| ㅤ | A. Nayan18 Oct 2026 (1 week ago) |
সৃজনশীলঃ ‘আর্দ্র মৌসুমি জলবায়ু…’ ঢাকা সিটি কলেজ ২০২৫ – কৃষি, ভূগোল, ভূগোল ২য় পত্র (এইচএসসি)

আর্দ্র মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলে অবস্থিত একটি জনবহুল দেশের বেশিরভাগ মানুষ কৃষিকাজের সাথে যুক্ত রয়েছে। দেশটিতে ঋতুভেদে ভিন্ন ভিন্ন ফসলের আবাদ করা হয়। কৃষিকাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে আর্থিক, প্রযুক্তিক, ট্রেনিং ও মাঠ পর্যায়ে নানা ধরনের সাহায্য-সহযোগিতা প্রদানে দেশটির বিভিন্ন সংস্থা কাজ করে যাচ্ছে।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ৪
যেসব অধাতব খনিজ ব্যবহার করে শক্তি উৎপাদনের মধ্যমে বিভিন্ন প্রকার শিল্পকারখানা চালানোর মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নতিকে ত্বরান্বিত করা যায় তাদেরকে শক্তি সম্পদ বলে।
বাংলাদেশ ধান গবেষণা প্রতিষ্ঠান (Bangladesh Rice Research Institute-BRRI) ১ অক্টোবর ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি সংস্থা। এর সদর দপ্তর গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত। প্রতিষ্ঠানটি মূলত ধানের উচ্চফলনশীল জাত আবিষ্কারের ক্ষেত্রে গবেষণা করে থাকে।
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত দেশটি হলো বাংলাদেশ। উক্ত দেশের কৃষিক্ষেত্রের প্রাকৃতিক নিয়ামক ব্যাখ্যা করা হলো-
জলবায়ু: বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে জলবায়ু সমভাবাপন্ন। এ অঞ্চলের মৌসুমি বায়ুপ্রবাহ বিদ্যমান। শীতকালে উত্তর দিকে মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হয় ফলে বৃষ্টিপাত কম হয়। তখন রবিশস্য ফসল উৎপাদন হয়ে থাকে। গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ দিক থেকে জলীয়বাষ্পপূর্ণ মৌসুমি বায়ু উত্তর দিকে আসতে থাকে বলে এ সময় বৃষ্টিপাত হয়। এসময় গ্রীষ্মকালীন ফসল উৎপাদন হয়ে থাকে।
ভূপ্রকৃতি: বাংলাদেশের ৮০ ভাগ ভূপ্রকৃতি হলো সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি দ্বারা গঠিত। বর্ষাকালে নদীর পানি ফুলে গিয়ে নিম্নভূমি প্লাবিত হয়। এতে জমিতে পলি পড়ে জমি উর্বর হয়। ফলে এখানে কৃষিকাজ ভালো হয়। বিশেষ করে ধান, পাট, সরিষা, কলাই প্রভৃতি ভালো জন্মে।
মৃত্তিকা: এদেশের মাটি পলি দোআঁশ প্রকৃতির যার কারণে এখানে উক্ত ফসল ভালো জন্মে।
উদ্ভিদ: বাংলাদেশের টারশিয়ারী যুগের পাহাড় রয়েছে। যেখানে নানা ধরনের উদ্ভিদ রয়েছে। এতে নানা প্রকার ফল উৎপন্ন হয়।
সুতরাং বলা যায় যে, বাংলাদেশের জলবায়ু সমভাবাপন্ন হওয়ায় এখানে বিভিন্ন রকম ফসল উৎপাদন হয়ে থাকে।
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত দেশটি হলো বাংলাদেশ। বাংলাদেশে যেসব কৃষি সংস্থা রয়েছে এর মধ্যে প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। নিচে উক্ত কৃষি সংস্থার অবদান মূল্যায়ন করা হলো-
বাংলাদেশে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট রয়েছে যারা নতুন নতুন বীজের উদ্ভাবন, পুরনো কম উৎপাদনশীল বীজের পরিবর্তে উচ্চ ফলনশীল ধানবীজের উদ্ভাবন এবং ধানের উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা সংস্থা এ সংস্থার সাথে বিভিন্ন ইস্যুতে জড়িত আছে। এ সংস্থা ইতোমধ্যে বাংলাদেশের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া আইলা, সিডরের ফলে উপকূলীয় অঞ্চলে ফসলের যে উৎপাদন ব্যাহত রয়েছে তা পুষিয়ে নিতে নতুন বন্যা প্রতিরোধ ও লবণসহিষ্ণু বীজ উৎপাদন করে থাকে। যেমন-
কর্তৃক উদ্ভাবিত প্রথম জাতের ধান বি আর (চন্দনা) এবং দুটি হাইব্রিড জাত হলো ব্রি হাইব্রিড ধান-১, ব্রি হাইব্রিড ধান-২। এ সংস্থা উন্নত জাতের উফসি ধানের চাষ এবং আধুনিক পদ্ধতিতে ব্যবহারের প্রবর্তনের বীজ উদ্ভাবন করেন।
সুতরাং বলা যায় যে, বাংলাদেশের উল্লিখিত সংস্থা কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।