A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘আমায় নহে গো…’ ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২২ – সোনার তরী, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পদ্য🧩 অধ্যায় ৭ম অধ্যায় — সোনার তরী🔢 সৃজনশীল নং ৬🏫 বোর্ড ময়মনসিংহ বোর্ড📅 সাল ২০২২⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

আমায় নহে গো ভালোবাস শুধু ভালোবাস মোর গান,

বনের পাখিরে কে চিনে রাখে গান হলে অবসান;

চাঁদেরে কে চায়, জোছনা সবাই যাচে

গীত-শেষে বীণা পড়ে তাকে ধূলি-মাঝ।.

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৭

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER
০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER
০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে বনের পাখির সাথে 'সোনার তরী' কবিতায় প্রকাশিত শিল্পস্রষ্টা তথা কৃষকের সাদৃশ্য রয়েছে।

'সোনার তরী' কবিতায় বর্ণিত কৃষক মূলত শিল্পস্রষ্টা। সোনার ধান হল সৃষ্টিকর্মের প্রতীক। কৃষক তাঁর জমি থেকে সোনার ধান কেটে অপেক্ষায় আছেন কখন তরী এসে ফসলসহ তাঁকে নিয়ে যাবে।অবশেষে কৃষকের কষ্টের ফসল সোনার ধান মহাকালের তরীতে স্থান পেলেও কৃষকের স্থান সেখানে হয়নি।বস্তুত, মহাকাল মানুষের শিল্পকর্মের কদর করলেও শিল্প স্রষ্টার কথা কেউ মনে রাখে না।  উদ্দীপকের কবিতাংশের কবি নিজের সৃষ্ট গানের মাঝেই নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে চান।কেননা গান শেষ হলে বনের গায়ক পাখির খোঁজ কেউ করেনা,কেবল তার মিষ্টি গানই আমাদের ভালো লাগে।আবার সবাই জোসনা ভালবাসলেও চাঁদের কথা কারো মনে থাকে না। তেমনি গান শেষ হলে বিণাও পড়ে থাকে ধূলি মাঝে।অনুরূপভাবে 'সোনার তরী' কবিতাতেও এই অমোঘ সত্যটিই উন্মোচিত হয়েছে। মহাকালের স্রোতে মহৎ সৃষ্টিকর্ম টিকে থাকলেও শিল্পস্রষ্টাকে অবধারিতভাবেই কালস্রোতে হারিয়ে যেতে হয়। তাকে কেউ মনে রাখে না। সুতরাং উদ্দীপকের বনের পাখির সাথে আলোচ্য কবিতার কৃষকের সাদৃশ্য লক্ষ্য করা যায়।.

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে বনের পাখির সাথে 'সোনার তরী' কবিতায় প্রকাশিত শিল্পস্রষ্টা তথা কৃষকের সাদৃশ্য রয়েছে।

'সোনার তরী' কবিতায় বর্ণিত কৃষক মূলত শিল্পস্রষ্টা। সোনার ধান হল সৃষ্টিকর্মের প্রতীক। কৃষক তাঁর জমি থেকে সোনার ধান কেটে অপেক্ষায় আছেন কখন তরী এসে ফসলসহ তাঁকে নিয়ে যাবে।অবশেষে কৃষকের কষ্টের ফসল সোনার ধান মহাকালের তরীতে স্থান পেলেও কৃষকের স্থান সেখানে হয়নি।বস্তুত, মহাকাল মানুষের শিল্পকর্মের কদর করলেও শিল্প স্রষ্টার কথা কেউ মনে রাখে না।  উদ্দীপকের কবিতাংশের কবি নিজের সৃষ্ট গানের মাঝেই নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে চান।কেননা গান শেষ হলে বনের গায়ক পাখির খোঁজ কেউ করেনা,কেবল তার মিষ্টি গানই আমাদের ভালো লাগে।আবার সবাই জোসনা ভালবাসলেও চাঁদের কথা কারো মনে থাকে না। তেমনি গান শেষ হলে বিণাও পড়ে থাকে ধূলি মাঝে।অনুরূপভাবে 'সোনার তরী' কবিতাতেও এই অমোঘ সত্যটিই উন্মোচিত হয়েছে। মহাকালের স্রোতে মহৎ সৃষ্টিকর্ম টিকে থাকলেও শিল্পস্রষ্টাকে অবধারিতভাবেই কালস্রোতে হারিয়ে যেতে হয়। তাকে কেউ মনে রাখে না। সুতরাং উদ্দীপকের বনের পাখির সাথে আলোচ্য কবিতার কৃষকের সাদৃশ্য লক্ষ্য করা যায়।.

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘আমায় নহে গো…’ ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২২ – সোনার তরী, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”