| ㅤ | A. Nayan12 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘আম গাছ ও…’ বরিশাল বোর্ড ২০২১ – টিস্যু ও টিস্যুতন্ত্র, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)

আম গাছ ও কচু গাছের পাতা জালিকা শিরাবিন্যাস হলেও এরা পৃথক পরিবারের বাসিন্দা।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ৮
মুকুল অবস্থায় স্কুলের বৃত্তাংশ এবং পাপড়িগুলো নিয় বিন্যস্ত থাকে তাকে পুষ্পপত্রবিন্যাস বা এন্টিভেশন বলে।
Cycas উদ্ভিদ স্পোরোফাইটিক, বহুবর্ষজীবী নবীজী উদ্ভিদ। এটি বৃক্ষ জাতীয় কাষ্ঠল উদ্ভিদ। Cycas একলিঙ্গ বা ভিন্নবাসী উদ্ভিদ। উদ্ভিদ অসমরেণুপ্রস অর্থাৎ হেটারোদোরিক। কারণ- যৌন জননের সময় এরা অসম আকৃতির দুই ধরনের স্পোর তৈরি করে। পূর্ণ উদে ক্ষুদ্র সচল পুংরেণু বা মাইক্রোস্পোর এবং না উদ্ভিদ থেকে বৃহদাকার নিশ্চল স্ত্রীরেণ বা মেগাস্পোর উৎপন্ন হয়। দুটি ভিন্ন ধরনের খোর উৎপন্ন হওয়ার কারণে Cycas কে হেটারোস্পোরিক উদ্ভিদ বলা হয়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত দ্বিতীয় উদ্ভিদটি হলো কচু গাছ। কচু গাছ একটি একবীজপত্রী উদ্ভিদ। নিচে কচু গাছের মূল (অর্থাৎ একবীজপত্রী উদ্ভিদের মূল) এর অন্তর্গঠন চিত্রসহ ব্যাখ্যা করা হলো- ১. মূলত্বক : একস্তর বিশিষ্ট প্যারেনকাইমা কোষ সমন্বয়ে এটি গঠিত। এর কতকগুলো কোষ লম্বা হয়ে এককোষী মূলরোম গঠন করেছে। পানি ও খনিজ লবণ শোষণ করা এবং অভ্যন্তরীণ অংশকে রক্ষা করা এর কাজ। ২. কর্টেক্স : এটি মূলত্বকের নিচ থেকে শুরু করে অন্তঃত্বক পর্যন্ত বিস্তৃত বহুস্তরযুক্ত গোলাকার বা ডিম্বাকার প্যারেনকাইমা কোষ দিয়ে গঠিত। এতে আন্তঃকোষীয় ফাঁক থাকে। কর্টেক্সের কাজ হচ্ছে খাদ্য সঞয় করা। ৩. অন্তঃত্বক : কর্টেক্সের নিচে চক্রাকারে অবস্থিত পিপাকৃতির একসারি প্যারেনকাইমা কোষ দিয়ে এ স্তর গঠিত। এটি কর্টেক্স থেকে পরিচক্রকে পৃথক করে। ৪. পরিচক্র/পেরিসাইকল : অন্তঃত্বকের ঠিক নিচে একনারি প্যারেনকাইমা কোষ দিয়ে গঠিত। নাইট্রোজেন জাতীয় খাদা ছাড়া অন্যান্য খাদ্য সঞ্চিত রাখে। ৫. ভাস্কুলার বান্ডল : ভাস্কুলার বান্ডল বা পরিবহন টিস্যুগুচ্ছের সংখ্যা ৬-এর অধিক। প্রোটোজাইলেম পরিধির দিকে এবং মেটাজাইলেম ভিতরের দিকে অবস্থান করে। জাইলেম গুচ্ছের সংখ্যা ফ্রোে গুচ্ছের সংখ্যার সমান এবং এরা ব্যাসার্ধের উপর পর্যায়ক্রমে সাজানো থাকে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রথম উদ্ভিদটি হলো দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ। জবা ফুলের পুষ্প প্রতীক যা Malvaceae গোত্রের অন্তর্ভুক্ত। উদ্ভিদটির অবস্থান অনুসারে কাণ্ডে বিভিন্ন রকম ভাজক কলা পরিলক্ষিত হয়। উদ্ভিদ কোন অংশে অবস্থিত তার উপর নির্ভর করে ভাজক টিস্যু ৩ প্রকার। যথা : ১. শীর্ষস্থ ভাজক টিস্যু : মূল, কাণ্ড বা এদের শাখা-প্রশাখার শীর্ষে অবস্থিত ভাজক টিস্যুকেই শীর্ষস্থ ভাজক টিস্যু বলে। ২. ইন্টারক্যালারি ভাজক টিস্যু : দুটি স্থায়ী টিস্যুর মাঝখানে অবস্থিত ভাজক টিস্যুকে ইন্টারক্যালারি ভাজক টিস্যু বলে। অঙ্গসমূহের বৃদ্ধির সময় শীর্ষস্থ ভাজক টিস্যু হতে কিয়দাংশ পৃথক হয়ে এ প্রকার ভাজক টিস্যু সৃষ্টি করে। এরা পত্রমূলে, মধ্যপর্বের গোড়ায় থাকতে পারে। ৩. পার্শ্বীয় ভাজক টিস্যু : মূল বা কাণ্ডের পার্শ্ব বরাবর লম্বালম্বিভাবে অবস্থিত টিস্যুকে পার্শ্বীয় ভাজক টিস্যু বলে। এ প্রকার টিস্যুও দুটি স্থায়ী টিস্যুর মাঝখানে অবস্থিত। এরা স্থায়ী টিস্যু হতে উৎপন্ন হয়, তাই এরা সেকেন্ডারি ভাজক টিস্যু। এদের বিভাজনের ফলে মূল ও কাণ্ডের বৃদ্ধি প্রস্থে হয়ে থাকে। কর্ক ক্যাম্বিয়াম, ইন্টারফেসিকুলার ক্যাম্বিয়াম প্রভৃতি পার্শ্বীয় ভাজক টিস্যুর উদাহরণ।