| ㅤ | A. Nayan11 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘আলোর ব্যতিচার পরীক্ষণে…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২৫ – ভৌত আলোকবিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)

আলোর ব্যতিচার পরীক্ষণে শিক্ষার্থীরা প্রথম দুটি সুসঙ্গত উৎস ব্যবহার করলো যেগুলো থেকে সমদশাবিশিষ্ট 5500 Å তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোক নির্গত হয়। তারা পর্দায় মিলিত তরঙ্গদ্বয়ের পথ পার্থক্য 1100 Å লক্ষ করলো।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ৭
গ্রেটিং এর একটি চিরের শুরু থেকে পরবর্তী চিরের শুরু পর্যন্ত দূরত্বই গ্রেটিং ধ্রুবক।
ব্যতিচার হলো দুই বা ততোধিক আলোকতরঙ্গ একসঙ্গে মিলিত হয়ে কিছু স্থানে আলোর তীব্রতা বাড়ানো (গঠনমূলক ব্যতিচার) বা কমানো (ধ্বংসাত্মক ব্যতিচার)। এটি ঘটে তরঙ্গের উপরিপাতনের ফলে। অন্যদিকে, অপবর্তন হলো আলো কোনো সরু ফাঁক বা প্রান্তের পাশে দিয়ে গেলে তা বাঁক খেয়ে বা ছড়িয়ে পড়ে যাওয়ার ঘটনা। ব্যতিচারে দরকার দুটি বা তার বেশি তরঙ্গ, আর অপবর্তনে একটি তরঙ্গই বাধা বা ফাঁক পেলে ছড়িয়ে পড়ে। তাই, এ দুটি ভিন্ন ঘটনা- এক নয়।
উদ্দীপক হতে, আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য, Å
আলোর বেগ,
প্লাংকের ধ্রুবক,
ফোটনের শক্তি,
অতএব, উৎস থেকে নির্গত শক্তি
উদ্দীপক হতে,
আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য, Å
পথ পার্থক্য, Å
আমরা জানি,
বা,
যেহেতু m জোড় বা বিজোড় না হয়ে ভগ্নাংশ হয়েছে, তাই এখানে গঠনমূলক বা ধ্বংসাত্মক ব্যতিচারের শর্ত পূরণ হয়নি।
সুতরাং বলা যায়, শিক্ষার্থীরা উক্ত পরীক্ষণে আংশিক ব্যতিচার লক্ষ করবে। অর্থাৎ, তরঙ্গ দুটি সম্পূর্ণভাবে গঠনমূলক বা ধ্বংসাত্মক হবে না।