| ㅤ | A. Nayan18 Oct 2026 (1 week ago) |
সৃজনশীলঃ ‘বাংলাদেশে সকল ফসল…’ কুমিল্লা বোর্ড ২০২২ – কৃষি, ভূগোল, ভূগোল ২য় পত্র (এইচএসসি)

বাংলাদেশে সকল ফসল সব ঋতুতে উৎপন্ন হয় না। কিছু ফসল আছে যাদের উৎপাদনের স্থায়িত্বকাল সাধারণত শীত মৌসুম।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ৪
চা একটি বাণিজ্যিক ফসল।
গম একটি নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের ফসল। গম চাষের জন্য প্রয়োজনীয় বৃষ্টিপাত, তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার প্রয়োজন যা একটি নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের মধ্যে বিদ্যমান থাকে। যেমন- গম চাষের জন্য (১৬-২২০) তাপমাত্রা, (৫০০- ৭৫) সে. মি. বৃষ্টিপাত এবং জলবায়ু বিরাজ করে। একটি নাতিশীতো অঞ্চলে এধরনের জলবায়ু বিরাজ করে। গম যেহুতু নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ুতে ভালো জন্মে তাই বলা যায় গমএকটিনাতিশীতোষ্ণঅঞ্চলেরশস্য।
উদ্দীপকে শীতকালীন অর্থাৎ রবিশস্যের কথা বলা হয়েছে। নিচে শীতকালীন ফসল (রবিশস্য) সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো-
শীতকালের শুরুতে বীজ বপন করে যেসব ফসল চাষ করা হয় তাকে রবিশস্য বলা হয়।অর্থাৎ শীতকালে যেসব ফসল চাষ হয় তাকেই রবিশস্য বলে। রবিশস্যের মধ্যে রয়েছে গম, সরিষা, মটর, কলাই, মসুরি ইত্যাদি। রবিশস্যের এই উৎপন্ন ফসল শীতে ঋতুকে ! রবি মৌসুম বলা হয়। রবি মৌসুম শুরু হয় নভেম্বরে এবং শেষ হয় এপ্রিলে। মাঘ মাসের শেষের দিকে যে বৃষ্টি হয় তার ওপর নির্ভর করে বাংলাদেশের নিচু এলাকায় কৃষকগণ রোপা বোরো ধানের চাষ করেন। এ ফসল সাধারণত চৈত্র বা বৈশাখ মাসে কাটা হয়। শুদ্ধ আবহাওয়া পছন্দকারী ফসল গম, যব, ভুট্টা, ছোলা, মুগ, মসুর, মটর, মাসকলাই, খেসারি, সরিষা, তিল, তিসি, তামাক, আলু প্রভৃতি শীতকালে 'রবিশস্য' হিসেবে চাষ করা হয়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত ঋতু হলো শীত।ঋতু যখন বাংলাদেশে রবিশস্য উৎপন্ন হয়। এটি ছাড়া বাংলাদেশে ঋতুভেদে গ্রীষ্মকালীন (ভাদইশস্য)। নিচে রবিশস্যের (শীতকালীন) সাথে ভাদই ও খরিপ শস্যের বর্ষাকালীন তুলনামূলক আলোচনা করা হলো-
শীতকালের শুরুতে বীজ বপন করে যেসব ফসল চাষ করা হয় তাকে রবিশস্য বলা হয়। রবিশস্যের মধ্যে রয়েছে গম, সরিষা, মটর, কলাই, মসুরি ইত্যাদি। রবিশস্যের এই উৎপন্ন ফসল শীতে ঋতুকে রবি মৌসুম বলা হয়। রবি মৌসুম শুরু হয় নভেম্বরে এবং শেষ হয় এপ্রিলে। মাঘ মাসের শেষের দিকে যে বৃষ্টি হয় তার ওপর নির্ভর করে বাংলাদেশের নিচু এলাকায় কৃষকগণ রোপা বোরো ধানের চাষ করেন। এ ফসল সাধারণত চৈত্র বা বৈশাখ মাসে কাটা হয়। শুষ্ক আবহাওয়া পছন্দকারী ফসল গম, যব, ভুট্টা, ছোলা, মুগ, মসুর, মটর, মাসকলাই, খেসারি, সরিষা, তিল, তিসি, তামাক, আলু প্রভৃতি শীতকালে 'রবিশস্য' হিসেবে চাষ করা হয়।
অপরদিকে বর্ষাকালের আগমনের সাথে সাথে যে ফসলের চাষ শুরু হয় তাকে খরিফ ফসল বলে। খরিফ শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো 'হৈমন্তিক'। ইংরেজি মে মাস থেকে শুরু করে পুরো অক্টোবর পর্যন্ত খরিফ ফসলের চাষ হয়। এ সময়ে স্থানভেদে বোনা, রোপা ও জলী আমন ধান হেমন্তের দিনগুলোতে কৃষকের ঘরে উঠে। এজন্য খরিফ ঋতুর ধানকে 'হৈমন্তিক' এবং এ ফসল ঋতুকে হৈমন্তিক ঋতু নামে অভিহিত করা হয়। এ ঋতুতে উৎপন্ন ফসলগুলোর মধ্যে রয়েছে আউশ ধান, বোনা আমন, রোপা আমন, পাট, তিল, গ্রীষ্মকালীন বিভিন্ন সবজি, আদা, হলুদ, গোলমরিচ, কাঁচামরিচ, কচু, তুলা, মুগ, মাষকলাই ইত্যাদি।