A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘আলিফ আজকের পত্রিকায়…’ ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ ২০২৬ – অণুজীব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৪র্থ অধ্যায় — অণুজীব🔢 সৃজনশীল নং ৭৫🏢 প্রতিষ্ঠান ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চট্টগ্রাম📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

আলিফ আজকের পত্রিকায় দুই ধরনের জ্বর সম্পর্কে একটি নিবন্ধলক্ষ করেছে। এ ধরনের জ্বর ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরে প্রকোপ আকার ধারণ করেছে। আক্রান্ত রোগী সারা শরীরে বিশেষ করে মেরুদণ্ড ও কোমরে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন এবং রোগীর প্লাটিলেট কমে যায়। অন্যদিকে পার্বত্য অঞ্চলে অন্য এক ধরনের জ্বর নির্দিষ্ট অন্তর কাঁপুনিদিয়ে আসে এবং রক্তশূণ্যতা সৃষ্টি করে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৪

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ধানের ব্লাইট রোগের জন্য দায়ী প্যাথোজেনটির বৈজ্ঞানিক নাম- Xanthomonas oryzae.

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

কোনো পোষক দেহে কোনো রোগের জীবাণু প্রবেশের সময় থেকে সেই পোষকের দেহে উক্ত রোগের লক্ষণ প্রকাশ হওয়া পর্যন্ত সময়কে সুপ্তাবস্থা বা সুপ্তিকাল বলে। যেমন: ম্যালেরিয়া পরজীবী মানবদেহে প্রবেশ করার সাথে সাথে মানবদেহে জ্বরের লক্ষণ প্রকাশিত হয় না। Pasmodium vivax এর সুপ্তাবস্থার সময় হলো: ১২ – ২০ দিন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের ২য় জ্বরটি ম্যালেরিয়া জীবাণু দ্বারা সংঘটিত হয়। নিচে ম্যালেরিয়া জীবাণুর জীবনচক্রে জনুক্রম ব্যাখ্যা করা হলো-

কোনো জীবের জীবন চক্রে হ্যাপ্লয়েড ও ডিপ্লয়েড দশার পর্যায়ক্রমিক আবর্তনকে জনুক্রম বলে। ম্যালেরিয়ার জীবন চক্রে জনুক্রম ঘটে। 

হ্যাপ্লয়েড (n) দশা -

স্পোরোজয়েট দশা (n): মশকীর দেহে স্পোরোগনির ফলে সৃষ্টি হয় স্পোরোজয়েট দশা। এই স্পোরোজয়েটবাহী মশকী মানুষকে দংশন করার সময় লালা নিঃসরণ করে। এ লালার সাথে জীবাণু মানুষের দেহে প্রবেশ করে। 

মাইক্রো-মেটাক্রিপ্টোমেরোজয়েট (n): স্পোরোজয়েট মানুষের যকৃতকে আক্রমণ করে সেখানে হেপাটিক সাইজোগনি চক্র সম্পন্ন করে। হেপাটিক সাইজোগনির ফলে সৃষ্টি হয় মাইক্রো-মেটাক্রিপ্টোমেরোজয়েট। মাইক্রো-মেটাক্রিপ্টোমেরোজয়েট মানুষের লোহিত রক্ত কণিকাকে আক্রমণ করে এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি চক্র সম্পন্ন করে। এর ফলে সৃষ্টি হয় মাইক্রোগ্যামিটোসাইট ও ম্যাক্রোগ্যামিটোসাইট।  

ডিপ্লয়েড (2n) দশা -

জাইগোট দশা (2n): মশকীর দেহে গ্যামিটোগনির ফলে সৃষ্টি হয় স্ত্রী গ্যামিট ও পুং গ্যামিট। স্ত্রী ও পুং গ্যামিটের মিলনের ফলে জাইগোট সৃষ্টি হয়। 

উওকিনেট (2n): জাইগোট রূপান্তরিত হয়ে সৃষ্টি করে উওকিনেট । উওকিনেট উওসিস্ট এ পরিণত হয়। ডিপ্লয়েড উওসিস্ট মায়োসিস পদ্ধতিতে বিভাজিত হয়ে হ্যাপ্লয়েড স্পোরোজয়েট সৃষ্টি করে। এ হ্যাপ্লয়েড স্পোরোজয়েট দশা মশকীর লালার মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে।

উপরোক্ত আলোচনা থেকে দেখা যায় যে, ম্যালেরিয়া জীবাণুর জীবন চক্রে হ্যাপ্লয়েড ও ডিপ্লয়েড দশা পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয়। সুতরাং ম্যালেরিয়া জীবাণুর জীবন চক্রে সুস্পষ্ট জনুক্রম বিদ্যমান।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের ১ম জ্বরটি হলো ডেঙ্গু জ্বর। ডেঙ্গু জ্বরের ক্ষেত্রে আমরা প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে পারি। নিচে উক্তিটি মূল্যায়ন করা হলো-
ডেঙ্গু মশা নিধন করাই প্রতিরোধের প্রধান উপায়। এই মশা দিনের বেলায় কামড়ায়, তাই দিনের বেলায় মশার কামড় থেকে বাঁচতে হবে। রোগ প্রতিরোধে দিনের বেলায় মশারি টানিয়ে ঘুমানো, মশার কয়েল অথবা ইলেকট্রিক ভ্যাপার ম্যাপ ব্যবহার করতে হবে যাতে মশা কামড়াতে না পারে। বাড়ির আশেপাশে পানি জমতে দেয়া যাবে না। কারণ সঞ্চিত বা রক্ষিত পানিতে মশা জন্মায়। এডিস মশা ২১ দিন বাঁচে। তাই একই সাথে লার্ভা ও পূর্ণাঙ্গ মশা নিধনের জন্য নিয়মিত পতঙ্গনাশক স্প্রে করে রোগ প্রতিরোধ করা যায়। সম্প্রতি আমেরিকায় জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিধনের ব্যবস্থা আবিষ্কৃত হয়েছে।
উপরিউক্ত পদ্ধতি ব্যবহার করে ডেঙ্গু জ্বরের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘আলিফ আজকের পত্রিকায়…’ ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ ২০২৬ – অণুজীব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”