A. Nayan
A. Nayan
22 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘আমিত্বকে বলি দিয়া…’ জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ ২০২৬ – জীবন বিনিময়, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)


Listen to this article
🏢 প্রতিষ্ঠান: জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, সিলেট📅 সাল: ২০২৬⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

আমিত্বকে বলি দিয়া স্বার্থ ত্যাগ করো যদি,

পরের হিতের জন্য ভাবো যদি নিরবধি

নিজ সুখ ভুলে গিয়ে ভাবিলে পরের কথা

 তবেই পাইবে সুখ আত্মার ভিতরে তুমি। 

উত্তর:

সুপ্তিমগ্ন বলতে ঘুমে অচেতন অবস্থাকে বোঝায়।

উত্তর:

পুত্রের মৃত্যু আশঙ্কায় সম্রাট বাবরের চোখে ঘুম নেই।

সম্রাট বাবরের পুত্র হুমায়ুন কঠিন রোগে আক্রান্ত। তার চারদিকে মরণ অন্ধকার ঘিরে আসছে। পুত্রের রোগমুক্তির কোনো লক্ষণ নেই। হাকিম, কবিরাজ, দরবেশ সবাই ব্যর্থ। পুত্রের মৃত্যুর কথা ভেবে সম্রাট বাবর কেঁদে কেঁদে ফিরছেন। তাঁর চোখে ঘুম নেই। পুত্রের জীবনের করুণ পরিণতির কথা ভেবেই তিনি ঘুমাতে পারছেন না। তাঁর এ অবস্থার কথা ভেবেই কবি বলেছেন, 'নিদ নাহি চোখে তাঁর।'

উত্তর:

উদ্দীপকে 'জীবন বিনিময়' কবিতার পুত্রের সুস্থতার জন্য বাদশা বাবরের প্রাণ উৎসর্গ করার দিকটি ফুটে উঠেছে।

'জীবন বিনিময়' কবিতায় পিতৃস্নেহের এক মহৎ দৃষ্টান্ত উপস্থাপিত হয়েছে। পিতার স্নেহ-বাৎসল্যের কাছে মৃত্যুর পরাজয় এই কবিতার প্রতিপাদ্য বিষয়। পুত্রের জীবন বাঁচাতে বাদশা বাবর নিজের প্রাণ উৎসর্গ করতেও কুণ্ঠিত হননি।

উদ্দীপকে পরার্থপর মানসিকতার প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। আমিত্বের গৌরব বিসর্জন দিয়ে অন্যের কল্যাণে আত্মনিবেদনের মধ্যেই প্রকৃত সুখ নিহিত। নিজের স্বার্থ ত্যাগ করার মধ্যেই মানবজীবনের মাহাত্ম্য জড়িত। বিষয়টি 'জীবন বিনিময়' কবিতায় বর্ণিত পুত্রের জন্য পিতার আত্ম-উৎসর্গের দিকটি ফুটিয়ে তুলেছে।

উত্তর:

উদ্দীপকে অন্যের জন্য আত্ম-উৎসর্গের দিকটি অনুপস্থিত থাকায় উদ্দীপকটি 'জীবন বিনিময়' কবিতার সমগ্র ভাব ধারণ করেনি।

'জীবন বিনিময়' কবিতায় পুত্র হুমায়ুনের সুস্থতার জন্য পিতা বাবরের 'আত্মত্যাগের মহৎ দৃষ্টান্ত উপস্থাপিত হয়েছে। হুমায়ুন দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হলে বাদশা বাবর রাজার বিজ্ঞ-হেকিম-কবিরাজ দরবেশদের ডাকেন। এতেও হুমায়ুন সুস্থ না হলে এক দরবেশের পরামর্শে বাবর সন্তানের জন্য নিজের প্রাণ উৎসর্গ করেন।

উদ্দীপকের কবিতাংশে পরার্থপর মানসিকতার দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। অপরের কল্যাণে কাজ করার মধ্যেই প্রকৃত সুখ নিহিত। এজন্য আমিত্বের অহংকার বিসর্জন দিতে হবে। বিষয়টি 'জীবন বিনিময়' কবিতার সন্তানের কল্যাণে আত্মনিবেদনের দিকটি ফুটিয়ে তুলেছে।

উদ্দীপকে অন্যের কল্যাণে আত্মনিবেদনের বিষয়ে ইঙ্গিত থাকলেও আত্ম-উৎসর্গের দিকটি অনুপস্থিত। বাদশা বাবরের পুত্র হুমায়ুন দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হলে তিনি শুধু সন্তানের সুস্থতায় সর্বাত্মক করেই ক্ষ্যান্ত হননি। সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে এক দরবেশের পরামর্শে নিজের প্রাণ বিনিময় করে ছেলেকে সুস্থ করার কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকটি 'জীবন বিনিময়' কবিতার সমগ্র ভাব ধারণ করেনি।

8 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘আমিত্বকে বলি দিয়া…’ জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ ২০২৬ – জীবন বিনিময়, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)”