A. Nayanㅤ
A. Nayan
16 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘আনোয়ার সাহেব এবং…’ আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ ২০২৬ – সরকার কাঠামো ও সরকারের অঙ্গসমূুহ, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই পৌরনীতি ও সুশাসন📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পৌরনীতি ও সুশাসন🧩 অধ্যায় ৭ম অধ্যায় — সরকার কাঠামো ও সরকারের অঙ্গসমূুহ🔢 সৃজনশীল নং ১৪৯🏢 প্রতিষ্ঠান আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

আনোয়ার সাহেব এবং রফিক সাহেব একটি শিল্প প্রতিষ্ঠানের দুটি স্বতন্ত্র বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। আনোয়ার সাহেবের বিভাগ প্রতিষ্ঠান পরিচালনাসংক্রান্ত যাবতীয় নীতিমালা প্রণয়ন করে থাকে। এসব নীতিমালার আলোকে রফিক সাহেবের বিভাগ প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করে। আনোয়ার সাহেবের বিভাগ অর্থের আয়-ব্যয়সংক্রান্ত যে বাজেট অনুমোদন করে সে অনুযায়ী রফিক সাহেবের বিভাগ অর্থ ব্যয় করে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৭

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

'Demos' শব্দের অর্থ হলো জনগণ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ক্ষমতাস্বতন্ত্রীকরণ নীতি হলো সরকারের তিনটি প্রধান বিভাগ-আইন, শাসন ও বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র বা আলাদা রেখে নিজ নিজ ক্ষেত্রে স্বাধীনভাবে কাজ করার ব্যবস্থা। এ নীতির মূল উদ্দেশ্য হলো একই ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর হাতে সব ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত না রাখা, যাতে কেউ স্বেচ্ছাচারী হতে না পারে এবং নাগরিক অধিকার ও ব্যক্তিস্বাধীনতা অক্ষুণ্ণ থাকে। এ পদ্ধতিতে প্রতিটি বিভাগ অন্যের কাজে হস্তক্ষেপ না করে নিজস্ব কর্মক্ষেত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ থেকে দায়িত্ব পালন করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে বর্ণিত আনোয়ার সাহেবের বিভাগটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনার নীতিমালা প্রণয়ন এবং বাজেট অনুমোদন করে, যা সরকারের আইন বিভাগের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

আইন বিভাগ হলো রাষ্ট্রের জনসাধারণের প্রতিনিধিত্বমূলক প্রতিষ্ঠান এবং সরকারের নীতি নির্ধারক যন্ত্র। আইন বিভাগের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-

আইন প্রণয়ন: আইন বিভাগের প্রধান কাজ হলো রাষ্ট্রের মূলনীতির আলোকে প্রয়োজনীয় নতুন আইন প্রণয়ন করা এবং পুরাতন আইনের সংশোধন বা পরিবর্তন করা।

অর্থসংক্রান্ত কাজ: আইনসভা জাতীয় অর্থ তহবিলের অভিভাবক হিসেবে কাজ করে। আইনসভার অনুমোদন ব্যতীত সরকার কোনো কর ধার্য করতে পারে না এবং বার্ষিক বাজেট অনুমোদনের মাধ্যমেই সরকার অর্থ ব্যয়ের বৈধতা পায়।

সংবিধান প্রণয়ন ও সংশোধন: আইনসভা রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন তথা সংবিধান রচনা করে এবং যুগের প্রয়োজনে তা সংশোধন করে থাকে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের আনোয়ার সাহেবের বিভাগ (আইন বিভাগ) এবং রফিক সাহেবের বিভাগ (শাসন বিভাগ) একটি আদর্শ সরকার কাঠামোর অবিচ্ছেদ্য অংশ। আমি মনে করি, একটি কার্যকর ও গণতান্ত্রিক সরকারব্যবস্থার জন্য এই উভয় বিভাগের মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখা অপরিহার্য।
সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারব্যবস্থায় আইন বিভাগ ও শাসন বিভাগের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিদ্যমান থাকে। শাসন বিভাগ তার প্রতিটি নীতি ও কাজের জন্য আইনসভার নিকট জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকে। আইনসভা যদি প্রশ্ন জিজ্ঞাসা, নিন্দা প্রস্তাব বা অনাস্থা প্রস্তাবের মাধ্যমে শাসন বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে, তবে সরকার স্বৈরাচারী হয়ে ওঠার আশঙ্কা থাকে। আবার শাসন বিভাগ আইন অনুযায়ী দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে না পারলে রাষ্ট্রের শান্তিশৃঙ্খলা ব্যাহত হয়।

ক্ষমতার ভারসাম্য নীতি অনুযায়ী, একটি বিভাগ অন্যটির ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে যাতে কেউ এককভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করতে না পারে। উদাহরণস্বরূপ, আইন বিভাগ বাজেট ও আইন প্রণয়ন করে শাসন বিভাগকে সীমাবদ্ধ রাখে, আবার শাসন বিভাগ আইনসভার গৃহীত নীতিগুলো বাস্তবায়ন করে রাষ্ট্র পরিচালনা করে। এই দুই বিভাগের মধ্যে কাজের সমন্বয়ের অভাব ঘটলে সুশাসন ব্যাহত হয় এবং জাতীয় অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হয়।

সুতরাং বলা যায়, ক্ষমতার নিরঙ্কুশ পৃথকীকরণ রাষ্ট্রকে নিষ্প্রাণ করে দেয়, তাই কার্যকর শাসনব্যবস্থার জন্য এদের পারস্পরিক সহযোগিতা ও নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ভারসাম্য রক্ষা করা জরুরি। আইন ও শাসন বিভাগের এই ভারসাম্যপূর্ণ সহাবস্থানই নাগরিক অধিকার রক্ষা এবং একটি স্থিতিশীল ও দায়িত্বশীল সরকার নিশ্চিত করার মূল চাবিকাঠি।  

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘আনোয়ার সাহেব এবং…’ আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ ২০২৬ – সরকার কাঠামো ও সরকারের অঙ্গসমূুহ, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এইচএসসি)”