A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে…’ রাজশাহী বোর্ড ২০১৯ – জীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ১২তম অধ্যায় — জীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষণ🔢 সৃজনশীল নং ১৫🏫 বোর্ড রাজশাহী বোর্ড📅 সাল ২০১৯⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে একটি বিশেষ বনভূমি অবস্থিত, এটি আবার বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ। এই বনভূমি সরাসরিভাবে নিয়মিত জোয়ারভাটার মাধ্যমে প্রভাবিত হয়। এই এলাকাটি বৈচিত্র্যপূর্ণ বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিদ ও প্রাণীতে পরিপূর্ণ।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্ভিদ ও প্রাণীজগৎ মাটি ও জলবায়ুর সাথে পারস্পরিক সম্পর্কের মাধ্যমে যে বাস্তুতান্ত্রিক একক গড়ে তোলে তাকে বায়োম বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

একই সময়ে দুটি পুংজনন কোষের একটি ডিম্বাণুর সাথে এবং অপরটি গৌণ নিউক্লিয়াসের সাথে মিলিত হয়ে যে নিষেক সম্পন্ন হয় তাকে দ্বিনিষেক বলে।

দ্বিনিষেক আবৃতবীজী উদ্ভিদের একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য। দ্বিনিষেকের মাধ্যমে নিষিক্ত ডিম্বাণু জাইগোটে পরিণত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত বনভূমি হলো ম্যানগ্রোভ বনভূমি বা উপকূলীয় বনাঞ্চল। 

ম্যানগ্রোভ বনভূমি বা উপকূলীয় বনাঞ্চল দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত।এটি বিশ্ব ঐতিহ্যের একটি অংশ।  উপকূলীয় বনাঞ্চল উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য- 

১। উপকূলীয় বনাঞ্চলের বেশির ভাগ উদ্ভিদ বহুবর্ষজীবী ও দীর্ঘায়ুসম্পন্ন হয়। 

২। লবণাক্ততা বৃদ্ধির সাথে সাথে যৌন জননের ঘটনা কমে যায়।

৩। বিভিন্ন ধরনের ক্লোনাল বংশবৃদ্ধি পদ্ধতি লক্ষ্য করা যায়।

৪। বৃদ্ধির হার শস্য উদ্ভিদের চেয়ে অপেক্ষাকৃত কম। 

৫। দ্রবীভূত নাইট্রোজেনের ঘনত্ব বেশি থাকে।

৬। পাতার অভ্যন্তরীণ লবণাক্ততার পরিমাণ শুষ্ক ওজনের শতকরা ১০-৫০ ভাগ।

৭। জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম দেখা যায়।

৮। কিছু কিছু ক্ষেত্রে শ্বাসমূল থাকে। জোয়ারে প্লাবিত বা সিক্ত মাটি থেকে পর্যাপ্ত O2, না পেলে শ্বাসমূল বাতাস থেকে O2 গ্রহণ করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত বনভূমি টি হলো সুন্দরবন। এই বনের জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে ২টি স্বীকৃত পধতি গ্রহণ করা যেতে পারে । 

জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের পদ্ধতিসমূহ : জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ পদ্ধতি প্রধানত দু'প্রকার, যথা- (ক) ইন-সিটু সংরক্ষণ এবং (খ) এক্স-সিটু সংরক্ষণ ।

(ক) প্রাকৃতিক বাসস্থানে সংরক্ষণ বা ইন-সিটু সংরক্ষণ (In situ conservation) : মূল বাসস্থানে তথা প্রাকৃতিক পরিবেশের বিবর্তনীয় গতিশীল ইকোসিস্টেমে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করাকে বলা হয় ইন-সিটু সংরক্ষণ। যেমন সুন্দরবনের কর্দমাক্ত, লবণাক্ত ও সিক্ত পরিবেশে সুন্দরী গাছ জন্মে থাকে। কাজেই সুন্দরী গাছকে সুন্দরবনের মূল বাসস্থান তথা ঐ পরিবেশতন্ত্রে সংরক্ষণ করাই হলো ইন-সিটু সংরক্ষণ বা স্বস্থানে সংরক্ষণ । 

এক্ষেত্রে প্রাপ্ত সুবিধা সমূহ 

(i) কোনো প্রজাতি সংরক্ষণের সবচেয়ে উত্তম উপায় হলো যে বাসস্থানে ইহা প্রাকৃতিকভাবে জন্মে সেই বাসস্থানকে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা। এর ফলে উক্ত প্রজাতির সাথে সম্পর্কযুক্ত প্রাণিকূলও সংরক্ষিত হয়।

(ii) অনেক উদ্ভিদ তাদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও অন্যান্য কারণে তাদের মাইকোরাইজাল ছত্রাকের উপর নির্ভরশীল। ইন- সিটু সংরক্ষণের ফলে মাইকোরাইজাল ছত্রাকও সংরক্ষিত হয় এবং ঐ উদ্ভিদের টিকে থাকা নিশ্চিত হয়।

(iii) একটি প্রজাতি বা একটি উদ্ভিদ কেবলমাত্র একটি ইকোসিস্টেমের অংশই নয়, বিভিন্নভাবে আশপাশের অন্যান্য প্রজাতির সাথে ক্রিয়া-বিক্রিয়া করে এবং অনেক প্রজাতিকে বেঁচে থাকতে সাহায্য করে। ইন-সিটু সংরক্ষণে এ সুবিধা থাকে।

(iv) কোনো প্রজাতিকে তার বাসস্থানে সংরক্ষণের সবচেয়ে উপকারী দিক হলো এই যে এতে করে বিবর্তনীয় প্রক্রিয়াগুলো চালু থাকে।

(v) যে দেশ বা অঞ্চলে ফ্লোরা এখনো ভালোভাবে তালিকাভুক্ত করা সম্ভব হয়নি অথবা বিশদভাবে স্টাডি করা সম্ভব হয়নি সে দেশ বা সে অঞ্চলে ইন-সিটু সংরক্ষণ আবশ্যক। অনেক দেশেই সংকটাপন্ন প্রজাতির তালিকা প্রস্তুত সম্পন্ন হয়নি, সেসব দেশে এক্স-সিটু অবস্থানে কোন কোন প্রজাতি সংরক্ষণ করতে হবে তাও সঠিকভাবে চিহ্নিত হয়নি, কাজেই ইকোসিস্টেম সংরক্ষণ করা তথা ইন-সিটু সংরক্ষণ পদ্ধতিই সেখানে আদর্শ সংরক্ষণ পদ্ধতি।

(vi) যে অঞ্চলে এখনো অনেক প্রজাতি অনাবিষ্কৃত রয়েছে সে অঞ্চলেও ইন-সিটু সংরক্ষণ পদ্ধতি আবশ্যক। 

(vii) রিক্যালসিস্টান্ট বীজ সংরক্ষণের জন্য ইন-সিটু পদ্ধতি বিশেষভাবে উপযোগী।

( খ) কৃত্রিম বাসস্থানে সংরক্ষণ বা এক্স-সিটু সংরক্ষণ : বায়োডাইভারসিটির উপাদানসমূহকে তাদের মূল বাসস্থান বা প্রাকৃতিক স্বাভাবিক পরিবেশের বাইরে বাঁচিয়ে রাখাই হলো এক্স-সিটু সংরক্ষণ। যেমন সিলেট বনের আগর গাছকে বা সুন্দরবনের সুন্দরী গাছকে ঢাকার বোটানিক্যাল গার্ডেনে লাগিয়ে সংরক্ষণ করা হলো এক্স-সিটু সংরক্ষণ এর একটি উদাহরণ। নিম্নলিখিত উপায়ে এক্স-সিটু সংরক্ষণ করা হয়।

(১) উদ্ভিদ উদ্যান বা বোটানিক্যাল গার্ডেন । 

(২) বীজ ব্যাংক। 

৩ । ফিল্ড জিন ব্যাংক : ফিল্ড জিন ব্যাংকের মাধ্যমে রিক্যালসিস্টান্ট বীজবাহী উদ্ভিদ সংরক্ষণ করা সম্ভব। 

৪। জিন ব্যাংক : উদ্ভিদের জিন তত্ত্বের সম্পদগুলোকে সংরক্ষণে সংরক্ষিত উদ্ভিদ নমুনাগুলোকে সময়ে সময়ে জন্মানো হয় এবং এ থেকে নতুন বীজ উৎপন্ন করে সংরক্ষণ করা হয়।

৫। চিড়িয়াখানা । 

৬। নিম্নতাপমাত্রায় সংরক্ষণ: অঙ্গজ বংশবিস্তারে সক্ষম এমন অনেক ফসলের অঙ্গজ অংশ (যেমন-রাইজোম, বাল্ব, টিউবার, করম) সাধারণত অল্প জীবনকাল সম্পন্ন এবং দ্রুত বিনষ্ট হয়ে যায়, যদি না এদেরকে উপযুক্ত পরিবেশে সংরক্ষণ করা হয়। 

৭। ইন-ভিট্রো সংরক্ষণ : ইন-ভিট্রো উপায়ে ল্যাবরেটরিতে রিক্যালসিস্টান্ট প্রজাতির ক্যালাস (callus) টিস্যু সংরক্ষণ করা যায় বা তরল আবাদ মাধ্যমেও সংরক্ষণ করা যায়। 

৮। ডিএনএ সংরক্ষণ : উদ্ভিদ থেকে DNA আহরণ করে তা সংরক্ষণ করা হয়। DNA সংরক্ষণের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ও কাঙ্ক্ষিত জিন সংরক্ষণ করা যায় । 

উপরোক্ত আলোচনা থেকে বলাযায় যে এক্স-সিটু সংরক্ষণ তুলনা মূলক ব্যয় বহুল এবং সময় সাধ্য। সেই তুলনায় এখনো অনেক প্রজাতি অনাবিষ্কৃত রয়েছে সুন্দরবন অঞ্চলে । তাই বলা যায় সুন্দরবন অঞ্চলে ইন-সিটু সংরক্ষণ পদ্ধতি আবশ্যক এবং সহজলভ্য।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে…’ রাজশাহী বোর্ড ২০১৯ – জীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”