A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘আমরা খাদ্য হিসেবে…’ সরকারি আজিজুল হক কলেজ ২০২৫ – উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৯ম অধ্যায় — উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব🔢 সৃজনশীল নং ১০৭🏢 প্রতিষ্ঠান সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

আমরা খাদ্য হিসেবে যে শর্করা গ্রহণ করি তা অক্সিজেনের উপস্থিতিতে শক্তি উৎপন্ন করে আমাদের যাবতীয় কার্যাবলি পরিচালিত করে থাকে। কখনো কখনো জীবকোষের বাইরেও অক্সিজেন ছাড়াই সামান্য পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয়ে থাকে। উক্ত প্রক্রিয়াটি কৃত্রিমভাবে ব্যবহার করে মানবকল্যাণ সাধন করা হয়।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৯

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

পাইরুভিক এসিডের রাসায়নিক সংকেত হলো: CH3−CO−COOH

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

অধিক সার প্রয়োগ করা হলে গাছের শিকড় ও কান্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে গাছ মারা যায়। উদ্ভিদের গোড়ায় প্রয়োগকৃত অতিরিক্ত সারে দ্রবণীয় লবণ, মূলের কোষকলা থেকে জলীয় উপাদান বাইরে শোষণ করে। ফলে গাছ নেতিয়ে পড়ে এবং বৃদ্ধি থেমে যায়। তাছাড়া এই লবণ বা আয়ন উদ্ভিদের ভেতর প্রবাহিত হয়ে পাতায় পৌঁছায় এবং বাষ্পমোচনের ফলে সেখানেই ঘণীভূত হয়ে সার পোড়া রোগ দেখা দেয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের দ্বিতীয় প্রক্রিয়াটি দ্বারা অবাত শ্বসনকে নির্দেশ করা হয়েছে। একে অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে ফার্মেন্টেশন প্রক্রিয়াও বলা হয়ে থাকে। এ প্রক্রিয়ায় জীবকোষের বাইরে শর্করা থেকে পাইরুভিক এসিড এবং সেখান থেকে যেসকল রাসায়নিক দ্রব্য তৈরি হতে পারে তা নিচে আলোচনা করা হলো- 

১. অ্যালকোহলিক ফার্মেন্টেশন তথা ইথানল সৃষ্টি: এটি দুই ধাপে সম্পন্ন হয়। প্রথম ধাপে কার্বোক্সিলেজ এনজাইমের কার্যকারিতায় পাইরুভিক এসিড এক অণু CO2 বের করে দিয়ে অ্যাসিটান্ডিহাইড উৎপন্ন করে এবং দ্বিতীয় ধাপে অ্যালকোহল ডিহাইড্রোজিনেজ এনজাইমের কার্যকারিতায় অ্যাসিটান্ডিহাইড, NADH+H+ হতে দুটি হাইড্রোজেন গ্রহণ করে ইথানল উৎপন্ন করে এবং NAD মুক্ত হয়ে যায়।

২. ল্যাকটিক এসিড সৃষ্টি: ল্যাকটিক এসিড ডিহাইড্রোজিনেজ এনজাইমের কার্যকারিতায় পাইরুভিক এসিড NADH+H+ হতে হাইড্রোজেন গ্রহণ করে ল্যাকটিক এসিডে পরিণত হয়। ল্যাকটিক এসিড সৃষ্টিকালে কোনো প্রকার CO2 উৎপন্ন হয় না। উচ্চ শ্রেণির উদ্ভিদে ল্যাকটিক এসিড সৃষ্টি হয় না। কতিপয় ব্যাকটেরিয়াতে, প্রাণীতে, বিশেষ করে পেশিতে এটি সৃষ্টি হয়। দৌড়বিদদের মাংসপেশির কোষে ল্যাকটিক এসিড তৈরি হয়। দৌড়ানোর সময় পায়ের পেশি অধিক সঞ্চালিত হয় ফলে কোষে সঞ্চিত ATP ৫-৬ সেকেন্ডের মধ্যে শেষ হয়ে যায়। সবাত শ্বসনের মাধ্যমে নতুন ATP তৈরি হয়ে প্রয়োজনীয় শক্তি সরবরাহ করতে চেষ্টা করে কিন্তু দ্রুততার কারণে পেশিতে অক্সিজেনের অভাব দেখা যায়। এ সময় পেশি কোষে অবাত শ্বসনের মাধ্যমে ল্যাকটিক এসিড তৈরি হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

অবাত শ্বসন, যা গাঁজন নামেও পরিচিত, প্রকৃতির একটি অপরিহার্য প্রক্রিয়া যা অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে ঘটে। নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক এবং এমনকি কিছু প্রাণী সহ অনেক জীব যারা এমন পরিবেশে অভিযোজিত হয়েছে যেখানে অক্সিজেনের মাত্রা কম বা অনুপস্থিত ,বা যেটা জীবিত থাকার জন্য পর্যাপ্ত নয় তখন শক্তি উৎপন্ন করার জন্য অবাত শ্বসনের উপর নির্ভর করে। উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রক্রিয়াটি হল অবাত শ্বসন। জীবকুলের ক্ষেত্রে এটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

কেননা, অবাত শ্বসন বাস্তুতন্ত্রে পুষ্টির পুনর্ব্যবহারে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি জৈব পদার্থ, যেমন মৃত গাছপালা এবং প্রাণীকে ভেঙে সরল যৌগগুলিতে পরিণত করে, পুষ্টিগুলিকে পরিবেশে ফিরিয়ে দেয়। মিথেনজেনিক ব্যাকটেরিয়া, যা অবাত শ্বসনের মাধ্যমে বাঁচে , মিথেন চক্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তারা একটি উপজাত হিসাবে মিথেন গ্যাস উত্পাদন করে, যা বিশ্বব্যাপী কার্বন চক্রে অবদান রাখে। জলাভূমি, যেমন জলাভূমি এবং জলাভূমি, জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ এবং অবাত শ্বসনের জন্য একটি আদর্শ পরিবেশ প্রদান করে।এগুলো বিভিন্ন উদ্ভিদ এবং প্রাণী প্রজাতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল হিসাবে কাজ করে। কিছু প্রাণী, যেমন নির্দিষ্ট প্রজাতির মাছ এবং সরীসৃপ, অভিযোজিত হয়েছে এমন ভাবে যে তাদের অক্সিজেন সংকটাপন্ন পরিবেশে টিকে থাকতে সাহায্য করে , যেমন মজা পুকুর বা কাদা পুর্ন জলাভূমি ।অবাত শ্বসনের মাধ্যমেই এই অবস্থায় তারা তাদের খাদ্য থেকে শক্তি উৎপাদন করতে সক্ষম হয়। গভীর সমুদ্রে, যেখানে অক্সিজেনের মাত্রা কম বা অনুপস্থিত ব্যাকটেরিয়া এবং অন্যান্য জীব শক্তি উৎপন্ন করতে হাইড্রোজেন সালফাইডের মত রাসায়নিক যৌগ ব্যবহার করে।মানুষের সহ প্রাণীদের গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ট্র্যাক্টেও অবাত শ্বসনের প্রভাব উল্লেখযোগ্য। এটি অন্ত্রে সিম্বিওটিক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা জটিল কার্বোহাইড্রেট হজমে সাহায্য করে, উপকারী পদার্থ যেমন শর্ট-চেইন ফ্যাটি অ্যাসিড তৈরি করে। অবাত শ্বসন বায়োগ্যাস তৈরির জন্য দায়ী। বায়োগ্যাসকে নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস হিসেবে ব্যবহার করা হয় এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে সাহায্য করে। সামগ্রিকভাবে, অবাত শ্বসনের বিভিন্ন জৈবিক ও শিল্প প্রক্রিয়ায় তাৎপর্য রয়েছে, যা জীবকে অক্সিজেন-সীমিত পরিবেশে বেঁচে থাকতে এবং উন্নতি করতে দেয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘আমরা খাদ্য হিসেবে…’ সরকারি আজিজুল হক কলেজ ২০২৫ – উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”