A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘”আমায় নহে গো…’ যশোর বোর্ড ২০২৩ – সোনার তরী, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পদ্য🧩 অধ্যায় ৭ম অধ্যায় — সোনার তরী🔢 সৃজনশীল নং ১২🏫 বোর্ড যশোর বোর্ড📅 সাল ২০২৩⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

“আমায় নহে গো ভালোবাস শুধু ভালোবাস মোর গান

 বনের পাখিরে কে চিনে রাখে গান হলে অবসান।

চাঁদেরে কে চায়, জোছনা সবাই যাচে

গীত শেষে বীণা পড়ে থাকে ধূলি-মাঝে।”

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৭

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER
০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER
০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের গান 'সোনার তরী' কবিতার সাথে সৃষ্টিকর্ম হিসেবে তুলনীয়।

 

'সোনার তরী' কবিতায় দেখা যায় দ্বীপের মতো একটি ধানখেতে সোনার ধান দিয়ে এক কৃষক অপেক্ষা করছেন। এক মাঝি কৃষকের কষ্টার্জিত সে ফসল তার নৌকা ভরে নিয়ে যায। শূন্য দ্বীপে একা পড়ে থাকে কৃষক । মাঝির ছোটো নৌকায় তার উৎপাদিত সোনার ফসল স্থান পেলেও কৃষকের সেখানে যায়গা হয় না। বস্তুত, মহাকালের স্রোতে সৃষ্টিকর্ম টিকে থাকলেও স্রষ্টা তথা ব্যক্তি মানুষ হারিয়ে যায় চিরায়ত নিয়মে।

 

উদ্দীপকে গানের প্রসঙ্গ টেনে এর স্রষ্টাকে মনে না রাখার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। বলা হয়েছে, সবাই গানকে ভালোবাসে। কিন্তু যে এটি রচনা করলো তাকে ভালোবেসে মনে কেউ রাখে না। বনের পাখির গান আমরা উপভোগ করি কিন্তু পাখিকে ভুলে যাই। সংগীত আমরা ভালোবাসি কিন্তু, বীণা পড়ে থাকে ধূলি-মাঝেই। অর্থাৎ, সৃষ্টিকর্মকে সবাই গ্রহণ করলেও তার পেছনে যার শ্রম-সাধনা, সেই ব্যক্তিমানুষকে কেউ মনে করে না।

'সোনার তরী' কবিতায় ও কবির সৃষ্টিকর্মকে সাদরে গ্রহণ করা হয়। কিন্তু স্রষ্টা হিসেবে তিনি উপেক্ষিতই থাকেন। আলোচ্য কবিতার কবির এই সোনার ফসল, উদ্দীপকের গান একইভাবে সবার কাছে সৃষ্টিকর্ম হিসেব গ্রহণীয় হয় ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের গান 'সোনার তরী' কবিতার সাথে সৃষ্টিকর্ম হিসেবে তুলনীয়।

 

'সোনার তরী' কবিতায় দেখা যায় দ্বীপের মতো একটি ধানখেতে সোনার ধান দিয়ে এক কৃষক অপেক্ষা করছেন। এক মাঝি কৃষকের কষ্টার্জিত সে ফসল তার নৌকা ভরে নিয়ে যায। শূন্য দ্বীপে একা পড়ে থাকে কৃষক । মাঝির ছোটো নৌকায় তার উৎপাদিত সোনার ফসল স্থান পেলেও কৃষকের সেখানে যায়গা হয় না। বস্তুত, মহাকালের স্রোতে সৃষ্টিকর্ম টিকে থাকলেও স্রষ্টা তথা ব্যক্তি মানুষ হারিয়ে যায় চিরায়ত নিয়মে।

 

উদ্দীপকে গানের প্রসঙ্গ টেনে এর স্রষ্টাকে মনে না রাখার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। বলা হয়েছে, সবাই গানকে ভালোবাসে। কিন্তু যে এটি রচনা করলো তাকে ভালোবেসে মনে কেউ রাখে না। বনের পাখির গান আমরা উপভোগ করি কিন্তু পাখিকে ভুলে যাই। সংগীত আমরা ভালোবাসি কিন্তু, বীণা পড়ে থাকে ধূলি-মাঝেই। অর্থাৎ, সৃষ্টিকর্মকে সবাই গ্রহণ করলেও তার পেছনে যার শ্রম-সাধনা, সেই ব্যক্তিমানুষকে কেউ মনে করে না।

'সোনার তরী' কবিতায় ও কবির সৃষ্টিকর্মকে সাদরে গ্রহণ করা হয়। কিন্তু স্রষ্টা হিসেবে তিনি উপেক্ষিতই থাকেন। আলোচ্য কবিতার কবির এই সোনার ফসল, উদ্দীপকের গান একইভাবে সবার কাছে সৃষ্টিকর্ম হিসেব গ্রহণীয় হয় ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘”আমায় নহে গো…’ যশোর বোর্ড ২০২৩ – সোনার তরী, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”