A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘”আমরা নূতন যৌবনেরই…’ মাইলস্টোন কলেজ ২০২৬ – আঠারো বছর বয়স, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পদ্য🧩 অধ্যায় ১৯তম অধ্যায় — আঠারো বছর বয়স🔢 সৃজনশীল নং ৪০🏢 প্রতিষ্ঠান মাইলস্টোন কলেজ, ঢাকা📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

“আমরা নূতন যৌবনেরই দূত।

আমরা চঞ্চল, আমরা অদ্ভুত।

আমরা বেড়া ভাঙি,
আমরা অশোকবনের রাঙা নেশায় রাঙি,

ঝঞ্ঝার বন্ধন ছিন্ন করে দিই,

আমরা বিদ্যুৎ।

আমরা করি ভুল-

অগাধ জলে ঝাঁপ দিয়ে

যুঝিয়ে পাই কূল।
যেখানে ডাক পড়ে

জীবন মরণ-ঝড়ে আমরা প্রস্তুত।”

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১৯

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

'ছাড়পত্র' একটি কাব্যগ্রন্থ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

"এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য।"- উক্তিটির মাধ্যমে দেশ, জাতি ও মানবতার সুন্দর ও কল্যাণে তরুণদের রক্তমূল্য দেওয়ার সাহসী চেতনাকে বোঝানো হয়েছে।
'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি মানবজীবনের আঠারো বছর বয়সের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। অদম্য দুঃসাহসে সব বাধাবিপত্তি পেরিয়ে যাওয়া এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর তারুণ্যশক্তিই প্রগতি ও পরিবর্তনের ধারক। তারুণ্যশক্তিই জরাগ্রস্ত সমাজ ভেঙে নতুন সমাজ গড়ে তুলতে পারে। দেশ, জাতি ও মানবতার জন্য তরুণরাই যুগে যুগে এগিয়ে গেছে সবচেয়ে বেশি। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দাঁড়িয়েছে সমস্ত বিপদ মোকাবিলায়। প্রাণ দিয়েছে অজানাকে জানার জন্য, দেশ ও জনগণের মুক্তি ও কল্যাণের সংগ্রামে। তরুণরাই সুন্দর, শুভ ও কল্যাণের জন্য রক্তমূল্য দিতে জানে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের 'আমরা করি ভুল'- এ চরণের সাথে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তরুণ সমাজের সকল বিপদ মোকাবিলার দিকটির সাদৃশ্য রয়েছে।
'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি আঠারো বছর বয়সের অফুরন্ত প্রাণশক্তির কথা বলেছেন। আত্মশক্তিতে বলীয়ান তরুণরা এ সময় নানা দুঃসাহসী সিদ্ধান্ত নেয়। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তারা সমস্ত বিপদ মোকাবিলায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
উদ্দীপকের 'আমরা করি ভুল' চরণের মাধ্যমে কবি তরুণ সমাজের দুঃসাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়ার দিকটির প্রতি ঈঙ্গিত করেছেন। দেশ, জাতি ও মানবতার জন্য এ বয়সের তরুণরা নানাবিধ ঝুঁকি নিতেও পিছপা হয় না। 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায়ও কবি আঠারো বছর বয়সিদের দুঃসাহসী পরিকল্পনা গ্রহণের ঝুঁকি নেওয়ার বিষয়টির প্রতি গুরুত্বারোপ করেছে। এ বয়সের তরুণরা দেশ ও জাতির কল্যাণে অকাতরে নিজেদের বিলিয়ে দিতে প্রস্তুত। উদ্দীপকের 'আমরা করি ভুল' চরণের সাথে এদিক থেকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার সাদৃশ্য বিদ্যমান।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় বর্ণিত তরুণরা দেশ ও জাতির কল্যাণে আত্মোৎসর্গের সাথে উদ্দীপকের "যেখানে ডাক পড়ে জীবন মরণ-ঝড়ে আমরা প্রস্তুত" পঙ্ক্তিটি সংতিপূর্ণ।
'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি তারুণ্যের দুঃসাহসী ও অফুরন্ত প্রাণশক্তির কথা বলেছেন। তারা দেশ ও জাতির কল্যাণে অসীম সাহস নিয়ে দুর্বার গতিতে চলতে পারে। তারা দেশের কল্যাণে আত্মত্যাগ করতে দ্বিধা করে না।
উদ্দীপকের "যেখানে ডাক পড়ে জীবন-মরণ ঝড়ে আমরা প্রস্তুত" পঙ্ক্তিতে তরুণদের দুঃসাহসী মনোভাবকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। তরুণরা দেশ ও জাতির সংকটকালে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। এমনকি আত্মত্যাগেও দ্বিধা করে না। 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায়ও কবি তারুণ্যের জয়গান গেয়েছেন। দেশ, জাতি ও মানবতার জন্য যুগে যুগে তরুণদের আত্মত্যাগকে তুলে ধরেছেন।
'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি দেখিয়েছেন তারুণ্য স্বপ্ন দেখে নতুন জীবনের, নব নব অগ্রগতি সাধনের। দেশ, জাতি ও মানবতার জন্য যুগে যুগে এ বয়সের মানুষই এগিয়ে গেছে সবচেয়ে বেশি। প্রাণ দিয়েছেন অজানাকে জানার জন্য, দেশ ও জনগণের মুক্তি ও কল্যাণের সংগ্রামে প্রগতি ও অগ্রগতির পথে নিরন্তর ধাবমানতাই এ বয়সের বৈশিষ্ট্য। উদ্দীপকের "যেখানে ডাক পড়ে জীবন মরণ-ঝড়ে আমরা প্রস্তুত” পঙ্ক্তিতেও তারুণ্যের আত্মত্যাগের মহিমা ঘোষিত হয়েছে। তাই বলা যায় যে, 'আঠারো বছর বয়স' কবিতা ও উদ্দীপকের আলোচ্য পঙ্ক্তি তারুণ্যের বৈশিষ্ট্য প্রকাশে সংগতিপূর্ণ হয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘”আমরা নূতন যৌবনেরই…’ মাইলস্টোন কলেজ ২০২৬ – আঠারো বছর বয়স, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”