A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২২ – সোনার তরী, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পদ্য🧩 অধ্যায় ৭ম অধ্যায় — সোনার তরী🔢 সৃজনশীল নং ৫🏫 বোর্ড রাজশাহী বোর্ড📅 সাল ২০২২⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র ঐতিহাসিক নিদর্শন চর্যাপদ। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ ৬৫০ খ্রি. থেকে চর্যাপদের কাল ধরেছেন। হাজার বছরেরও অধিক সময় পূর্বে রচিত হওয়ায় পদকর্তাদের জীবন ইতিহাস বিস্তারিত জানা সম্ভব হয় না। রচয়িতাদের পরিচিতি কালের প্রবাহে ধূসর হয়ে গেলেও তাঁদের রচনাগুলোর ভাষা ও বিষয় নিয়ে গবেষণার অন্ত নেই। ‘চর্যাপদ’ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের মূল্যবান সম্পদ হিসেবে সমাদৃত।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৭

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER
০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER
০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে চর্যাপদের পদকর্তাদের কর্মফলের অমরতার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে, যা 'সোনার তরী' কবিতার সোনার ধানের মতোই।

‘সোনার তরী' কবিতায় রূপকের আশ্রয়ে মানবজীবনের গূঢ় দর্শন প্রকাশিত হয়েছে। এ কবিতায় বাহ্যরূপে বর্ষার হিংস্র স্রোত পরিবেষ্টিত ধানখেতে রাশি রাশি সোনার ধান নিয়ে অপেক্ষা করেন এক কৃষক। একসময় ভরা পালে সোনার তরী বেয়ে চলে যেতে থাকা এক মাঝিকে ধানগুলো নিয়ে যাওয়ার জন্য কাতর অনুনয় করেন তিনি। মাঝি তাঁর ধানগুলো তরীতে তুলে নেয়; কিন্তু ব্যক্তিকৃষকের সেখানে স্থান হয় না।

উদ্দীপকে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র ঐতিহাসিক নিদর্শন চর্যাপদের কথা বলা হয়েছে । এখানে বলা হয়েছে, চর্যাপদ হাজার বছর পূর্বে রচিত বলে এর রচয়িতাদের জীবন ইতিহাস তেমন জানা সম্ভব না হলেও তাঁদের কীর্তি নিয়ে আজও গবেষণার অন্ত নেই। এটি আজও বাংলা সাহিত্যের মূল্যবান সম্পদ হিসেবে সমাদৃত। অর্থাৎ, পদকর্তাদের মৃত্যু হলেও তাঁদের সৃষ্টিকর্মের বিনাশ হয়নি। আলোচ্য 'সোনার তরী' কবিতাতেও কবি ব্যক্তি মানুষের মৃত্যুর বিপরীতে মহাকালের কালস্রোতে কর্মফলের টিকে যাওয়ার কথা বলেছেন, যা উদ্দীপকে উল্লিখিত চর্যাপদের পদকর্তাদের জীবন ও কর্মের মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়েছে। সে বিবেচনায়, উদ্দীপকটিতে আলোচ্য কবিতায় বিধৃত কর্মফলের অমরতার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে চর্যাপদের পদকর্তাদের কর্মফলের অমরতার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে, যা 'সোনার তরী' কবিতার সোনার ধানের মতোই।

‘সোনার তরী' কবিতায় রূপকের আশ্রয়ে মানবজীবনের গূঢ় দর্শন প্রকাশিত হয়েছে। এ কবিতায় বাহ্যরূপে বর্ষার হিংস্র স্রোত পরিবেষ্টিত ধানখেতে রাশি রাশি সোনার ধান নিয়ে অপেক্ষা করেন এক কৃষক। একসময় ভরা পালে সোনার তরী বেয়ে চলে যেতে থাকা এক মাঝিকে ধানগুলো নিয়ে যাওয়ার জন্য কাতর অনুনয় করেন তিনি। মাঝি তাঁর ধানগুলো তরীতে তুলে নেয়; কিন্তু ব্যক্তিকৃষকের সেখানে স্থান হয় না।

উদ্দীপকে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র ঐতিহাসিক নিদর্শন চর্যাপদের কথা বলা হয়েছে । এখানে বলা হয়েছে, চর্যাপদ হাজার বছর পূর্বে রচিত বলে এর রচয়িতাদের জীবন ইতিহাস তেমন জানা সম্ভব না হলেও তাঁদের কীর্তি নিয়ে আজও গবেষণার অন্ত নেই। এটি আজও বাংলা সাহিত্যের মূল্যবান সম্পদ হিসেবে সমাদৃত। অর্থাৎ, পদকর্তাদের মৃত্যু হলেও তাঁদের সৃষ্টিকর্মের বিনাশ হয়নি। আলোচ্য 'সোনার তরী' কবিতাতেও কবি ব্যক্তি মানুষের মৃত্যুর বিপরীতে মহাকালের কালস্রোতে কর্মফলের টিকে যাওয়ার কথা বলেছেন, যা উদ্দীপকে উল্লিখিত চর্যাপদের পদকর্তাদের জীবন ও কর্মের মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়েছে। সে বিবেচনায়, উদ্দীপকটিতে আলোচ্য কবিতায় বিধৃত কর্মফলের অমরতার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২২ – সোনার তরী, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”