| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘আমিষ খাদ্য →…’ কুমিল্লা বোর্ড ২০২২ – প্রাণীর পরিচিতি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)

আমিষ খাদ্য → পটাশিয়াম ইউরেট → ইউরিক এসিড।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ২
কোষীয় বিপাকের ফলে সৃষ্ট নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্যপদার্থ দেহ থেকে নিষ্কাশিত হওয়ার প্রক্রিয়া রেচন বলে।
নিম্নে সিলোম ও হিমোসিলের মধ্যে পার্থক্য লেখা হল-
: উদ্দীপকের প্রক্রিয়াটি হল ঘাসফড়িং এর রেচন যা ম্যালপিজিয়ান নালিকার সাহায্যে সম্পন্ন হয়।
আমিষজাতীয় খাদ্য বিপাকে সৃষ্ট নাইট্রোজেন ঘটিত বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশনের প্রক্রিয়াকে রেচন বলে।প্রতিটি প্রাণীরই আলাদা আলাদা রেচন অঙ্গ আছে । ঘাসফড়িং এর রেচন অঙ্গের নাম হল ম্যালপিজিয়ান নালিকা । বিজ্ঞানী Marcello Malpighi এর আবিষ্কারক।
মেসেন্টেরন ও ইলিয়ামের সংযোগস্থলে অসংখ্য (প্রায় ১০০টি) সুতোর মতো ম্যালপিজিয়ান নালিকা হিমোসিলে বিস্তৃত থাকে। এই হিমোসিলগুলোর মুক্ত প্রান্ত বদ্ধ এবং হিমোসিল গহবরে হিমোলিম্ফের মধ্যে নিমজ্জিত থাকে। অপরপ্রান্ত পৌষ্টিক নালীর গব্বরে উন্মুক্ত। প্রতিটি ম্যালপিজিয়ান নালিকা প্রায় 25 মিলিমিটার লম্বা, 1 মিলিমিটার ব্যাসযুক্ত , সরু,নলাকার,স্থিতিস্থাপক এবং ফাপা। এই ফাপা গহ্বরকে লুমেন বলে। প্রতিটি নালিকার প্রাচীর একস্তর বিশিষ্ট এপিথেলিয়াল কোষে গঠিত।
কোষস্তরের বাইরের দিকে এদের একটি ভিত্তি পর্দা এবং ভেতরের দিকে অসংখ্য মাইক্রোভিলাই থাকে যা সম্মিলিতভাবে ব্রাশ বর্ডার গঠন করে। ম্যালপিজিয়ান নালিকা ঘাসফড়িং এর প্রধান রেচন অঙ্গ, এছাড়াও ইউরেট কো, কিউটিকল ইত্যাদি আনুষঙ্গিক রেচন অঙ্গ আছে।
উদ্দীপক সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়াটি হল রেচন।
আমিষজাতীয় খাদ্য বিপাকে সৃষ্ট নাইট্রোজেন ঘটিত বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশনের প্রক্রিয়াকে রেচন বলে। ঘাসফড়িং এর প্রধান রেচন অঙ্গ হল ম্যালপিজিয়ান নালিকা। এছাড়াও কিছু অতিরিক্ত রেচন অঙ্গ রয়েছে। এগুলো হলো ইউরেট কোষ, ইউরিকোজ গ্রন্থি, নেফ্রোসাইট ও কিউটিকল।
ম্যালপিজিয়ান নালিকা মেসেন্টেরন ও ইলিয়ামের সংযোগস্থলে হিমোসিলে অবস্থিত। এটি ২৫ mm লম্বা,১mm ব্যাসযুক্ত। এর মধ্যে লুমেন,এপিথেলিয়াল কোষ, মাইক্রোভিলাই,ব্রাশ বর্ডার ইত্যাদি বিদ্যমান।
প্রতিটি ম্যালপিজিয়ান নালিকার গোড়ার অংশ নিঃসরণের (বা ক্ষরনের) জন্য এবং প্রান্তিয় অংশ শোষনের জন্য অভিযোজিত। এ নালিকার মুক্ত,বদ্ধ প্রান্ত হিমোলিম্ফে ভাসমান থেকে পানি, পটাশিয়াম ইউরেট আয়ন,CO2 ইত্যাদি শোষন করে।এগুলো নালিকার ভিতরে নির্দিষ্ট এনজাইমের প্রভাবে পটাসিয়াম বাইকার্বনেট, পানীয ও ইউরিক এসিডে পরিণত হয়। গোড়ার অংশ দ্বারা কিছু পানি ও বাইকার্বনেট সমূহ পুণঃশোষিত হয়ে পুনরায় হিমলিম্ফে ফিরে আসে। রেচন বর্জ্যরুপে ইউরিক অ্যাসিড বাকি পানির সাথে পৌষ্টিকনালীর গহবরে প্রবেশ করে।মলাশয়ে অধিকাংশ পানি পুনঃশোষিত হয়। ইউরিক অ্যাসিড কঠিন মলের সাথে বর্জ্য পদার্থ রূপে পায়ু পথে দেহ ত্যাগ করে। এভাবে ঘাসফড়িংয়ে রেচনকার্য সম্পন্ন হয়।