A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘আত্মত্যাগের মন্ত্রে উজ্জীবিত…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২৪ – আঠারো বছর বয়স, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পদ্য🧩 অধ্যায় ১৯তম অধ্যায় — আঠারো বছর বয়স🔢 সৃজনশীল নং ১৫🏫 বোর্ড রাজশাহী বোর্ড📅 সাল ২০২৪⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

আত্মত্যাগের মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে রক্তশপথ নিয়ে এগিয়ে চলাই তারুণ্যের ধর্ম। এই বয়সের ধর্মই হলো মাথা নত না করার শপথে উদ্দীপ্ত হওয়া। জড়তা তাদেরকে আচ্ছন্ন করতে পারে না। অফুরান প্রাণচঞ্চলতা ও দুঃসাহসিকতা তরুণদের পথচলার শক্তি জোগায়।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১৯

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

সুকান্ত ভট্টাচার্য একুশ বছর বয়সে মারা যান।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

"এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।"- কথাটির মাধ্যমে কবি তারুণ্যশক্তির জাগরণের মাধ্যমে দেশের মুক্তি ও উন্নতি নিশ্চিত করার দিকটিকে বুঝিয়েছেন।
'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি এ দেশের বুকে আঠারো বছর বয়সের তরুণদের আবির্ভাব প্রত্যাশা করেছেন। তারুণ্যশক্তির কাছে কবির প্রত্যাশা অনেক। আঠারো বছর বয়সের তরুণরা এ দেশটাকে সত্য, 'সুন্দর ও কল্যাণময় করে গড়ে তুলবে। তারা অত্যাচার, উৎপীড়ন প্রতিহত করবে; মহৎ সৃষ্টির আনন্দে উদ্বেলিত হবে। কবির প্রার্থনা, এসব বৈশিষ্ট্য নিয়ে যেন দেশের কল্যাণে, মানবতার সেবায়, জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তিরূপে এ দেশের বুকে আঠারো বছরের তারুণ্যের আবির্ভাব ঘটে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

তারুণ্যের ধর্ম কেমন হয় এদিক থেকে উদ্দীপকের সঙ্গে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার বিষয়বস্তুগত সাদৃশ্য রয়েছে।
তারুণ্য হলো মানবজীবনের উল্লেখযোগ্য একটি সময়। এই সময় মানুষের যতটা প্রাণপ্রাচুর্য থাকে তা আর অন্য সময় পাওয়া যায় না। এই সময় মানুষ নিজের মধ্যে ভাবনার লেশমাত্র না রেখে শুধু দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলে।
'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি তরুণের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের প্রতি আলোকপাত করেছেন। এই বয়সটা হলো এমন এক সময় যখন মানুষ কৈশোরের পরনির্ভরশীলতা ত্যাগ করে স্বনির্ভর হতে শেখে। এই সময় তরুণের থাকে তাজা রক্ত। তারা নিজেদের নিয়ে ভাবার অবকাশ পায় না। তাদের ধর্মই হলো দুর্বার গতিতে ছুটে চলা। তারা দেশ ও জাতির কল্যাণে ঝাঁপিয়ে পড়তে সদা প্রস্তুত। উদ্দীপকেও তরুণের ধর্মের কথাই বলা হচ্ছে। তাদের অফুরান প্রাণচঞ্চলতা ও দুঃসাহসিকতা পথচলার শক্তি জোগায়। অর্থাৎ তরুণের ধর্ম কেমন হয় তা উদ্দীপকেও বর্ণিত হয়েছে। এভাবে তারুণ্যের ধর্মের প্রতি আলোকপাতের দিক থেকে উদ্দীপক ও আলোচ্য কবিতার সাদৃশ্য রয়েছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপক ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতা উভয় জায়গাতেই. যৌবনের স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশের রূপ রয়েছে।
যৌবন হলো মানুষের জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়। এই সময়ে অনেক দোষ-গুণ এসে মানুষের সাথে মেশে। এই সময়ে মানুষ নিজেকে যেভাবে চালনা করে তার বাকি জীবনে সেই প্রভাব প্রতিফলিত হয়।
'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি কৈশোর থেকে মানুষের যৌবনে পদার্পণের রূপটি তুলে ধরেছেন। এই সময় মানুষের শরীরে থাকে তাজা রক্ত। তারা যেমন সজীব তেমনই চারপাশও সব সময় সজীব রাখতে চায়। যৌবনের প্রারম্ভের এই সময়ে মানুষ পথের কোনো বাধাকেই বাধা মনে করে না। যেকোনো বাধাকে পায়ের নিচে দলে তারা পথ এগিয়ে চলে। যৌবন যেমন চিরসবুজ তেমনই এই পর্যায়ে মানুষ পুরানো-জরাকে ভেঙে নতুন সৃষ্টির দিকে ধাবমান হয়। বিপদে- আপদে যৌবনের এই সময়ে মানুষ ঝাঁপিয়ে পড়ে।
উদ্দীপকেও কৈশোর থেকে যৌবনে পদার্পণের এই সময়কে ধারণ করা হয়েছে। যৌবনের এই সময়ের ধর্মই হলো মাথা নত না করে এগিয়ে যাওয়া। উদ্দীপক ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় মূলত কৈশোর পার করে যৌবনে মানুষের বৈশিষ্ট্য কেমন হয় সেই দিকটিই তুলে ধরা হয়েছে। উভয়ই যৌবনের স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশের স্বরূপ উন্মোচন করেছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘আত্মত্যাগের মন্ত্রে উজ্জীবিত…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২৪ – আঠারো বছর বয়স, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”