A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘আমি কোনো অভ্যাগত…’ জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ ২০২৬ – প্রত্যাবর্তনের লজ্জা, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পদ্য🧩 অধ্যায় ২৬তম অধ্যায় — প্রত্যাবর্তনের লজ্জা🔢 সৃজনশীল নং ১২🏢 প্রতিষ্ঠান জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, সিলেট📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

আমি কোনো অভ্যাগত নই
খোদার কসম আমি ভিনদেশি পথিক নই
আমি কোনো আগন্তুক নই।
আমি কোনো আগন্তুক নই, আমি
ছিলাম এখানে, আমি স্বাপ্নিক নিয়মে
এখানেই থাকি আর
এখানে থাকার নাম সর্বত্রই থাকা-
সারা দেশে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ২৬

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

লাইলী মালপত্র তুলে দিয়ে চাকরকে টিকিট কিনতে পাঠায়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

কবি শহরে যাওয়ার শেষ ট্রেনটিতে উঠতে না পেরে শীতের রাতে স্টেশনে বসে থাকা প্রসঙ্গে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।
'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি শহরে যাওয়ার শেষ ট্রেনটিতে উঠতে পারেননি। ট্রেনে যাদের সঙ্গে তাঁর শহরে যাওয়ার কথা ছিল তারা তাঁকে হাত নেড়ে সান্ত্বনা জানায়। কবির ট্রেন ধরতে না পারাটা তাঁর কাছে পরাজয়ের মতো মনে হয়। যে গ্রামটিতে রেলস্টেশন সেই গ্রামটি বেশি খ্যাত নয়। তাই সেই স্টেশনকেও কবি অখ্যাত বলেছেন। আর শীতের সকালে সেখানে বসে শহরে যেতে না পারার গ্লানি অনুভব করা প্রসঙ্গে কবি প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের সঙ্গে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কবির বাড়ি ফিরে সংকোচ করার দিকটি বৈসাদৃশ্যপূর্ণ।
'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি ট্রেন ধরতে না পেরে তাঁর চিরচেনা পরিবেশ তথা আপন বাড়িতেই ফিরে গেছেন। কিন্তু তিনি নিঃসংকোচে এই কাজটি করতে পারেননি। ট্রেন ধরতে না পেরে পরাজয়ের গ্লানি নিয়ে অনেকটা সংকোচ নিয়েই তিনি নিজ বাড়িতে গিয়ে উপস্থিত হয়েছেন।
উদ্দীপকের কবি নিজেকে স্বদেশের একজন চিরপরিচিত মানুষ হিসেবে তুলে ধরতে চেয়েছেন। তিনি স্পষ্টই বলে দিয়েছেন যে, তিনি কোনো ভিনদেশি পথিক নন, বরং এ দেশেরই একজন পরিচিতজন। তাঁর এমন নিঃসংকোচ স্বীকারোক্তি 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবির মধ্যে ফুটে ওঠেনি। এ কবিতায় কবির মধ্যে তাঁর মা, মাটি ও প্রকৃতির জন্য ভালোবাসা আছে। তবুও তিনি শহরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে স্টেশনে গেছেন। ট্রেন না পেয়ে তখন তিনি প্রত্যাবর্তন করতে চেয়েছেন তাঁর মা ও স্বদেশের প্রকৃতির কাছে। এক্ষেত্রে তাঁর মধ্যে কিছুটা সংকোচ দেখা যায়। এক্ষেত্রে উদ্দীপকের কবি নিঃসংকোচ। এভাবেই উদ্দীপকের সঙ্গে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতাটি বৈসাদৃশ্যপূর্ণ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

চেতনাগত দিক থেকে বলা যায় "বৈসাদৃশ্য থাকলেও উদ্দীপকের কবির মানসিকতা ও 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার কবির মানসিকতার মিল রয়েছে।"- মন্তব্যটি যথার্থ।
'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি শহরে যাওয়ার জন্য রেল স্টেশনে পৌছে দেখেন শেষ ট্রেনটি ছেড়ে চলে গিয়েছে। যাদের সঙ্গে তাঁর শহরে যাওয়ার কথা ছিল তারা ট্রেন থেকে হাত নেড়ে কবিকে সান্ত্বনা দিয়েছেন। তবে কবি মূলত ইচ্ছাকৃতভাবেই তাঁর চিরচেনা গ্রামীণ পরিবেশে থেকে যাওয়ার জন্যই সময়মতো রেলস্টেশনে উপস্থিত হননি।
উদ্দীপকের কবি বলতে চান তিনি কোনো অভ্যাগত নন, আগন্তুক নন, বরং এ দেশেরই একজন পরিচিত মানুষ। তিনি এখানেই ছিলেন, এখানেই থাকেন আর এখানে থাকা মানে তাঁর কাছে সারা দেশের সর্বত্রই থাকা। তাঁর এমন মানসিকতা স্বদেশপ্রেমের দিকটিকে নির্দেশ করে যা 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায়ও কবির মানসিকতায় ফুটে উঠেছে। এ কবিতায় কবি শহরে যাওয়ার ট্রেন ধরতে না পারায় হতাশ হয়েছেন। তবুও জন্মভূমির প্রকৃতির প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগ লক্ষ করা যায়, যা তাঁর দেশপ্রেমকেই নির্দেশ করে।
'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবির মধ্যে স্বদেশের প্রতি প্রবল অনুরাগ লক্ষ করা যায়। এ কবিতায় কবির গ্রাম ছেড়ে শহরে যাওয়ার প্রতি অনাগ্রহ দেখা যায়। শহর বা নাগরিক জীবনের চেয়ে মাতৃতুল্য গ্রামীণ সহজ জীবনই তাঁর জন্য পরম স্বস্তির। তাই ট্রেন ধরতে না পারায় তিনি কল্পনায় তাঁর মা ও মাতৃভূমির প্রকৃতির কাছে ফিরে গেছেন। এই মানসিকতা তাঁর স্বদেশপ্রেমকেই নির্দেশ করে যা উদ্দীপকেও ফুটে উঠেছে। এদিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘আমি কোনো অভ্যাগত…’ জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ ২০২৬ – প্রত্যাবর্তনের লজ্জা, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”