A. Nayan
A. Nayan
28 May 2026 (4 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘আমাদের দেশে হবে…’ – বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: general📚 বই: বাংলা📖 ৭ম অধ্যায় : নিরীহ বাঙালি - রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন🔢 সৃজনশীল নং:⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে,

কথায় না বড়ো হয়ে কাজে বড়ো হবে।

মুখে হাসি বুকে বল তেজে ভরা মন,

মানুষ হইতে হবে এই যার পণ।

বিপদ আসিলে কাছে হও আগুয়ান

নাই কি শরীরে তব রক্তমাংস প্রাণ?

উত্তর:

'কুন্তলীনের' সঙ্গে 'কেশলীন' বিক্রি হয়।

উত্তর:

ব্যাবসাবাণিজ্যে যে কঠিন পরিশ্রমের দরকার তা আমাদের নেই বলে আমাদের দোকানে প্রয়োজনীয় জিনিস নেই।
বাঙালিরা পরিশ্রমবিমুখ বলে ব্যাবসাবাণিজ্যে যে কঠিন পরিশ্রমের দরকার তা তারা বর্জন করেছে। তাদের দোকানে কেবল নানা প্রকার বিলাসদ্রব্য, নানাবিধ কেশতেল, রোগবর্ধক ওষুধ ও নানা প্রকার পিতলের অলংকার, নকল হীরার আংটি, বোতাম ইত্যাদি মজুদ আছে। যেসব ব্যাবসায় কায়িক পরিশ্রম নেই সেসবই কেবল আমরা বাঙালিরা করে থাকি। এ কারণে আমাদের দোকানে কোনো প্রয়োজনীয় জিনিস নেই।

উত্তর:

আলস্য ও কর্মবিমুখ বাঙালি জাতিকে পরিশ্রমী হয়ে ওঠার যারা দিকটি উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়েছে।
'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধে বলা হয়েছে বাঙালি এমন এক জাতি যারা আলস্য প্রকৃতির ও কর্মবিমুখ। তারা নিজেদের বোকামি ও কুসংস্কারের শিকার হয়েও নিজেদের পরিবর্তন করতে চায় না। সমাজ বা দেশের যেকোনো প্রয়োজনে নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করে। সমাজে মাথা উঁচু করে আত্মমর্যাদা নিয়ে বাঁচতে হলে অবশ্যই বাঙালিদের আলস্য পরিহার করে কর্মে মনোনিবেশ করতে হবে।
'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধে বলা হয়েছে যে. বাঙালি অনুকরণপ্রিয়, আরামপ্রিয় ও কর্মবিমুখ। পরিশ্রম হয় এরকম সকল কাজ তারা এড়িয়ে চলতে চায়। যে কাজে শারীরিক পরিশ্রম হয় না বঙালি সেই কাজের প্রতি বেশি আগ্রহী। যার ফলে মেধা, বুদ্ধি ও যথেষ্ট সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও বাঙালি জাতি পশ্চাৎপদ হয়ে আছে। লেখিকা প্রত্যাশা করেছেন বাঙালি এই আরামপ্রিয়তা ত্যাগ করে পরিশ্রমী হয়ে উঠবে এবং নিজেদের সত্যিকার সামাজিক, পারিবারিক ও জাতীয় কাজে প্রণোদিত করবে। উদ্দীপকের বক্তব্যের মধ্যেও এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছে। এখানে সেই ছেলে তথা মানুষের প্রত্যাশা করা হয়েছে যারা নিজেদের সাহস ও পরিশ্রমের মাধ্যমে বাঙালি জাতিকে বিশ্বের বুকে আত্মমর্যাদাবান করে তুলবে। তাই বলা যায়, 'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধে বর্ণিত লেখিকার প্রত্যাশার দিকটি উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়েছে।

উত্তর:

কঠোর পরিশ্রমের মধ্যেই আছে বাঙালি জাতির আত্মোন্নয়ন- এই দিক থেকে বলা যায়, “উদ্দীপকের প্রত্যাশাই যেন 'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধের অন্তর্নিহিত ভাব" মন্তব্যটি যথার্থ।
'নিরীহ বাঙালি' নামটি দ্বারা রোকেয়া বুঝিয়েছেন যে, বাঙালিরা নিজেদের অলসতা ও নিষ্ক্রিয়তার কারণে সমাজে নিজেদের সঠিক অবস্থান করে নিতে পারছে না। তিনি এই অলসতাকে সমালোচনা করে বলেন যে, বাঙালিকে কঠোর পরিশ্রম এবং আত্মোন্নয়ন করতে হবে, যা তাদের নিজেদের ভাগ্য গড়ে তোলার সুযোগ করে দেবে।
'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধে লেখিকা বাঙালিকে দুর্বল, নিরীহ বলেছেন। বাঙালি নারী, পুরুষ উভয়ই কোমলমতি। তাই পরিশ্রমসাধ্য কোনো কাজ তারা করতে পারে না। এ কারণেই বাঙালির কোনো কথা সহজে কাজে পরিণত হয় না। উদ্দীপকেও এ বিষয়টি লক্ষণীয়। উদ্দীপকে কবি এমন বাঙালি প্রত্যাশা করেছেন যে তার কথাকে কাজে পরিণত করতে পারবে এবং তার মাধ্যমেই সমগ্র দেশের কল্যাণ হবে।
উদ্দীপকে লেখক দেশের কল্যাণের জন্য পরিশ্রমী ও সাহসী বাঙালিকে প্রত্যাশা করেছেন। 'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধে লেখিকা বাঙালি চরিত্রের দুর্বলতাগুলো উপস্থাপন করেছেন। তবে এ বৈশিষ্ট্যগুলো উপস্থাপনের মধ্য দিয়েই প্রকাশিত হয়েছে তিনি। কেমন বাঙালি চান। তিনি চান। পরিশ্রমী, সাহসী বাঙালি যারা কাজকে ভয় পাবে না। উদ্দীপকে যে প্রত্যাশা ব্যক্ত হয়েছে সেটি 'নিরীহ বাঙালি' প্রবন্ধের অন্তর্নিহিত ভাব।

8 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘আমাদের দেশে হবে…’ – বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)”