A. Nayan
A. Nayan
22 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘”বাংলা আমার আমি…’ সিলেট বোর্ড ২০২৫ – আমি কোনো আগন্তুক নই, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)


Listen to this article
🏫 বোর্ড: সিলেট বোর্ড📅 সাল: ২০২৫⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

“বাংলা আমার আমি বাংলার

বাংলা আমার জন্মভূমি

গঙ্গা ও যমুনা, পদ্মা ও মেঘনা,

বহিছে যাহার চরণ চুমি।

. . . . . . . . . . . . . . . . . . .

হৃদয় আমার বাংলার লাগি,

যে দেশেই থাকি সদা থাকে জাগি,

স্বর্গ হতেও শ্রেষ্ঠ সে আমার

বাংলা আমার অমিয় ধারা।”

উত্তর:

'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় কবির চিরচেনা স্বজন কদম আলী।

উত্তর:

◉ "আমি স্বাপ্নিক নিয়মে এখানেই থাকি"- কথাটির দ্বারা কবির স্বপ্নময় স্বদেশের সঙ্গে মিলে থাকাকে বুঝিয়েছেন।

◉ 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় কবি নিজের জন্মভূমির প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগ প্রকাশ করেছেন। কবি যে দেশে জন্মেছেন সেই দেশটি স্বপ্নময়। সেই দেশের গ্রাম, গ্রামীণ প্রকৃতি ও জনজীবন প্রায় একই ধরনের স্বপ্নের স্পর্শ মাখা। কবিও সেই স্বপ্নময়তাকে ধারণ করেই বেড়ে উঠেছেন। অবাধ ও অবারিত স্বপ্নের মতো কবি সেখানে ছিলেন, এখনো তিনি সারা দেশের অস্তিত্বের সঙ্গেই মিশে আছেন।

উত্তর:

◉ উদ্দীপকের প্রথম স্তবকের সঙ্গে 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় বর্ণিত জন্মভূমির সঙ্গে কবির গভীর বন্ধনের দিকটির সাদৃশ্য রয়েছে।

◉ 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় কবি জন্মভূমির সঙ্গে নিজের - সম্পৃক্ততার মাধ্যমে জন্মভূমির প্রতি এদেশের মানুষের অবিচ্ছেদ্য সম্পর্কের দিকটি তুলে ধরেছেন। তিনি গ্রামের পথ-ঘাট; ধানখেত, নদীর কিনার, সেখানকার মানুষজন, কদম আলী, জমিলার মা প্রভৃতির কথা বলেছেন। গ্রামীণ প্রকৃতির সঙ্গে তাঁর বন্ধন ও মানুষের বেড়ে ওঠার বিষয়টি এতে প্রতিফলিত হয়েছে। এখানকার প্রকৃতি, পরিবেশ, পাখি, কার্তিকের ধানখেত সবই কবির চেনা। তারাও কবিকে চেনে, কারণ কবি কোনো আগন্তুক নন।

◉ উদ্দীপকের প্রথম স্তবকে কবি বাংলার সঙ্গে নিজের গভীর সম্পর্কের দিকটি তুলে ধরেছেন। কবি বাংলায় জন্মগ্রহণ করেছেন, যার চরণ স্পর্শ করে বয়ে গেছে গঙ্গা, যমুনা, পদ্মা ও মেঘনা। উদ্দীপকের এ বিষয়টি 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতার জন্মভূমির প্রতি কবির গভীর ভালোবাসার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। কবিতায় কবি নিজেকে জন্মভূমির সন্তান বলে দাবি করেছেন। এতে জন্মভূমির প্রতি তাঁর গভীর অনুভবটি প্রকাশ পেয়েছে। কবির এই অনুভব স্বদেশপ্রেমের সঙ্গে সম্পৃক্ত, যা উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে।

উত্তর:

◉ জন্মভূমির সঙ্গে মানুষের আজীবনের সম্পর্ক, আপন সত্তায় স্বদেশকে অনুভব করার বিষয়ে যোগসূত্র থাকায় “উদ্দীপকের দ্বিতীয় স্তবকে 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতার মূল চেতনার প্রতিফলন ঘটেছে।”- মন্তব্যটি যথার্থ।

◉ 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় কবি জন্মভূমির সঙ্গে তাঁর নিজের বন্ধন ও মানুষের অবিচ্ছেদ্য সম্পর্কের দিকটি তুলে ধরেছেন। এখানে গ্রামীণ প্রকৃতির নানা অনুষঙ্গে কবির প্রাত্যহিক জীবনের সম্পৃক্ততার দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। গ্রামের মাঠ-ঘাট, আকাশ, ফুল-পাখি, জোনাকি, পুকুর, মাছরাঙা সবই কবির বহু দিনের চেনা। তারাও তাকে ভালো করে চেনে। কবির মতো, মানুষও জন্মভূমির মধ্যে শিকড় গেড়ে থেকেই সমগ্র দেশকে আপন করে পায়।

◉ উদ্দীপকের দ্বিতীয় স্তবকে কবি তাঁর জন্মভূমি বাংলার জন্য আকুলতা ব্যক্ত করেছেন। কবি যে দেশেই থাকেন তার জন্য তিনি সদা জেগে থাকেন। জন্মভূমি তাঁর কাছে স্বর্গের চেয়েও শ্রেষ্ঠ। উক্ত দিকটি 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতার কবির মধ্যেও লক্ষণীয়। কবি তাঁর জন্মভূমির সঙ্গে নিজের সম্পর্ক প্রমাণ করার জন্য এর নানা অনুষঙ্গকে সাক্ষী বানিয়েছেন। তিনি বারবার বলেছেন তিনি কোনো আগন্তুক নন, বরং জন্মভূমির প্রতিটি বস্তু ও মানুষ তাঁর চিরপরিচিত।

◉ 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় আসমান, জমিনের ফুল, জোনাকি, পুকুর, মাছরাঙা, ধানখেত- এ সবকিছুই কবির দেশের মাটির প্রতি গভীর মমতাকে আরও গভীরতর করেছে। স্বদেশের সবকিছুই কবির অস্থিমজ্জায় গ্রথিত হয়ে আছে। জন্মভূমির সঙ্গে কবির এমন গভীর সম্পর্ক এবং তার প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার দিকটিই উদ্দীপকের দ্বিতীয় - স্তবকে প্রতিফলিত হয়েছে। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

8 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘”বাংলা আমার আমি…’ সিলেট বোর্ড ২০২৫ – আমি কোনো আগন্তুক নই, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)”