A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘আসামের চা বাগানে…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৫ – লালসালু, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ নাটক ও উপন্যাস🧩 অধ্যায় ২য় অধ্যায় — লালসালু🔢 সৃজনশীল নং ১১০🏫 বোর্ড ঢাকা বোর্ড📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

আসামের চা বাগানে কুলি জোগাড় করা খুবই কঠিন। দলে দলে লোক কালাজ্বরে মরে। মজুর খাটতে সেখানে কোনো লোক যেতে চায় না। সেই সমস্যা নিরসনে এবং কমিশন পাওয়ার লোভে সুন্দরলাল সাঁওতাল পরগনার অশিক্ষিত, অসহায় ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষদের শিং বোঙ্গার দৈববাণীর ভয় দেখিয়ে কুলির কাজ করতে বাধ্য করায়।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

সাত ছেলের বাপের নাম দুদু মিঞা।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

"দুনিয়াটা বড় বিচিত্র জায়গা।"- দুনিয়ায় বাস করতে গেলে সময়ে-অসময়ে মিথ্যা কথা না বললেই নয় এ প্রসঙ্গে মজিদ এ উক্তিটি করেছে।
'লালসালু' উপন্যাসের ঘটনাংশে মজিদ মহব্বতনগরের আহত লোকদের দেখতে করিমগঞ্জ হাসপাতালে যায়। অসুস্থ লোকদের দেখাশোনা করে গ্রামে ফিরে এসে মজিদ গুরুতর আহত কালু মিয়ার বাপকে বলে, সেখানে তার ছেলের সেবা-যত্ন ও ওষুধ-প্রথ্যের কোনো অভাব নেই। কারণ হাসপাতালের ডাক্তার তার মুরিদ। এ কথাটা অবশ্য মিথ্যা, তবু মজিদ জেনে-শুনে মিথ্যা কথা বলো। কারণ তার মতে, দুনিয়াটা বড় বিচিত্র জায়গা। এখানে সময়ে-অসময়ে মিথ্যা কথা না বললে চলে না।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের দৈববাণীর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মোদাচ্ছের পিরের মাজারের সাদৃশ্য রয়েছে।
'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের সব শক্তির উৎস হচ্ছে মোদাচ্ছের পিরের মাজার। একটি পরিত্যক্ত প্রাচীন কবরকে মাজার বানিয়ে এর ভয় দেখিয়ে মজিদ ধর্মব্যাবসা শুরু করে। অশিক্ষা, অসচেতনতা ও কুসংস্কারের কারণে গ্রামের সহজ-সরল মানুষ সহজেই তার প্রতারণার ফাঁদে পা দিয়ে দিনের পর দিন শোষিত হতে থাকে।
উদ্দীপকের ঘটনায় দেখা যায়, সুন্দরলাল গ্রামের অশিক্ষিত অসহায় মানুষদের সরল ধর্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে নিজের স্বার্থসিদ্ধি করে নেয়। মানুষের। সরল ধর্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে তাদের বশ করে নেয় এবং শিং বোঙ্গার দৈববাণীর ভয় দেখিয়ে অসহায় মানুষদের কুলির কাজ করতে বাধ্য করে সে। সুন্দরলালের মতো 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদও মানুষের ধর্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে মোদাচ্ছের পিরের মাজারের ভয় দেখিয়ে নিজের শাসন ও শোষণ প্রতিষ্ঠা করে। তার সকল শক্তির উৎস হয়ে ওঠে মাজারটি, যা উদ্দীপকের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের দৈববাণীর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মোদাচ্ছের পিরের মাজারের সাদৃশ্য রয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

কুসংস্কারে বিশ্বাস করে প্রতারিত হওয়ার দিক থেকে বলা যায় "উদ্দীপকের সাঁওতাল পরগনার মানুষগুলো যেন মহব্বতনগরের গ্রামবাসীর প্রতিনিধি" মন্তব্যটি যথার্থ।
'লালসালু' উপন্যাসের পটভূমি রচিত হয়েছে মহব্বতনগর গ্রামকে কেন্দ্র করে। এ গ্রামের মানুষজন শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হওয়ার কারণে কুসংস্কারাচ্ছন্ন। যার ফলে তারা সহজেই স্বার্থান্বেষী মানুষদের দ্বারা প্রতারিত হয়ে থাকে।
উদ্দীপকের ঘটনাংশে দেখা যায়, সাঁওতাল পরগনার মানুষদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে সুন্দরলাল নিজের স্বার্থসিদ্ধি করেছে। সে অশিক্ষিত ও অসহায় মানুষদের দৈববাণীর ভয় দেখিয়ে আসামের চা বাগানে কুলির কাজ করতে যেতে বাধ্য করেছে। গ্রামের কুসংস্কারাছন্ন মানুষরা সরল মনে তাকেই বিশ্বাস করেছে। অন্যদিকে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ গ্রামে প্রবেশ করে একটি পরিত্যক্ত কবরকে মাজার বানিয়ে ভয় দেখায়। গ্রামবাসীরাও সরল মনে বিশ্বাস করে প্রতারিত হয়েছে।
'লালসালু' উপন্যাসে মহব্বতনগর গ্রামের মানুষজন কুসংস্কারে আচ্ছন্ন থাকার কারণে মজিদের প্রতারণার জালে সহজেই পা দিয়েছে। মজিদ তাদের অশিক্ষা, অজ্ঞতা, অসচেতনতা ও অসহায়দের সুযোগ নিয়ে নিজের অবস্থান সুদৃঢ় করার পাশাপাশি প্রভাব-প্রতিপত্তির মালিক হয়ে উঠেছে। তাই সার্বিক দিক পর্যালোচনায় বলা যায়, উদ্দীপকের সাঁওতাল পরগনার মানুষগুলো যেন মহব্বতনগরের গ্রামবাসীর প্রতিনিধি।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘আসামের চা বাগানে…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৫ – লালসালু, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”