A. Nayanㅤ
A. Nayan
18 Oct 2026 (1 week ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘…’ আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ২০২৬ – পরিবহন ও যোগাযোগ, ভূগোল, ভূগোল ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই ভূগোল📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ ভূগোল🧩 অধ্যায় ৭ম অধ্যায় — পরিবহন ও যোগাযোগ🔢 সৃজনশীল নং ২৯🏢 প্রতিষ্ঠান আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৭

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

স্থল বন্দর হলো এমন একটি নির্দিষ্ট এলাকা বা সীমান্ত স্টেশন, যা স্থলপথে বা সড়কপথে প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে পণ্য আমদানি ও রপ্তানির সুবিধার্থে এবং শুল্ক আদায়ের জন্য সরকার কর্তৃক নির্ধারিত থাকে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

জাতীয় জনপথ বলতে দেশের এক প্রান্তের সাথে অন্য প্রান্তের গুরুত্বপূর্ণ শহর, রাজধানী, প্রধান বন্দর, শিল্পাঞ্চল এবং প্রশাসনিক কেন্দ্রগুলোকে সংযোগকারী প্রধান সড়কপথকে বোঝায়। জাতীয় জনপথগুলো সাধারণত প্রশস্ত এবং উন্নত মানের হয়ে থাকে যাতে দ্রুতগামী যানবাহন সহজে চলাচল করতে পারে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের 'C' যোগাযোগ মাধ্যমটি হলো রেলপথ, কারণ এটি নির্দিষ্ট লাইনের ওপর দিয়ে চলে। পাহাড়ি এলাকায় রেলপথ গড়ে তোলা অত্যন্ত কঠিন হওয়ার কারণসমূহ নিচে দেওয়া হলো:
রেললাইন স্থাপনের জন্য সমতল ভূমির প্রয়োজন হয়। কিন্তু পাহাড়ি এলাকা বন্ধুর ও অসমতল হওয়ায় সেখানে রেললাইন বসানো কারিগরিভাবে অত্যন্ত জটিল। পাহাড় কেটে বা সুড়ঙ্গ তৈরি করে এবং অসংখ্য ব্রিজ বা কালভার্ট নির্মাণ করে রেললাইন তৈরি করতে হয়, যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল।
পাহাড়ি এলাকায় বর্ষাকালে প্রায়ই ভূমিধস হয়। এতে রেললাইন ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার এবং ট্রেন দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেশি থাকে। ট্রেনের চাকা ও রেললাইনের ঘর্ষণের কারণে এটি খাড়া ঢাল বেয়ে উপরে উঠতে পারে না, যা পাহাড়ি এলাকায় একটি বড় বাঁধা।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের আলোকে এবং বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে আমি 'A' মাধ্যমে অর্থাৎ নৌপথকে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করি। আমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি নিম্নরূপ:

নৌপথ হলো সবচেয়ে সাশ্রয়ী যোগাযোগ ব্যবস্থা। ভারী ও অধিক পরিমাণ পণ্য পরিবহনে নৌপথে খরচ সড়ক বা আকাশপথের তুলনায় অনেক কম। শিল্প-কারখানার ভারী যন্ত্রপাতি, কাঁচামাল এবং জ্বালানি তেলের মতো বিশাল চালানগুলো কেবলমাত্র নৌপথেই সহজে ও নিরাপদে পরিবহন করা সম্ভব। 

বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর বৈদেশিক বাণিজ্যের সিংহভাগই সমুদ্রপথের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। চট্টগ্রাম ও মোংলা সমুদ্র বন্দর এর উজ্জ্বল উদাহরণ। নৌযানগুলো একসাথে বিপুল পরিমাণ পণ্য বহন করতে পারে বলে প্রতি একক পণ্যে জ্বালানি খরচ এবং কার্বন নিঃসরণ অন্যান্য মাধ্যমের চেয়ে কম হয়।

যদিও দ্রুত যোগাযোগে আকাশপথ এবং অভ্যন্তরীণ বণ্টনে রেলপথ 'C' বা সড়কপথের ভূমিকা আছে, কিন্তু বৃহৎ পরিসরে এবং অর্থনৈতিক লাভের বিচারে বাণিজ্যের জন্য নৌপথই সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ মাধ্যম।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘…’ আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ২০২৬ – পরিবহন ও যোগাযোগ, ভূগোল, ভূগোল ২য় পত্র (এইচএসসি)”