A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘আমাদের এই পতিত,…’ a – কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ, গদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ গদ্য🧩 অধ্যায় ২৫তম অধ্যায় — কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ🔢 সৃজনশীল নং ৯🏢 প্রতিষ্ঠান a⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

আমাদের এই পতিত, চন্ডাল, ছোটলোক ভাইদের বুকে করিয়া তাহাদিগকে আপন করিয়া লইতে, তাহাদের মতো দীন বসন পরিয়া, তাহাদের প্রাণে তোমারও প্রাণ সংযোগ করিয়া উচ্চ শিরে তার সম্মুখে আসিয়া দাঁড়াও, দেখিবে বিশ্ব তোমাকে নমস্কার করিবে। এস, আমাদের উপেক্ষিত ভাইদের হাত ধরিয়া আজ বোধন-বাঁশিতে সুর দিই-

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ২৫

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ফার্মের গরুগুলোর গলায় নতুন মুষ্টি বাঁধা হয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

➤ "বুঢ়া দাদা তুমার বস্তিটা আর এইঠে থাকবে নাই, ইবছর এইঠে ধানের আবাদ হবে।"- কথাটি সলিমউদ্দিন বলেছে কপিলদাসকে।

➤ 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পের সাঁওতাল অধ্যুষিত গ্রামের বয়োবৃদ্ধ কপিলদাস মুর্মু। বয়সকালে সে প্রকৃতির বৈরিতার বিরুদ্ধে লড়াই করে, শিকার করে, মহাজনের জমি চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করত। বংশপরম্পরায় তারা বস্তিতে বসবাস করে আসছে। অথচ এখন ম্যানেজার মহাজন সেই গ্রামের সাঁওতাল বসতি ভেঙে সেখানে ধানের চাষ করার সিদ্ধান্ত নেয়। সলিমউদ্দিন খামারবাড়ি থেকে এই খবরটি শুনে এসেছে, আর তা কপিলদাসকে দেওয়ার জন্যই প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছে। 

সারকথা: সাঁওতাল অধ্যুষিত বসতি ভেঙে ধানচাষের খবরটি কপিলদাসকে দেওয়ার জন্য সলিমউদ্দিন প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

➤ উদ্দীপকটি 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পের যারা কপিলদাস সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা পোষণ করে তাদের ভাবনার সঙ্গে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ।

➤ মানুষের ব্যবহারিক জীবনে অভিজ্ঞতার মূল্য অনেক। আমাদের পরিবার বা সমাজে এমন অনেক মানুষ আছেন যারা নানা বিষয়ে অভিজ্ঞ। বৃদ্ধ বলে আমরা তাদেরকে উপেক্ষা করি। অথচ কঠিন পরিস্থিতিতে তারাই ঢাল হয়ে দাঁড়ায়।

➤ 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পে কপিলদাস মুর্মু এক প্রবীণ চরিত্র। বয়োবৃদ্ধ বলে গ্রামের কেউ তাকে তেমন গুরুত্ব দেয় না। সবাই তাকে উপেক্ষা করে। তার পরিবারের মানুষ পর্যন্ত তাকে উপেক্ষা করে। এক সময় সাঁওতাল গ্রামের অস্তিত্বের সংকটে সবার আগে তির নিয়ে কপিলদাস মুর্মু এগিয়ে যায়। যারা তাকে বৃদ্ধ বলে উপেক্ষা করেছিল তারা তখন অবাক হয়ে যায়। উদ্দীপকেও এরকম একটি ভাবেরই অবতারণা করা হয়েছে। সেখানে কাউকেই উপেক্ষা না করার কথা হয়েছে এবং উপেক্ষিত ব্যক্তির মধ্যে যে শক্তি আছে তা উদবোধন করার কথা বলা হয়েছে। পক্ষান্তরে সাঁওতাল গ্রামের তরুণরা কপিলদাস বৃদ্ধ বলে তাকে উপেক্ষা করেছে, যা উদ্দীপকের মূলভাবের বিপরীত। এভাবে উদ্দীপকটি 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পে যারা কপিলদাস সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা পোষণ করে তাদের ভাবনার সঙ্গে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ।

সারকথা: উদ্দীপকে কাউকে উপেক্ষা করতে না বলা হয়েছে কিন্তু আলোচ্য গল্পে তরুণেরা কপিলদাসকে বৃদ্ধ বলে উপেক্ষা করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

➤ "উদ্দীপকের মূলভাব 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পের মূলভাবের সম্পূর্ণ বিপরীত নয়।" মন্তব্যটি যথার্থ।

➤ আমাদের পরিবার ও সমাজে বিভিন্ন বয়সের মানুষ রয়েছে। পরিবার ও সমাজে সাধারণত বয়স্ক ব্যক্তিদের তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয় না। অথচ বড় কোনো কাজে এই বৃদ্ধরাই তরুণদের অনুপ্রাণিত করেন, কঠিন সময়ের মুখোমুখি দাঁড়াতে সহায়ক হন।

➤ 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পে কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ সম্পর্কিত আখ্যান তুলে ধরা হয়েছে। কপিলদাস মুর্মু একজন বৃদ্ধ ব্যক্তি। ম্যানেজার মহাজন যখন সাঁওতাল বস্তি ভেঙে সেখানে ধান চাষ করতে চায় তখন গ্রামের কয়েকজন শলাপরামর্শ করতে বসে। তখন কপিলদাস মুর্মু এগিয়ে গেলেও সে বৃদ্ধ বলে তাকে দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়। তখন দেখা যায়, এই বৃদ্ধই অপশক্তির বিরুদ্ধে প্রথম হাতিয়ার তোলে। লেখক এই গল্পের মধ্য দিয়ে যে বিষয়টি তুলে ধরেছেন সেটি হলো- অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে কোনো বয়স লাগে না। আর বয়স্ক বলে কাউকেই উপেক্ষা করা ঠিক নয়।

➤ উদ্দীপকেও অনুরূপ বিষয় প্রতিফলিত হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, কোনো শক্তিকেই উপেক্ষা করা ঠিক নয়। সমাজে বিভিন্ন বয়স ও বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ আছে। যখন কোনো গোষ্ঠীর অস্তিত্বের হুমকিস্বরূপ কোনো প্রশ্ন আসে তখন কাউকে অবহেলা না করে সকলে মিলে সেটা প্রতিহত করা উচিত। আলোচ্য গল্পেও লেখক কপিলদাসের অগ্রসরতার মধ্য দিয়ে অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে এই বার্তাটি দিয়েছেন যে, কাউকেই উপেক্ষা করা ঠিক নয়, যা উদ্দীপকের মূলভাবের নামান্তর। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের মূলভাব 'কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ' গল্পের মূলভাবের সম্পূর্ণ বিপরীত নয়। 

সারকথা: আলোচ্য গল্পে অন্যান্য বার্তার সঙ্গে এই ই বার্তাও আছে যে, লড়াইয়ের সময় কোনো শক্তিকেই উপেক্ষা করা ঠিক নয়, যা উদ্দীপকের মূলভাবের সাদৃশ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘আমাদের এই পতিত,…’ a – কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ, গদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”