[B, C, D প্রকৃত প্রতীক নয়]
কোনো পরমাণুর নিউক্লিয়াসে উপস্থিত প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যার যোগফলকে ঐ পরমাণুর ভরসংখ্যা বলা হয়।
N এর ইলেকট্রন বিন্যাস হচ্ছে
.
N এর বহিঃস্থ স্তরে ৩টি অযুগ্ম ইলেকট্রন রয়েছে।
ফলে নাইট্রোজেন মৌলটি একযোজী কোনো মৌলের তিনটি পরমাণুর সাথে যুক্ত হওয়ার ক্ষমতা রাখে। সংজ্ঞানুসারে, নাইট্রোজেনের যোজনী তিন। অপরদিকে নাইট্রোজেনের সর্বশেষ শক্তিস্তরে মোট 5টি ইলেকট্রন থাকায় এর যোজনী ইলেকট্রন 5। সুতরাং, দেখা যাচ্ছে, N এর যোজনী 3 এবং যোজনী ইলেকট্রন 5, যা ভিন্ন।
উদ্দীপকের তথ্যমতে, D মৌলটি ক্লোরিন (CI)। কারণ CI মৌলটি পর্যায় সারণির 17 নং গ্রুপের ৩য় পর্যায়ের মৌল। সুতরাং হলো ।
Cl এর ইলেকট্রন বিন্যাস,
ইলেকট্রন বিন্যাস হতে দেখা যায়, এর শেষ কক্ষপথে টি ইলেকট্রন বিদ্যমান। ফলে অষ্টক পূরণের জন্য এর 1টি ইলেকট্রন প্রয়োজন। এক্ষেত্রে দুটি ক্লোরিন (CI) পরমাণু পরস্পর 1টি করে ইলেকট্রন শেয়ার করে নিকটবর্তী নিষ্ক্রিয় গ্যাস এর ইলেকট্রন বিন্যাস লাভ করে এবং অণু গঠন করে।
উদ্দীপকের তথ্যমতে, যৌগটি এবং যৌগটি । পানিতে দ্রবীভূত হলেও পানিতে অদ্রবণীয়। প্রয়োজনীয় তথ্যের আলোকে নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
আয়নিক যৌগ পোলার দ্রাবক -তে দ্রবণীয় কিন্তু সমযোজী অণু অদ্রবণীয় । কারণ, পোলার দ্রাবক পানির অণুর দুই প্রান্তে দুটি মেরু থাকে। আয়নিক যৌগ এর কেলাসকে দ্রবীভূত করার সময় পানির ঋণাত্মক মেরু এর ধনাত্মক আয়নের দিকে এবং পানির ধনাত্মক মেরু এর ঋণাত্মক মেরুর দিকে আবর্তিত হয়। ফলে এর ও আয়নসমূহ পানির অণু দ্বারা আকর্ষিত হয় এবং কেলাস ল্যাটিস থেকে ক্রমশ দ্রবণে চলে আসে। ও আয়নসমূহ দ্রবণে পুরোপুরি মুক্ত থাকে না। তারা দ্রাবক পানি অণুর সাথে সংযোজিত থাকে। ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আয়নের সাথে পানি অণুর সংযোজনের সময় নির্গত শক্তিকে হাইড্রেশন শক্তি বলে। এ নির্গত তাপশক্তির প্রভাবে MgCl₂ এর কেলাস ল্যাটিস থেকে আয়নগুলো পৃথক হয়ে পানিতে দ্রবীভূত থাকে।
অপরদিকে, একটি অপোলার সমযোজী যৌগ। এটি দ্রবণে ক্যাটায়ন ও অ্যানায়নে বিভক্ত হতে পারে না বলে পোলার পানি দ্বারা আকৃষ্ট হয় না। এজন্য পানিতে অদ্রবণীয়।
