A. Nayanㅤ
A. Nayan
18 Oct 2026 (1 week ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও…’ ঢাকা সিটি কলেজ ২০২৫ – শিল্প, ভূগোল, ভূগোল ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই ভূগোল📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ ভূগোল🧩 অধ্যায় ৬ষ্ঠ অধ্যায় — শিল্প🔢 সৃজনশীল নং ৩৮🏢 প্রতিষ্ঠান ঢাকা সিটি কলেজ📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে কাঁচামালের যোগান বেশি থাকায় রাজশাহী ও রংপুরে একটি শিল্পের বেশ কিছু কারখানা গড়ে উঠেছে। অনুকূল পরিবেশ বিশেষ করে কাঁচামাল সংকটের কারণে সিলেট বিভাগে শিল্পটির কারখানা গড়ে ওঠেনি।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৬

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

যেকোনো নির্দিষ্ট জনসংখ্যায় বিভিন্ন দিক পরিমাপের মাধ্যমে উপস্থাপন করাকেই জনমিতি বলে।।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

বিনিয়োগ ছাড়া শিল্পকেন্দ্র গড়ে তোলা সম্ভবপর নয়। একটি শিল্পকারখানা তৈরি 'করতে পর্যাপ্ত মূলধন প্রয়োজন হয় যা ব্যক্তি পর্যায়ে একা করা সম্ভব নয়। একারণে ঋণ ও ভর্তুকির ব্যবস্থা থাকলে শিল্পকেন্দ্র গড়ে তোলা সহজ। একটি শিল্প গড়ে তুলতে হলে অবকাঠামো তৈরি থেকে শুরু করে কাঁচামাল, শক্তি সম্পদ, পরিবহন, শ্রমিক মজুরি প্রভৃতি নানাবিধ কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য পর্যাপ্ত মূলধন প্রয়োজন। এগুলোর ব্যয় মিটাতে গিয়ে বিনিয়োগ করা অবশ্যম্ভাবী।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে ইঙ্গিতপূর্ণ শিল্পটি হলো বাংলাদেশের চিনি শিল্প। উক্ত শিল্পে গড়ে ওঠার ভৌগোলিক নিয়ামক ব্যাখ্যা করা হলো-

পর্যাপ্ত কাঁচামাল: চিনির কাঁচামাল আখ চাষের অনুকূল পরিবেশ বজায় থাকায় বাংলাদেশে প্রচুর পরিমাণ আখ উৎপাদিত হয়। এ আখ স্থানীয় চিনিকলগুলোতে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া কিছু পরিমাণ আখ গুড় তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এসব চিনিকলের অধিকাংশ আখ উৎপাদনকারী অঞ্চলেই অবস্থিত। আবার কাঁচামালের অভাবহেতু বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে চিনিশিল্প গড়ে ওঠেনি।

মৃত্তিকার ধরন: মৃত্তিকার ধরন আখ চাষের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আখ চাষের জন্য উপযোগী পলি দোআঁশ, কাদা দোআঁশ মৃত্তিকা অধিক উপযোগী। তাই বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে আখ বেশি জন্মায়। ফলে শিল্পের কাঁচামালের অভাব হয় না।

অনুকূল জলবায়ু: অনুকূল জলবায়ু আখ চাষে মুখ্য, ভূমিকা পালন করে। আখ চাষের জন্য উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু বাংলাদেশের যেসব অঞ্চলে দেখা যায় সেসব স্থানে আখের চাষ হয়।

সুতরাং বলা যায় যে, উপরোল্লিখিত ভৌগোলিক নিয়ামক যা চিনি শিল্প গড়ে ওঠার জন্য সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে ইঙ্গিতপূর্ণ শিল্পটি হলো চিনি শিল্প।

বাংলাদেশের চিনিশিল্পের কতকগুলো সমস্যা এ শিল্প প্রসারে বাধার সৃষ্টি করেছে। যেমন-

১. পর্যাপ্ত কাঁচামালের অভাব: বাংলাদেশের আখের উৎপাদন চাহিদার তুলনায় কম। যেখানে হাওয়াই, জাভা ও কিউবায় একরপ্রতি উৎপাদন ৬৫ টন সেখানে বাংলাদেশে একরপ্রতি ১৭.৩৩ মেট্রিক টন ইক্ষু উৎপাদিত হয়।

২. গুড় তৈরির প্রবণতা: কৃষকগণ চিনিকলগুলো থেকে আখের কাঙ্ক্ষিত মূল্য পায় না। তাই চিনিকলের কাছেই গুড় তৈরির প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় চিনির কলগুলোতে আখের সংকট দেখা দিচ্ছে।

৩. আখ ক্ষেতের দূরে অবস্থান: আখ ক্ষেতের অবস্থান চিনি কলগুলোর তুলনায় দূরে হওয়ায় পরিবহন ব্যয় বেশি লাগে।

৪. বিদ্যুৎ সমস্যা: দেশে বিরাজমান লোডশেডিং-এর কারণে নিয়মিত বিদ্যুৎ বিভ্রাট চিনিশিল্পের জন্য একটি মারাত্মক সমস্যা। এর ফলে উৎপাদন হ্রাস পায় এবং মূল্য বৃদ্ধি পায়।।

৫. আখের স্বল্পকালীন উৎপাদন মওসুম: বাংলাদেশে বছরে মাত্র ৪/৫ মাস সময় আখের চাষ হয়। এই অল্প সময়ে যে আখ উৎপাদিত হয় তা কলগুলোর চাহিদা পূরণে যথেষ্ট নয়। ফলে চিনির কলগুলো বছরের প্রায় ৫/৬ মাস বন্ধ থাকে।

৬. ত্রুটিপূর্ণ উৎপাদন পদ্ধতি: আখ হতে রস নিষ্কাশন ও চিনি পরিশোধন পদ্ধতিও অনেক ক্ষেত্রে ত্রুটিপূর্ণ হওয়ার ফলে অপচয় ঘটে ও মূল্য বৃদ্ধি পায়।

সুতরাং বলা যায় যে, উপরোল্লিখিত বিষয়গুলো বাংলাদেশের চিনি শিল্পের প্রসারে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে বলে মনে করি।'

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও…’ ঢাকা সিটি কলেজ ২০২৫ – শিল্প, ভূগোল, ভূগোল ২য় পত্র (এইচএসসি)”