্রোটিওজ ও পেপটোন-এ পরিণত করে। এছাড়া পাচক রসের জিলেটিনেজ নামক এনজাইম জিলেটিন নামক আমিষকে আংশিক পরিপাক করে পেপটোন ও পলিপেপটাইড উৎপন্ন করে।

স্নেহ পরিপাক: পাকস্থলির প্রাচীর থেকে গ্যাস্ট্রিক লাইপেজ নামক এনজাইম নিঃসৃত হয়। এটি প্রশমিত স্নেহদ্রব্যকে ফ্যাটি অ্যাসিড ও গ্লিসারল-এ পরিণত করে।

অর্ধপাচিত এ খাদ্য ধীরে ধীরে ক্ষুদ্রান্ত্রে প্রবেশ করে। পাকস্থলির পাইলোরিক প্রান্তে অবস্থিত স্ফিংক্টার পাকস্থলি থেকে ডিওডেনামে খাদ্যের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত 'Y' অঙ্গটি হলো যকৃৎ। নিচে যকৃতের বিপাকীয় ও সঞ্চয়ী ভূমিকা বিশ্লেষণ করা হলো-

যকৃতের বিপাকীয় ভূমিকা :
১. শর্করা বিপাক : যকৃৎ গ্লাইকোজেনেসিস প্রক্রিয়ায় গ্লাইকোজেন এবং ইনসুলিন নিঃসরণের মাধ্যমে শর্করা বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে।
২. প্রোটিন বিপাক : যকৃৎ ডিঅ্যামিনেশন এবং প্লাজমা প্রোটিন উৎপাদনের মাধ্যমে প্রোটিন বিপাকে অংশগ্রহণ করে।
৩. ফ্যাট বিপাক : যকৃৎ অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেটকে ফ্যাটে রূপান্তর করে এবং রক্ত থেকে ক্লোলেস্টেরল সরিয়ে ফ্যাট বিপাকে অংশগ্রহণ করে।
৪. তাপ উৎপাদন : যকৃতের অভ্যন্তরে নানা ধরনের বিক্রিয়া সংঘটিত হওয়ায় এখানে প্রচুর তাপ উৎপাদিত হয়। এই তাপ দেহের সমগ্র সঞ্চালিত হয়ে তাপমাত্রার স্থিতিশীলতা বজায় রাখে।
৫. টক্সিন বা বিষ অপসারণ : যকৃৎ কোষের অভ্যন্তরে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় এই বিষ প্রশমিত করে।

যকৃতের সঞ্চয়ী ভূমিকা :

১. গ্লাইকোজেন সঞ্চয়: গ্লুকোজ যকৃতে গ্লাইকোজেন হিসেবে সঞ্চিত থাকে।
২. রক্তসঞ্চয় : যকৃৎ রক্তের ভাণ্ডার হিসাবে কাজ করে। ১৫০০ সি. সি. রক্ত এতে জমা থাকে। প্রয়োজনে রক্তের অভাব পূরণ করে।
৩. ভিটামিন সঞ্চয়: যকৃৎ স্নেহে দ্রবণীয় ভিটামিনসমূহ (A, D, E, K), পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন (B ও C), নিকোটিনিক অ্যাসিড (B12) এবং ফলিক অ্যাসিড সঞ্চয় করে।
৪. চর্বি ও অ্যামিনো অ্যাসিড সঞ্চয়: শর্করাকে চর্বিতে পরিণত করে এবং অ্যামিনো অ্যাসিড ও চর্বি সঞ্চয় করে যকৃত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৫. খনিজদ্রব্য সঞ্চয়: সুস্থ দেহের জন্য প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ; যেমন- কপার, জিংক, কোবাল্ট, মলিবডেনাম প্রভৃতিসহ আয়রন ও পটাশিয়াম যকৃতে সঞ্চিত থাকে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ২০২৫ – পরিপাক ও শোষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”