A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জোয়ার-ভাটায়…’ ঢাকা কলেজ ২০২৬ – জীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ১২তম অধ্যায় — জীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষণ🔢 সৃজনশীল নং ২১🏢 প্রতিষ্ঠান ঢাকা কলেজ📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জোয়ার-ভাটায় প্লাবিত লবণাক্ত ও কর্দমাক্ত ভেজা মাটির পরিবেশে একটি বনাঞ্চল গড়ে উঠেছে। এই বনাঞ্চল বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ। এই বনাঞ্চলের উদ্ভিদগুলো হলো, সুন্দরী, গেওয়া, গোলপাতা, কেওড়া ইত্যাদি।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

একই সময়ে ডিম্বাণুর সাথে একটি পুংগ্যামেটের মিলন ও সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াসের সাথে অপর পুংগ্যামেটের মিলনই হলো দ্বি-নিষেক।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

মিয়োসিস কোষ বিভাজনের জাইগোটিন উপ-পর্যায়ে হোমোলোগাস ক্রোমোসোম একটি জোড়ার সৃষ্টি করে। হোমোলোগাস ক্রোমোসোমের আকর্ষণই এ জোড়া সৃষ্টির কারণ। দুটি হোমোলোগাস ক্রোমোসোমের মধ্যে জোড় বাঁধার প্রক্রিয়াকে সিন্যাপসিস বলে। জোড়া সৃষ্টি কার্য ক্রোমোসোমের এক প্রান্ত হতে আরম্ভ হয়ে অন্য প্রান্তে শেষ হতে পারে অথবা সেন্ট্রোমিয়ারদ্বয়ের মধ্যে আরম্ভ হয়ে দু'দিকে ক্রমান্বয়ে বিস্তার লাভ করতে পারে অথবা স্থানে স্থানে আরম্ভ হতে পারে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম সমুদ্র উপকূলে বিশেষ ধরনের বনভূমিটি সুন্দরবন বা ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলকে নির্দেশ করে। সুন্দরবন বা ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল দ্বারা মূলত লবণাক্ত পরিবেশকে বুঝানো হয়। কারণ এই বনাঞ্চলের মাটি লবণাক্ত। নিচে ম্যানগ্রোভবনাঞ্চলের লবণাক্ত পরিবেশে অভিযোজনিক বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করা হলো-
১. মাটির গভীরতার সাথে সাথে 'লবণাক্ততা বৃদ্ধি পায়, তাই অধিকাংশ উদ্ভিদের মূলতন্ত্র মাটির খুব গভীরে না গিয়ে মাটির উপরের স্তরেই বিস্তৃত থাকে।
২. অধিক লবণাক্ত পানি শোষণ করতে অসুবিধা হয়, তাই বৃষ্টির সময় লবণাক্ততা কিছুটা কমে আসলে উদ্ভিদ দ্রুত পানি শোষণ করে তাদের প্যারেনকাইমা কোষে সঞ্চয় করে থাকে। এ কারণে এদের কান্ড, পাতা ও মূলকে কিছুটা রসালো দেখায়।
৩. জোয়ার-ভাটার সময় পানির টানকে সহ্য করে দাঁড়িয়ে থাকার জন্য অনেক উদ্ভিদে স্তম্ভমূল বা ঠেসমূল থাকে।
৪. শ্বাসমূলের ভেতরে বায়ুকুঠুরী থাকে এবং সে কুঠুরীতে বায়ু (O2) ধরে রাখতে পারে। শ্বাসমূলের কারণে মূল ও বাইরের সাথে গ্যাসের বিনিময় সহজ হয়।
৫. লবণাক্ত মাটিতে এবং জোয়ার-ভাটার স্থানে বীজ এক স্থানে
টিকে থাকা কঠিন। তাই বহু উদ্ভিদে গাছে থাকা অবস্থায়ই বীজের অঙ্কুরোদগম শুরু হয়ে লম্বা তৃণমূল সৃষ্টি হয়। মূল একটু বড় ও ভারী হলে মাটিতে পড়ে এবং কিছুটা কাদা মাটিতে ঢুকে যায় ও স্থায়ী হয়। ফলে জোয়ার-ভাটারটানে তা ভেসে যায় না। উদ্ভিদে থাকা অবস্থায় ফলের অভ্যন্তরে বীজের অঙ্কুরোদগমকে বলা হয় জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম। ম্যানগ্রোভ অঞ্চলের অনেক উদ্ভিদে জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম লক্ষ করা যায়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত বনাঞ্চলটি হলো সুন্দরবন, যা একটি : ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল। এই বনাঞ্চলের উদ্ভিদসমূহকে বাসস্থানের বাইরে সংরক্ষণের পদ্ধতিকে Ex-situ সংরক্ষণ বলা হয়। এটি উদ্ভিদ সংরক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়।
পদ্ধতি: এই পদ্ধতিতে উদ্ভিদ বা তাদের অংশবিশেষ (যেমন- বীজ, পরাগরেণু, কান্ড) সংগ্রহ করে বনাঞ্চলের বাইরে, যেমন-বোটানিক্যাল গার্ডেন, বীজ ব্যাংক, টিস্যু কালচার, ল্যাবরেটরি ইত্যাদিতে সংরক্ষণ করা হয়।
উদ্দেশ্য: প্রাকৃতিক দুর্যোগ, জলবায়ু পরিবর্তন বা মানুষের হস্তক্ষেপের কারণে যদি কোনো প্রজাতি বিলুপ্তির ঝুঁকিতে থাকে, তবে বহিঃস্থান সংরক্ষণের মাধ্যমে সেই প্রজাতিকে টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়।
উদাহরণ: সুন্দরবনের উদ্ভিদ, যেমন- সুন্দরী, গেওয়া, গোলপাতা কেওড়া ইত্যাদির বীজ বা চারা সংগ্রহ করে বিভিন্ন নার্সারি বা বোটানিক্যাল গার্ডেনে রোপন ও পরিচর্যা করা যেতে পারে। এদের বীজ সংগ্রহ করে বীজ ব্যাংকে দীর্ঘ সময়ের জন্য সংরক্ষণ করা যেতে পারে। টিস্যু কালচারের মাধ্যমেও এই উদ্ভিদের বংশবৃদ্ধি ও সংরক্ষণ সম্ভব। এদের জিনগত উপাদান জিন ব্যাংকে সংরক্ষণ করা যায়।
গুরুত্ব : এই পদ্ধতিতে জীববৈচিত্র্য রক্ষা, গবেষণা এবং শিক্ষাক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি প্রাকৃতিক বাসস্থানের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে এবং বিলুপ্ত প্রায় প্রজাতির জিনগত উপাদান সংরক্ষণ নিশ্চিত করে।
উপরে আলোচিত কারণগুলোর জন্য সুন্দরবনের উদ্ভিদসমূহকে তাদের প্রাকৃতিক বাসস্থানের বাইরেও সফলভাবে সংরক্ষণ করা সম্ভব।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জোয়ার-ভাটায়…’ ঢাকা কলেজ ২০২৬ – জীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”