A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘আমাদের দেহ যখন…’ a – বর্জ্য ও নিষ্কাশন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৬ষ্ঠ অধ্যায় — বর্জ্য ও নিষ্কাশন🔢 সৃজনশীল নং ৩🏢 প্রতিষ্ঠান a⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

আমাদের দেহ যখন লবণ ও পানি ধরে রাখে তখন শরীরে বিশেষ বিশেষ অংশ ফুলে যায়। রক্তের ঘনত্বের অস্বাভাবিকতায় শরীরে বিশেষ একটি অঙ্গে হরমোনের পরিমাণ বেড়ে গেলে এ সমস্যার সৃষ্টি হয়।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৬

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

Platyhelminthes পর্বের প্রাণীদের রেচনতন্ত্রকে শিখা কোষ বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

মানুষের রক্তের দুধরনের শ্বেতকণিকা যথা B লিম্ফোসাইট ও T • লিম্ফোসাইট এর কার্যকারিতায় দেহে অর্জিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় থাকে। প্রথমবার কোনো জীবাণু দ্বারা দেহ আক্রান্ত হলে B লিম্ফোসাইট বিভাজিত হয়ে স্মৃতি কোষ' B উৎপন্ন হয়। এরা দীর্ঘজীবী হওয়ায় ঐ ধরনের জীবাণুকে দীর্ঘদিন স্মরণ রাখতে পারে। এক্ষেত্রে T লিম্ফোসাইট B-লিম্ফোসাইট এর তুলনায় অধিক দীর্ঘজীবী। দ্বিতীয়বার ঐ জীবাণুর সংক্রমণ হলে উৎপন্ন নতুন কোষগুলো তাকে সহজেই শনাক্ত ও ধ্বংস করে। তাই লিম্ফোসাইটকে স্মৃতি কোষ বলা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত অঙ্গটি হলো বৃক্ক যার গাঠনিক একক নেফ্রন। নিচে নেফ্রনের বর্ণনা দেওয়া হলো-

মানুষের প্রত্যেক বৃক্কে ১০ লক্ষ থেকে ১২ লক্ষ নেফ্রন রয়েছে। প্রতিটি নেফ্রন প্রায় ৩ সে. মি. লম্বা। এ হিসাবে প্রত্যেক বৃক্কের নেফ্রনের নালিকাগুলো সম্মিলিতভাবে ৩৬ কি. মি. (প্রায় ২২.৬ মাইল) এরও বেশি লম্বা হবে। প্রত্যেক নেফ্রন ২টি প্রধান অংশে বিভক্ত। যথা-

১. রেনাল করপাসল বা মালপিজিনিয়ান বডি: নেফ্রনের অগ্রপ্রান্তকে রেনাল করপাসল বলে। এটি বৃক্কের কর্টেক্সে অবস্থিত। এটি আবার বোম্যানস ক্যাপসুল এবং গ্লোমেরুলাস নিয়ে গঠিত।

২. রেনাল টিউব্যুলস বা বৃক্কীয় নালিকা: এটি প্রশ্চাৎ অংশ এবং বোম্যানস ক্যাপসুলের পেছন হতে সৃষ্টি হয়ে সংগ্রাহী নালিকা পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। এ রেনাল টিউব্যুলস চারটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা: ১. নিকটবর্তী প্যাঁচানো নালিকা বা প্রক্সিমাল প্যাঁচানো নালিকা, ২. হেনলির লুপ, ৩. ডিস্টাল প্যাঁচানো নালিকা, ৪. সংগ্রাহী নালিকা।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত জৈব রাসায়নিক পদার্থটি হরমোন। মানুষের উদ্যমতা, রাগ, অনুরাগ, বিষণ্ণতা, দুশ্চিন্তা, আগ্রাসন প্রভৃতি আচরণ হরমোন নিয়ন্ত্রিত বলে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। বিভিন্ন অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি ক্ষরিত হরমোন মানুষের আচরণে যেভাবে প্রভাব ফেলে তা নিচে সংক্ষেপে উল্লেখ করা হলো:

১. থাইরক্সিন হরমোন অস্বাভাবিক মাত্রার থাইরক্সিন ক্ষরণ উত্তেজনা বৃদ্ধি করে, মনোযোগ হ্রাস করে, কাজের প্রতি অনাগ্রহ সৃষ্টি করে এবং অনিদ্রা, ক্লান্তি, উৎকণ্ঠা বৃদ্ধি করে।
২. প্যারাথরমোন: এ হরমোন নিঃসরণ উত্তেজনার মাত্রাকে প্রভাবিত করে।
৩. মেলাটোনিন হরমোন মস্তিষ্কের পিনিয়াল গ্রন্থি ক্ষরিত মেলাটোনিন হরমোন মানুষের ঘুম জাগ্রত আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে। এ হরমোনের অসম ক্ষরণ মানুষের অনিদ্রার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
৪. টেস্টোস্টেরন: শুক্রাশয় হতে অধিক মাত্রায় টেস্টোস্টেরন হরমোন ক্ষরণের ফলে মানুষের উগ্রতা বেড়ে যায় বলে প্রমাণিত হয়েছে।
৫. ইস্ট্রোজেন: মেয়েদের কাজের নৈপুণ্যতা, কথা বলার দক্ষতা এবং অনুধাবন দক্ষতা ইস্ট্রোজেন হরমোনের ক্ষরণের সাথে সম্পৃক্ত।

৬. অ্যাডরেনালিন: 'বৃক্ক সংলগ্ন অ্যাডরেনাল গ্রন্থি ক্ষরিত অ্যাডরেনালিন হরমান মানসিক চাপ ও আবেগ নিয়ন্ত্রণ করে। এ হরমোন মানুষের স্বাভাবিক ব্যক্তিত্ব গঠনে বিশেষ সহায়তা করে।
৭. ইপিনেফ্রিন: অ্যাডরেনাল গ্রন্থি ক্ষরিত ইপিনেফ্রিন হরমোন মানুষের ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে।

৮. নর ইপিনেফ্রিন অ্যাডরেনাল গ্রন্থি ক্ষরিত নর ইপিনেফ্রিন হরমোন মানুষের মানসিক চাপ, আক্রমণ ও পলায়ন আচরণ বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে।
৯. অন্যান্য হরমোন: পিটুইটারি গ্রন্থি ক্ষরিত বিভিন্ন হরমোন অন্যান্য সকল হরমোনের ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে ফলে এ গ্রন্থি ক্ষরিত হরমোনগুলো মানুষের আচরণের সাথে জড়িত।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘আমাদের দেহ যখন…’ a – বর্জ্য ও নিষ্কাশন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”