আমিষ পরিপাক হয়ে অ্যামিনো এসিডে পরিণত হয়। অ্যামিনো এসিড শক্তি উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। এ প্রক্রিয়ায় কিছু নাইট্রোজেন ঘটিত রেচন পদার্থের সৃষ্টি হয়। মূত্র মানুষের প্রধান রেচন পদার্থ এবং বৃদ্ধ প্রধান রেচন অঙ্গ।
ফটোফসফোরাইলেশন: সালোকসংশ্লেষণের সময় ADP সৌরশক্তি গ্রহণ করে ATP তে পরিণত হয়। এ প্রক্রিয়াকে ফটোফসফোরাইলেশন বলে।
উদ্ভিদের জীবনে প্রস্বেদন একটি অনিবার্য প্রক্রিয়া। প্রস্বেদন উদ্ভিদের পানি শোষণে সাহায্য করে। উদ্ভিদ প্রস্বেদনের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত পত্রফলক কর্তৃক শোষিত তাপশক্তি হ্রাস করে পাতার কোষগুলোর তাপমাত্রা সহনশীল পর্যায়ে রাখে। গুরুত্বপূর্ণ এই প্রক্রিয়াটি উদ্ভিদের বহু ধরনের উপকার করলেও কিছু অপকারী ভূমিকাও রয়েছে। যেমন- অতিরিক্ত প্রস্বেদনের জন্য উদ্ভিদের পানি ও খনিজ লবণের ঘাটতি হয়, এমনকি উদ্ভিদের মৃত্যুও হতে পারে। এজন্য প্রস্বেদনকে অতি প্রয়োজনীয় অমঙ্গল বা Necessary evil বলা হয়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত অঙ্গটি হলো বৃক্ক। বৃক্কের কার্যগত ও গঠনগত একক হলো নেফ্রন। নিম্নে নেফ্রনের চিহ্নিত চিত্র উপস্থাপন করা হলো-
উদ্দীপকে উল্লিখিত অঙ্গটি হলো বৃক্ক। বৃক্ক ঠিকমতো কাজ না করলে বা বিকল হলে তা প্রতিকারের উপায় হলো ডায়ালাইসিস অথবা প্রতিস্থাপন। নিম্নে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
ডায়ালাইসিস: বৃক্ক সম্পূর্ণ অকেজো বা বিকল হবার পর বৈজ্ঞানিক উপায়ে রক্ত পরিশোধিত করার নাম ডায়ালাইসিস। সাধারণত 'ডায়ালাইসিস মেশিনের' সাহায্যে রক্ত পরিশোধন করা হয়। এ মেশিনের ডায়ালাইসিস টিউবটির এক প্রান্ত রোগীর হাতের কব্জির ধমনির সাথে এবং অন্য প্রান্ত আরেক হাতের কব্জির শিরার সাথে সংযোজন করা হয়। ধমনি থেকে রক্ত টিউবটির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করানো হয়। এর প্রাচীর আংশিক বৈষম্যভেদ্য হওয়ায় ইউরিয়া, ইউরিক এসিড ও অন্যান্য ক্ষতিকর পদার্থ বাইরে বেরিয়ে আসে। পরিশোধিত রক্ত রোগীর দেহের শিরার মধ্য দিয়ে দেহের ভিতর পুনরায় প্রবেশ করে। এখানে উল্লেখ্য যে, ডায়ালাইসিস টিউবটি এমন একটি তরলের মধ্যে ডুবানো থাকে, যার গঠন রক্তের প্লাজমার অনুরূপ হয়। এভাবে ডায়ালাইসিস মেশিনের সাহায্যে নাইট্রোজেন জাতীয় ক্ষতিকর বর্জ্য পদার্থ (ইউরিয়া এবং অন্যান্য বর্জ্য পদার্থ) বাইরে নিষ্কাশিত হয়। তবে এটি একটি ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া।
প্রতিস্থাপন: যখন কোনো ব্যক্তির কিডনি বিকল বা অকেজো হয়ে পড়ে তখন কোনো সুস্থ ব্যক্তির কিডনি তার দেহে প্রতিস্থাপন করা যায়। তখন তাকে কিডনি সংযোজন বলে। কিডনি সংযোজন দুভাবে করা যায়- কোনো নিকট আত্মীয়ের কিডনি অথবা কোনো মৃত ব্যক্তির কিডনি রোগীর দেহে প্রতিস্থাপন করা যায়। নিকট আত্মীয় বলতে বাবা, মা, ভাই, বোন, মামা, খালাকে বোঝায়। তাছাড়া মরণোত্তর চক্ষুদানের মতো মরণোত্তর কিডনি দানের মাধ্যমে একজন কিডনি বিকল বা অকেজো রোগীর জীবন বাঁচানো সম্ভবপর হয়। উপরোক্ত দুটি উপায়ের যেকোনো একটি দিয়ে বিকল কিডনির সমস্যা প্রতিকার করা যায়।
